স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই নির্ধারণ হবে বাংলাদেশের ভাগ্য। বাংলাদেশ উদারপন্থী গণতান্ত্রিক মানুষের হাতে থাকবে, না উগ্রপন্থী রাষ্ট্রবিরোধীদের হাতে চলে যাবে, তা এই নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে’।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘যাদের তিনটা ভোটও নেই, তারা নির্বাচন বানচালের হুমকি দিচ্ছে’ মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘এসব হুমকি দিয়ে লাভ নেই। নির্বাচনে দেখা যাক কে কয়টা ভোট পায়। আমারা নির্বাচন চাই, জনগণের কাছে যাবো। জনগণ যদি আমাদের গ্রহণ করে তাহলে আমরা জিতবো, নাহলে বিরোধী দলে থাকবো। আগে থেকে এতো গলাবাজি কেন ভাই?’
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ওই সময়ে যারা মানুষ মেরেছে, আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করেছে, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে আমাদের মা-বোনদের তুলে দিয়েছে; সেই হিসাব আমরা ভুলিনি। তারপরেও আমরা মনে করি যে, রাজনীতি করছো কর, সিধা (সোজা) রাস্তায় কর। ধর্মকে ব্যবহার করে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে, ভুল বুঝিয়ে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া হবে, হায় হায়। চিন্তা করেন তাহলে?’
তিনি বলেন, ‘এরাই মোনাফেকি করে, মানুষকে ভুল বোঝায়, বিভ্রান্তি করে। আমি কথাগুলো বলতে আজকে বাধ্য হচ্ছি। কারণ তারা বিভিন্নভাবে বিএনপিকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে।’
জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছে, তাদের প্রতিটি মানুষ তখন তার বিরোধিতা করেছে। আজ যখন দেশের মানুষ জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, তারেক রহমানের নতুন রাজনীতি, আধুনিক রাজনীতি যা বাংলাদেশকে পাল্টে দেবে; তা গ্রহণ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে; তখন তারা আবার সেটাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে ধর্মের নাম দিয়ে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের কথা খুব পরিষ্কার। আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। আমাদের নেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তিনি প্রথম সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম দিয়েছেন। তিনি প্রথম আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা বিশ্বাসের কথা বলেছেন। তাই বলছি, ধর্মের নামে অপরাজনীতি বন্ধ করুন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই নির্ধারণ হবে বাংলাদেশের ভাগ্য। বাংলাদেশ উদারপন্থী গণতান্ত্রিক মানুষের হাতে থাকবে, না উগ্রপন্থী রাষ্ট্রবিরোধীদের হাতে চলে যাবে, তা এই নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে’।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘যাদের তিনটা ভোটও নেই, তারা নির্বাচন বানচালের হুমকি দিচ্ছে’ মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘এসব হুমকি দিয়ে লাভ নেই। নির্বাচনে দেখা যাক কে কয়টা ভোট পায়। আমারা নির্বাচন চাই, জনগণের কাছে যাবো। জনগণ যদি আমাদের গ্রহণ করে তাহলে আমরা জিতবো, নাহলে বিরোধী দলে থাকবো। আগে থেকে এতো গলাবাজি কেন ভাই?’
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ওই সময়ে যারা মানুষ মেরেছে, আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করেছে, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে আমাদের মা-বোনদের তুলে দিয়েছে; সেই হিসাব আমরা ভুলিনি। তারপরেও আমরা মনে করি যে, রাজনীতি করছো কর, সিধা (সোজা) রাস্তায় কর। ধর্মকে ব্যবহার করে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে, ভুল বুঝিয়ে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া হবে, হায় হায়। চিন্তা করেন তাহলে?’
তিনি বলেন, ‘এরাই মোনাফেকি করে, মানুষকে ভুল বোঝায়, বিভ্রান্তি করে। আমি কথাগুলো বলতে আজকে বাধ্য হচ্ছি। কারণ তারা বিভিন্নভাবে বিএনপিকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে।’
জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছে, তাদের প্রতিটি মানুষ তখন তার বিরোধিতা করেছে। আজ যখন দেশের মানুষ জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, তারেক রহমানের নতুন রাজনীতি, আধুনিক রাজনীতি যা বাংলাদেশকে পাল্টে দেবে; তা গ্রহণ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে; তখন তারা আবার সেটাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে ধর্মের নাম দিয়ে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের কথা খুব পরিষ্কার। আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। আমাদের নেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তিনি প্রথম সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম দিয়েছেন। তিনি প্রথম আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা বিশ্বাসের কথা বলেছেন। তাই বলছি, ধর্মের নামে অপরাজনীতি বন্ধ করুন।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে