স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন দেশের ৪টি আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মী ও এজেন্টদের ওপর হামলা এবং কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে দলটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনে দলটির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ জানানো হয়। অভিযোগপত্রে ইসলামী আন্দোলনের দেওয়া আসনগুলো হলো, নোয়াখালী-১, ভোলা-১, পটুয়াখালী-১ ও নরসিংদী-৫।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফের সই করা অভিযোগে বলা হয়, নোয়াখালী-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখার প্রার্থী জহিরুল ইসলামের ওপর মহুরুগঞ্জ এলাকায় হামলা হয়েছে। এতে প্রার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। সঙ্গে থাকা তিনজন কর্মীও গুরুতর আহত হয়েছেন। সকাল থেকে মহুরগঞ্জ সেন্টারে হাতপাখার ভোটারগণ ভোট প্রদানে বাধার সম্মুখিন হচ্ছিলেন। প্রশাসনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করার পরও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।
এছাড়া সোনাইমুড়ি উপজেলার দেওড়ি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে হাতপাখার এজেন্ট ও কর্মীদের ওপর বিএনপি হামলা করেছে।
ভোলা-১ আসনে দিঘোলদী ইউনিয়নে প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট ও সেন্টারের পোলিং এজেন্টের ওপর হামলা হয়েছে। দায়িত্বরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরাও সন্ত্রাসীদের পক্ষাবলম্বন করে এবং হাতপাখার এজেন্টদের অবরুদ্ধ করে রাখে। অবশ্য পরে সেনাবাহিনী এসে তাদের মুক্ত করে।
এদিকে, সকাল ১০ টা থেকে হাতপাখার ভোটরদের ভোট প্রদানে বাধা প্রধান করা হয়েছে। ওই আসনের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ব্যাংকেরহাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় জামায়াতের সন্ত্রাসীরা হাতপাখার মহিলা ভোটারদের জোরপূর্বক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বাধ্য করেছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, পটুয়াখালী-১ আসনের মির্জাগঞ্জ উপজেলার আমগাছি ও মাদবখালী ইউনিয়নের সকল সেন্টার থেকে হাতপাখার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আর নরসিংদী-৫ আসনে রায়পুরার মির্জানগর ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্র রায়পুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে হাতপাখার পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রশাসনের সামনেই জাল ভোট দিয়েছে বিএনপি। ওই আসনের বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাতপাখার ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়।
প্রিজাইডিং অফিসার বিএনপি সন্ত্রাসীদের বুথের ভেতরে ঢুকিয়ে ভোট চুরির সহযোগিতা করছে। রাধানগর ইউনিয়নে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হাতপাখার কাউকে ভোট দিতে দেয়নি। বুথে জাল ভোট দেয় বিএনপি, প্রশাসন দেখেও নিরব ভূমিকা পালন করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন দেশের ৪টি আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মী ও এজেন্টদের ওপর হামলা এবং কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে দলটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনে দলটির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ জানানো হয়। অভিযোগপত্রে ইসলামী আন্দোলনের দেওয়া আসনগুলো হলো, নোয়াখালী-১, ভোলা-১, পটুয়াখালী-১ ও নরসিংদী-৫।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফের সই করা অভিযোগে বলা হয়, নোয়াখালী-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখার প্রার্থী জহিরুল ইসলামের ওপর মহুরুগঞ্জ এলাকায় হামলা হয়েছে। এতে প্রার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। সঙ্গে থাকা তিনজন কর্মীও গুরুতর আহত হয়েছেন। সকাল থেকে মহুরগঞ্জ সেন্টারে হাতপাখার ভোটারগণ ভোট প্রদানে বাধার সম্মুখিন হচ্ছিলেন। প্রশাসনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করার পরও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।
এছাড়া সোনাইমুড়ি উপজেলার দেওড়ি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে হাতপাখার এজেন্ট ও কর্মীদের ওপর বিএনপি হামলা করেছে।
ভোলা-১ আসনে দিঘোলদী ইউনিয়নে প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট ও সেন্টারের পোলিং এজেন্টের ওপর হামলা হয়েছে। দায়িত্বরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরাও সন্ত্রাসীদের পক্ষাবলম্বন করে এবং হাতপাখার এজেন্টদের অবরুদ্ধ করে রাখে। অবশ্য পরে সেনাবাহিনী এসে তাদের মুক্ত করে।
এদিকে, সকাল ১০ টা থেকে হাতপাখার ভোটরদের ভোট প্রদানে বাধা প্রধান করা হয়েছে। ওই আসনের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ব্যাংকেরহাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় জামায়াতের সন্ত্রাসীরা হাতপাখার মহিলা ভোটারদের জোরপূর্বক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বাধ্য করেছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, পটুয়াখালী-১ আসনের মির্জাগঞ্জ উপজেলার আমগাছি ও মাদবখালী ইউনিয়নের সকল সেন্টার থেকে হাতপাখার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আর নরসিংদী-৫ আসনে রায়পুরার মির্জানগর ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্র রায়পুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে হাতপাখার পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রশাসনের সামনেই জাল ভোট দিয়েছে বিএনপি। ওই আসনের বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাতপাখার ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়।
প্রিজাইডিং অফিসার বিএনপি সন্ত্রাসীদের বুথের ভেতরে ঢুকিয়ে ভোট চুরির সহযোগিতা করছে। রাধানগর ইউনিয়নে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হাতপাখার কাউকে ভোট দিতে দেয়নি। বুথে জাল ভোট দেয় বিএনপি, প্রশাসন দেখেও নিরব ভূমিকা পালন করেছে।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে