স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় নেতাদের জীবনমান উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি বলছে, ক্ষমতায় গেলে খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সরকারিভাবে মাসিক সম্মানী বা ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
ইশতেহারে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ ও ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’র ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই মূলনীতির ভিত্তিতে প্রতিটি নাগরিক পূর্ণ ধর্মীয় অধিকার ভোগ করবেন।’
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপের বিষয়ে বলা হয়েছে, খতিব, ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের জন্য সরকারিভাবে মাসিক সম্মানী নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসবে বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে। একইভাবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদেরও মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়া ধর্মীয় নেতাদের আয় বাড়াতে দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ ও পার্ট-টাইম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে দলটি।
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ বলে কোনো বিভাজনের অবকাশ নেই জানিয়ে বলা হয়, বিভিন্ন ধর্মের ও জাতিগোষ্ঠীর ঘর-বাড়ি, উপাসনালয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর বা সম্পত্তি দখলের মতো ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে হজ পালন সহজ ও সাশ্রয়ী করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টগুলোর বাজেট বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
ইশতেহার অনুযায়ী, বিএনপি সরকারের আগের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ইসলামী গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে এবং ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ওলামায়ে কেরামদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় নেতাদের জীবনমান উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি বলছে, ক্ষমতায় গেলে খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সরকারিভাবে মাসিক সম্মানী বা ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
ইশতেহারে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ ও ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’র ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই মূলনীতির ভিত্তিতে প্রতিটি নাগরিক পূর্ণ ধর্মীয় অধিকার ভোগ করবেন।’
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপের বিষয়ে বলা হয়েছে, খতিব, ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের জন্য সরকারিভাবে মাসিক সম্মানী নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসবে বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে। একইভাবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদেরও মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়া ধর্মীয় নেতাদের আয় বাড়াতে দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ ও পার্ট-টাইম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে দলটি।
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ বলে কোনো বিভাজনের অবকাশ নেই জানিয়ে বলা হয়, বিভিন্ন ধর্মের ও জাতিগোষ্ঠীর ঘর-বাড়ি, উপাসনালয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর বা সম্পত্তি দখলের মতো ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে হজ পালন সহজ ও সাশ্রয়ী করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টগুলোর বাজেট বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
ইশতেহার অনুযায়ী, বিএনপি সরকারের আগের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ইসলামী গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে এবং ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ওলামায়ে কেরামদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে