স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেও শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক উত্তরণের স্বার্থে সংগঠনটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সংস্কার ও গণভোট প্রসঙ্গে’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ অবস্থানের কথা জানানো হয়।
এনপিএর পক্ষ থেকে মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এতে স্বাক্ষর করেছেন মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত, তুহিন খান ও ফেরদৌস আরা রুমি। বক্তব্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ও গণভোটকে দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করা হয়।
তবে সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারপ্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়। এনপিএ মনে করে, সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুতর ও বহুমাত্রিক সিদ্ধান্তগুলোকে আলাদাভাবে জনগণের সামনে না এনে একটি মাত্র ‘হ্যাঁ/না’ প্রশ্নে প্যাকেজ আকারে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এটি জনগণকে সুনির্দিষ্ট বিষয়ে মতামত দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে এবং অনেকটা ‘ব্ল্যাঙ্ক চেক’ নেওয়ার শামিল।
এনপিএ আরও অভিযোগ করে, নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি জনগণের সামনে তুলে ধরার পরিবর্তে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার সক্রিয় অবস্থান এবং একপাক্ষিক প্রচারণা ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) লঙ্ঘন।
গণভোটের ব্যালটে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষ গঠনের বিধান থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি। ফলে জনগণ কাদের উচ্চকক্ষে পাঠাচ্ছে, তা না জেনেই ভোট দিতে বাধ্য হবে, যা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার পরিপন্থী। এ ছাড়া যে আসনে কোনো দল প্রার্থী দেয়নি, সেখানকার ভোটাররা উচ্চকক্ষে ওই দলের পক্ষে ভোট দিতে পারবেন না—যা সমান ভোটাধিকারের লঙ্ঘন।
এনপিএ দাবি করে, ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সংস্কার প্রস্তাবের ওপর দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমতকে উপেক্ষা করে সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ
প্রক্রিয়াগত সমালোচনা থাকলেও এনপিএ মনে করে, প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকেন্দ্রিক ক্ষমতা কাঠামো পরিবর্তন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মতো ইতিবাচক দিক রয়েছে।
এনপিএর বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমরা জানি, নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং সরকারের জনবিচ্ছিন্ন ভূমিকার কারণে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হলেও রাজনৈতিক দলগুলো পরবর্তীতে সংস্কার প্রস্তাবসমূহ অগ্রাহ্য করতে পারে। তবে ‘না’ জয়যুক্ত হলে সংস্কার প্রশ্নটিকেই ক্ষমতাসীনেরা কার্যত বাতিল করে দেবে। এই আশঙ্কাতেই আমরা শেষ বিচারে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছি।’
সংগঠনটি দাবি জানায়, এবারের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলেও পরবর্তী নির্বাচন থেকে যেন উচ্চকক্ষের জন্য পৃথক ব্যালট এবং নির্বাচনের আগেই প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হয়।
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনের নিরপেক্ষতার অভাব এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে নারী প্রার্থীদের প্রতি অশালীন মন্তব্য এবং সাইবার স্পেসে হয়রানির নিন্দা জানিয়ে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করতে সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেও শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক উত্তরণের স্বার্থে সংগঠনটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সংস্কার ও গণভোট প্রসঙ্গে’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ অবস্থানের কথা জানানো হয়।
এনপিএর পক্ষ থেকে মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এতে স্বাক্ষর করেছেন মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত, তুহিন খান ও ফেরদৌস আরা রুমি। বক্তব্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ও গণভোটকে দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করা হয়।
তবে সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারপ্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়। এনপিএ মনে করে, সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুতর ও বহুমাত্রিক সিদ্ধান্তগুলোকে আলাদাভাবে জনগণের সামনে না এনে একটি মাত্র ‘হ্যাঁ/না’ প্রশ্নে প্যাকেজ আকারে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এটি জনগণকে সুনির্দিষ্ট বিষয়ে মতামত দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে এবং অনেকটা ‘ব্ল্যাঙ্ক চেক’ নেওয়ার শামিল।
এনপিএ আরও অভিযোগ করে, নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি জনগণের সামনে তুলে ধরার পরিবর্তে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার সক্রিয় অবস্থান এবং একপাক্ষিক প্রচারণা ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) লঙ্ঘন।
গণভোটের ব্যালটে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষ গঠনের বিধান থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি। ফলে জনগণ কাদের উচ্চকক্ষে পাঠাচ্ছে, তা না জেনেই ভোট দিতে বাধ্য হবে, যা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার পরিপন্থী। এ ছাড়া যে আসনে কোনো দল প্রার্থী দেয়নি, সেখানকার ভোটাররা উচ্চকক্ষে ওই দলের পক্ষে ভোট দিতে পারবেন না—যা সমান ভোটাধিকারের লঙ্ঘন।
এনপিএ দাবি করে, ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সংস্কার প্রস্তাবের ওপর দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমতকে উপেক্ষা করে সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ
প্রক্রিয়াগত সমালোচনা থাকলেও এনপিএ মনে করে, প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকেন্দ্রিক ক্ষমতা কাঠামো পরিবর্তন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মতো ইতিবাচক দিক রয়েছে।
এনপিএর বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমরা জানি, নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং সরকারের জনবিচ্ছিন্ন ভূমিকার কারণে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হলেও রাজনৈতিক দলগুলো পরবর্তীতে সংস্কার প্রস্তাবসমূহ অগ্রাহ্য করতে পারে। তবে ‘না’ জয়যুক্ত হলে সংস্কার প্রশ্নটিকেই ক্ষমতাসীনেরা কার্যত বাতিল করে দেবে। এই আশঙ্কাতেই আমরা শেষ বিচারে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছি।’
সংগঠনটি দাবি জানায়, এবারের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলেও পরবর্তী নির্বাচন থেকে যেন উচ্চকক্ষের জন্য পৃথক ব্যালট এবং নির্বাচনের আগেই প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হয়।
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনের নিরপেক্ষতার অভাব এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে নারী প্রার্থীদের প্রতি অশালীন মন্তব্য এবং সাইবার স্পেসে হয়রানির নিন্দা জানিয়ে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করতে সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে