স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে ডিম ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মাসুদ। তাঁর দাবি, ‘বহিরাগতদের কারণে সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়’।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে পিঠা উৎসবে গেলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দিকে ডিম ছোড়া হয়। এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান মাসুদ বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ৪০ থেকে ৫০ জন বহিরাগতকে নিয়ে কলেজে ঢোকার চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি কলেজ ছাত্রদলের প্রতিনিধি হিসেবে গেটে দাঁড়িয়ে উনাকে স্বাগত জানাই এবং জানতে চাই, উনি আমন্ত্রিত কি না। উনি বলেন, আমন্ত্রণ পাননি। তখন আমি অনুরোধ করি—আপনি চাইলে দুই-একজন নিয়ে আসেন, কিন্তু এত বহিরাগত নিয়ে ঢুকলে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।’
তিনি অন্যান্য বিষয়ে আলাপের পাশাপাশি একই আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে ‘গ্যাংস্টার’ বলার কারণও জানতে চান। মাসুদের অভিযোগ, এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকা লোকজন হট্টগোল শুরু করে এবং ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে কলেজের মঞ্চের ব্যাকড্রপ ভেঙে ফেলে।
তিনি দাবি করেন, ‘আমি তখনও উনাকে ছেড়ে যায়নি, কারণ উনার গায়ে আঘাত লাগলে সেটার দায় মির্জা আব্বাসের ওপর চাপানো হবে—এই আশঙ্কা ছিল।’
উত্তেজনাকর ওই পরিস্থিতির মধ্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দিকে ডিম ছোড়া হয় জানিয়ে ছাত্রদলের এ নেতা দাবি করেন, ‘এই ডিম সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরাই ছুড়েছে। আমি তখনও উনার পাশেই ছিলাম, যেন বড় কোনো অপ্রীতিকর কিছু না ঘটে।’
ভোটের মাঠে দেউলিয়াত্বের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় বলে অভিযোগ করে মাসুদ বলেন, ‘হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ গত ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে এবং এখান থেকে একজন শহীদও হয়েছেন। আমরা কখনও ক্যাম্পাসে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হতে দেইনি। কিন্তু আজ বাইরের লোকজন এসে আমাদের সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাসকে বিশৃঙ্খল করেছেন।’
এদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ওপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁর দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সেখানে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁর ওপর ইট-পাটকেল ও ডিম নিক্ষেপ করা হয় এবং নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি এই হামলার পেছনে মির্জা আব্বাসের ভাগিনা আদিত্যসহ বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করেন এবং ঘটনার বিচার দাবি করেন।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যদি তাদের প্রার্থীর ওপর আঘাত করা হয়, তারাও পাল্টা আঘাত করবেন।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়লেও কলেজ প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে ডিম ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মাসুদ। তাঁর দাবি, ‘বহিরাগতদের কারণে সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়’।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে পিঠা উৎসবে গেলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দিকে ডিম ছোড়া হয়। এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান মাসুদ বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ৪০ থেকে ৫০ জন বহিরাগতকে নিয়ে কলেজে ঢোকার চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি কলেজ ছাত্রদলের প্রতিনিধি হিসেবে গেটে দাঁড়িয়ে উনাকে স্বাগত জানাই এবং জানতে চাই, উনি আমন্ত্রিত কি না। উনি বলেন, আমন্ত্রণ পাননি। তখন আমি অনুরোধ করি—আপনি চাইলে দুই-একজন নিয়ে আসেন, কিন্তু এত বহিরাগত নিয়ে ঢুকলে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।’
তিনি অন্যান্য বিষয়ে আলাপের পাশাপাশি একই আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে ‘গ্যাংস্টার’ বলার কারণও জানতে চান। মাসুদের অভিযোগ, এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকা লোকজন হট্টগোল শুরু করে এবং ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে কলেজের মঞ্চের ব্যাকড্রপ ভেঙে ফেলে।
তিনি দাবি করেন, ‘আমি তখনও উনাকে ছেড়ে যায়নি, কারণ উনার গায়ে আঘাত লাগলে সেটার দায় মির্জা আব্বাসের ওপর চাপানো হবে—এই আশঙ্কা ছিল।’
উত্তেজনাকর ওই পরিস্থিতির মধ্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দিকে ডিম ছোড়া হয় জানিয়ে ছাত্রদলের এ নেতা দাবি করেন, ‘এই ডিম সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরাই ছুড়েছে। আমি তখনও উনার পাশেই ছিলাম, যেন বড় কোনো অপ্রীতিকর কিছু না ঘটে।’
ভোটের মাঠে দেউলিয়াত্বের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় বলে অভিযোগ করে মাসুদ বলেন, ‘হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ গত ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে এবং এখান থেকে একজন শহীদও হয়েছেন। আমরা কখনও ক্যাম্পাসে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হতে দেইনি। কিন্তু আজ বাইরের লোকজন এসে আমাদের সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাসকে বিশৃঙ্খল করেছেন।’
এদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ওপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁর দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সেখানে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁর ওপর ইট-পাটকেল ও ডিম নিক্ষেপ করা হয় এবং নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি এই হামলার পেছনে মির্জা আব্বাসের ভাগিনা আদিত্যসহ বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করেন এবং ঘটনার বিচার দাবি করেন।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যদি তাদের প্রার্থীর ওপর আঘাত করা হয়, তারাও পাল্টা আঘাত করবেন।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়লেও কলেজ প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে