স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র দলগুলোর জন্য আরও সাতটি আসনে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। সমঝোতার ভিত্তিতে ঢাকা-১২, বগুড়া-২, ঝিনাইদহ-৪, পিরোজপুর-১, যশোর-৫, পটুয়াখালী-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির দলীয় কোনো প্রার্থী থাকবে না।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, সমঝোতার ভিত্তিতে ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খাঁন, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (কাজী ফিরোজ) মোস্তফা জালাল হায়দার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনে জোনায়েদ সাকি এবং যশোর-৫ আসনে ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাস নির্বাচন করবেন।
তবে মুফতি রশীদ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের একাংশের নেতা। তাঁর অংশের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন নেই। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার জমিয়তের জন্য চারটি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় ‘খেজুরগাছ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন জমিয়ত নেতারা। নীলফামারী-১ আসনে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মাওলানা মনির হোসেন কাসেমী, সিলেট-৪ আসনে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যেসব আসনে নির্বাচনি সমঝোতা হবে, সেখানে বিএনপির কোনো প্রার্থী থাকবে না। সারাদেশে ওইসব দল কোনো প্রার্থী দেবে না।’

সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র দলগুলোর জন্য আরও সাতটি আসনে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। সমঝোতার ভিত্তিতে ঢাকা-১২, বগুড়া-২, ঝিনাইদহ-৪, পিরোজপুর-১, যশোর-৫, পটুয়াখালী-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির দলীয় কোনো প্রার্থী থাকবে না।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, সমঝোতার ভিত্তিতে ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খাঁন, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (কাজী ফিরোজ) মোস্তফা জালাল হায়দার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনে জোনায়েদ সাকি এবং যশোর-৫ আসনে ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাস নির্বাচন করবেন।
তবে মুফতি রশীদ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের একাংশের নেতা। তাঁর অংশের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন নেই। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার জমিয়তের জন্য চারটি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় ‘খেজুরগাছ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন জমিয়ত নেতারা। নীলফামারী-১ আসনে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মাওলানা মনির হোসেন কাসেমী, সিলেট-৪ আসনে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যেসব আসনে নির্বাচনি সমঝোতা হবে, সেখানে বিএনপির কোনো প্রার্থী থাকবে না। সারাদেশে ওইসব দল কোনো প্রার্থী দেবে না।’

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে