স্ট্রিম প্রতিবেদক

১০ দলীয় নির্বাচনী জোট ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জোটে থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ।
শুক্রবার রাত ৯টার পর দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি উত্তরা ট্র্যাজেডিতে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন এবং নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান।
ইসলামী আন্দোলনের সিদ্ধান্ত ও জোটের অবস্থান নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই জোট প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই অংশ ছিল। তাদের একক নির্বাচনের ঘোষণা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে আমরা এখনও প্রত্যাশা করি, নীতিগত জায়গায় একমত হলে তারা পুনরায় এই ঐক্যে যুক্ত হবে। ইতিমধ্যে ২৫৩টি আসনে জোটের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এনসিপি বর্তমানে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে লিয়াজোঁ কমিটির আলোচনায় এই সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে।’
নির্বাচনী সহিংসতা ও ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেইটের সামনে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র ও জোট প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই। ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর হামলা এবং নারায়ণগঞ্জে এনসিপি প্রার্থীর হত্যাচেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে নির্বাচনী পরিবেশ নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ১০০ গজের মধ্যে হামলার ঘটনা ইসির সক্ষমতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যর্থতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঠ ছাড়া করার কার্যক্রমে বিএনপির স্থানীয় প্রার্থীরা জড়িত। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।’
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট বাতিলের দাবি এবং এটি নিয়ে বিএনপির অভিযোগ হাস্যকর ও গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। দীর্ঘদিন লড়াই করে প্রবাসীদের ভোটাধিকারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তথাকথিত গণতান্ত্রিক দলগুলোর মুখে পোস্টাল ব্যালট বন্ধের দাবি হতাশাজনক।’
জোটের নারী প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এনসিপির ৩০টি আসনের মধ্যে ৩টিতে নারী প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, যা আনুপাতিক হারে ১০ শতাংশ। ভবিষ্যতে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা আর কোনো রাতের ভোট বা সেটেলমেন্টের নির্বাচন দেখতে চাই না। জনগণ যেন নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’

১০ দলীয় নির্বাচনী জোট ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জোটে থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ।
শুক্রবার রাত ৯টার পর দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি উত্তরা ট্র্যাজেডিতে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন এবং নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান।
ইসলামী আন্দোলনের সিদ্ধান্ত ও জোটের অবস্থান নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই জোট প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই অংশ ছিল। তাদের একক নির্বাচনের ঘোষণা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে আমরা এখনও প্রত্যাশা করি, নীতিগত জায়গায় একমত হলে তারা পুনরায় এই ঐক্যে যুক্ত হবে। ইতিমধ্যে ২৫৩টি আসনে জোটের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এনসিপি বর্তমানে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে লিয়াজোঁ কমিটির আলোচনায় এই সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে।’
নির্বাচনী সহিংসতা ও ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেইটের সামনে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র ও জোট প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই। ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর হামলা এবং নারায়ণগঞ্জে এনসিপি প্রার্থীর হত্যাচেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে নির্বাচনী পরিবেশ নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ১০০ গজের মধ্যে হামলার ঘটনা ইসির সক্ষমতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যর্থতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঠ ছাড়া করার কার্যক্রমে বিএনপির স্থানীয় প্রার্থীরা জড়িত। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।’
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট বাতিলের দাবি এবং এটি নিয়ে বিএনপির অভিযোগ হাস্যকর ও গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। দীর্ঘদিন লড়াই করে প্রবাসীদের ভোটাধিকারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তথাকথিত গণতান্ত্রিক দলগুলোর মুখে পোস্টাল ব্যালট বন্ধের দাবি হতাশাজনক।’
জোটের নারী প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এনসিপির ৩০টি আসনের মধ্যে ৩টিতে নারী প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, যা আনুপাতিক হারে ১০ শতাংশ। ভবিষ্যতে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা আর কোনো রাতের ভোট বা সেটেলমেন্টের নির্বাচন দেখতে চাই না। জনগণ যেন নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে