>> প্রস্তুত বুলেট প্রুফ গাড়ি ও বাস
>> ২০ লাখ মানুষ জমায়েতের প্রস্তুতি
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে মঞ্চ। রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকা সংলগ্ন সড়কে এটি তৈরি হচ্ছে।
মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর কুলিড় থেকে সংবর্ধনা মঞ্চের পরের সড়কের উভয় পাশে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন সাটানো হয়েছে।। কুলির মোড় থেকে বেশ খানিক দূরে সড়কের উত্তর অংশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি হচ্ছে সংবর্ধনা মঞ্চ। ৪৮ ফিট বাই ৩৬ ফিট মঞ্চের মূল কাঠামোর কাজ প্রায় শেষ। মঞ্চের দুই পাশে তাঁবু করা হয়েছে। সড়কের ল্যাম্প পোস্টে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে মাইক।
বিমানবন্দর এলাকার পাশাপাশি রাজধানীর অলিগলির দেয়াল, বিভিন্ন স্থাপনায় স্থান পেয়েছে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার। নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় সামনের অংশ এবং দুইপাশের সড়কে শোভা পাচ্ছে তারেক রহমানের বিশাল আকারের ছবির ব্যানার।
তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে মঞ্চের কাজ তদারকি করছে বিএনপি চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) সদস্যরা। মঞ্চের অদূরে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক রয়েছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার জানান, তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দিতে তাদের মঞ্চ তৈরি কাজ এখন শেষ পর্যায়ে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে হযরত শাহশালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনাস্থলে যাবেন। এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সময় কাটিয়ে গুলশানের বাসভবনে যাওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ‘ঐতিহাসিক ও স্মরণীয়’ করতে চায় বিএনপি। দেশে আসতে দুদিন বাকি থাকলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে ৩০০ ফিট এলাকায় ভিড় করছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীতে আসছেন নেতাকর্মী। তাদের অনেকেই সংবর্ধনা মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন, ফেসবুকে লাইভ করছেন।
মৌলভীবাজার থেকে আসা সদর থানা বিএনপির সদস্য শিমুল হোসেন সংবর্ধনা মঞ্চ ঘুরে দেখছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ওইদিন লাখ লাখ মানুষ হবে। প্রিয় নেতাকে দেখতে দুদিন আগেই ঢাকায় এসেছি।
নওগাঁ থেকে ঢাকা আসা ছাত্রদলের সাবেক নেতা ড. নয়ন বলেন, তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। আমরা কয়েকজন সোমবার রাতেই ঢাকায় এসেছি। সারা দিন ৩০০ ফিটে মঞ্চের কাজ দেখছি। একদম মঞ্চের সামনে থেকে প্রিয় নেতাকে দেখার চেষ্টা ইচ্ছা রয়েছে।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা উৎফুল্ল। দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে তাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

প্রস্তুত বুলেট প্রুফ গাড়ি ও বাস
তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য বিদেশ থেকে বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন একটি বুলেট প্রুফ ‘হার্ড জিপ’ আনা হয়েছে। টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো এলসি ২৫০ মডেলের এই গাড়ি ইতোমধ্যে বিএনপির নামে নিবন্ধিত হয়েছে। আরেকটি বুলেট প্রুফ বাসও আনা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের সঙ্গে বিমানবন্দর থেকে থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। নেতা বেশি থাকায় টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো ব্যবহার না করে বাসটি ব্যবহার করতে পারেন তারেক রহমান।
বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তারেক রহমানের নিরাপত্তায় থাকবেন চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স। এ ছাড়া দলের বিশ্বস্ত নেতাকর্মীদের সমন্বয়েও একটি টিম গঠন করা হয়েছে।
২০ লাখ মানুষ জমায়েতের আশা
সংবর্ধনায় গঠিত কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখার সব আয়োজন তারা করেছেন। আশা করছি, এ আয়োজন বিগত ৫৫ বছরের ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যাবে। আগামী ৫৫ বছরের ইতিহাসেও এমন ঘটনা হয়তো আসবে না। সারাদেশ থেকে আগামীকাল বুধবারের মধ্যে নেতাকর্মী ঢাকায় আসছেন। আর রাজধানীর আশেপাশের এলাকার নেতাকর্মী মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালে আসবেন।
বিএনপির নেতারা বলছেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ২০ লাখের বেশি নেতাকর্মী ঢাকা আসবেন। নির্বাচনী এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ঢাকায় আসবেন।
এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ঢাকা আসছেন। কারণ তারেক রহমান শুধু বিএনপির নন, সারাদেশের। তাঁকে এক নজর দেখতে সবাই উদগ্রীব।

নেতাকর্মী আনতে বিভিন্ন রুটে ১০ ট্রেন
তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দিতে রাজধানীতে আসা নেতাকর্মীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিএনপির আবেদনে বিশেষ ট্রেন ও অতিরিক্ত কোচ বরাদ্দ করেছে রেলওয়ে। পাশাপাশি ২৫ ডিসেম্বর বিশেষ ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে নিয়মিত চলাচলকারী তিনটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির কর্মী ও সমর্থকদের যাতায়াতের জন্য ১০টি রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। নিয়মিত চলাচলকারী একাধিক ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে। এ কারণে স্বল্প দূরত্বের রাজবাড়ী কমিউটার (রাজবাড়ী-পোড়াদহ), ঢালারচর এক্সপ্রেস (পাবনা-রাজশাহী) এবং রোহনপুর কমিউটার (রোহনপুর-রাজশাহী) ট্রেনের আগামী ২৫ ডিসেম্বরের যাত্রা স্থগিত রাখা হবে। বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ থেকে রেলওয়ে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা রাজস্ব পাবে।
থাকবেন ফিরোজার পাশের ভবনে, চলছে সংস্কার
তারেক রহমান দেশে ফেরার পর গুলশানে মা খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার পাশে ১৯৬ নম্বর বাড়িতে ওঠার কথা রয়েছে। বর্তমানে সেখানে সংস্কার কাজ চলছে। কোনো কারণে সংস্কার শেষ না হলে বাসভবন ফিরোজাতে তারেক রহমানের জন্য তিনটি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।
আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান জানান, তারেক রহমান থাকবেন ১৯৬ নম্বর বাড়িতে। সেটির সংস্কার কাজ চলছে। বিকল্প হিসেবে ফিরোজায় তিনটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে মঞ্চ। রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকা সংলগ্ন সড়কে এটি তৈরি হচ্ছে।
মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর কুলিড় থেকে সংবর্ধনা মঞ্চের পরের সড়কের উভয় পাশে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন সাটানো হয়েছে।। কুলির মোড় থেকে বেশ খানিক দূরে সড়কের উত্তর অংশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি হচ্ছে সংবর্ধনা মঞ্চ। ৪৮ ফিট বাই ৩৬ ফিট মঞ্চের মূল কাঠামোর কাজ প্রায় শেষ। মঞ্চের দুই পাশে তাঁবু করা হয়েছে। সড়কের ল্যাম্প পোস্টে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে মাইক।
বিমানবন্দর এলাকার পাশাপাশি রাজধানীর অলিগলির দেয়াল, বিভিন্ন স্থাপনায় স্থান পেয়েছে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার। নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় সামনের অংশ এবং দুইপাশের সড়কে শোভা পাচ্ছে তারেক রহমানের বিশাল আকারের ছবির ব্যানার।
তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে মঞ্চের কাজ তদারকি করছে বিএনপি চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) সদস্যরা। মঞ্চের অদূরে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক রয়েছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার জানান, তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দিতে তাদের মঞ্চ তৈরি কাজ এখন শেষ পর্যায়ে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে হযরত শাহশালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনাস্থলে যাবেন। এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সময় কাটিয়ে গুলশানের বাসভবনে যাওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ‘ঐতিহাসিক ও স্মরণীয়’ করতে চায় বিএনপি। দেশে আসতে দুদিন বাকি থাকলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে ৩০০ ফিট এলাকায় ভিড় করছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীতে আসছেন নেতাকর্মী। তাদের অনেকেই সংবর্ধনা মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন, ফেসবুকে লাইভ করছেন।
মৌলভীবাজার থেকে আসা সদর থানা বিএনপির সদস্য শিমুল হোসেন সংবর্ধনা মঞ্চ ঘুরে দেখছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ওইদিন লাখ লাখ মানুষ হবে। প্রিয় নেতাকে দেখতে দুদিন আগেই ঢাকায় এসেছি।
নওগাঁ থেকে ঢাকা আসা ছাত্রদলের সাবেক নেতা ড. নয়ন বলেন, তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। আমরা কয়েকজন সোমবার রাতেই ঢাকায় এসেছি। সারা দিন ৩০০ ফিটে মঞ্চের কাজ দেখছি। একদম মঞ্চের সামনে থেকে প্রিয় নেতাকে দেখার চেষ্টা ইচ্ছা রয়েছে।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা উৎফুল্ল। দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে তাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

প্রস্তুত বুলেট প্রুফ গাড়ি ও বাস
তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য বিদেশ থেকে বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন একটি বুলেট প্রুফ ‘হার্ড জিপ’ আনা হয়েছে। টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো এলসি ২৫০ মডেলের এই গাড়ি ইতোমধ্যে বিএনপির নামে নিবন্ধিত হয়েছে। আরেকটি বুলেট প্রুফ বাসও আনা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের সঙ্গে বিমানবন্দর থেকে থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। নেতা বেশি থাকায় টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো ব্যবহার না করে বাসটি ব্যবহার করতে পারেন তারেক রহমান।
বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তারেক রহমানের নিরাপত্তায় থাকবেন চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স। এ ছাড়া দলের বিশ্বস্ত নেতাকর্মীদের সমন্বয়েও একটি টিম গঠন করা হয়েছে।
২০ লাখ মানুষ জমায়েতের আশা
সংবর্ধনায় গঠিত কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখার সব আয়োজন তারা করেছেন। আশা করছি, এ আয়োজন বিগত ৫৫ বছরের ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যাবে। আগামী ৫৫ বছরের ইতিহাসেও এমন ঘটনা হয়তো আসবে না। সারাদেশ থেকে আগামীকাল বুধবারের মধ্যে নেতাকর্মী ঢাকায় আসছেন। আর রাজধানীর আশেপাশের এলাকার নেতাকর্মী মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালে আসবেন।
বিএনপির নেতারা বলছেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ২০ লাখের বেশি নেতাকর্মী ঢাকা আসবেন। নির্বাচনী এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ঢাকায় আসবেন।
এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ঢাকা আসছেন। কারণ তারেক রহমান শুধু বিএনপির নন, সারাদেশের। তাঁকে এক নজর দেখতে সবাই উদগ্রীব।

নেতাকর্মী আনতে বিভিন্ন রুটে ১০ ট্রেন
তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দিতে রাজধানীতে আসা নেতাকর্মীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিএনপির আবেদনে বিশেষ ট্রেন ও অতিরিক্ত কোচ বরাদ্দ করেছে রেলওয়ে। পাশাপাশি ২৫ ডিসেম্বর বিশেষ ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে নিয়মিত চলাচলকারী তিনটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির কর্মী ও সমর্থকদের যাতায়াতের জন্য ১০টি রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। নিয়মিত চলাচলকারী একাধিক ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে। এ কারণে স্বল্প দূরত্বের রাজবাড়ী কমিউটার (রাজবাড়ী-পোড়াদহ), ঢালারচর এক্সপ্রেস (পাবনা-রাজশাহী) এবং রোহনপুর কমিউটার (রোহনপুর-রাজশাহী) ট্রেনের আগামী ২৫ ডিসেম্বরের যাত্রা স্থগিত রাখা হবে। বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ থেকে রেলওয়ে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা রাজস্ব পাবে।
থাকবেন ফিরোজার পাশের ভবনে, চলছে সংস্কার
তারেক রহমান দেশে ফেরার পর গুলশানে মা খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার পাশে ১৯৬ নম্বর বাড়িতে ওঠার কথা রয়েছে। বর্তমানে সেখানে সংস্কার কাজ চলছে। কোনো কারণে সংস্কার শেষ না হলে বাসভবন ফিরোজাতে তারেক রহমানের জন্য তিনটি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।
আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান জানান, তারেক রহমান থাকবেন ১৯৬ নম্বর বাড়িতে। সেটির সংস্কার কাজ চলছে। বিকল্প হিসেবে ফিরোজায় তিনটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে