১১ দল সন্ত্রাসী কার্যক্রম মেনে নেবে না: আসিফ মাহমুদ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬: ৫৮
১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পদযাত্রার সমাবেশে বক্তব্য দেন আসিফ মাহমুদ। স্ট্রিম ছবি

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনী ঐক্যের শরিক জামায়াতে ইসলামীর ঝিনাইগাতী উপজেলা সেক্রেটারিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা হুঁশিয়ার করতে চাই– ১১ দল ও জনগণ এবার ঐক্যবদ্ধ। কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম মেনে নেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। এ সময় তিনি মৌলভীবাজার-৪ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত এনসিপির প্রার্থী প্রীতম দাসের সমর্থনে শাপলা কলিতে ভোট চান। পথসভায় স্থানীয় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, যারা বিগত ১৭ বছর নিপীড়নের গল্প শুনিয়ে এখন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার কথা বলছেন, তাদের অপরাধও সমান। সন্ত্রাসীকে শাস্তি না দিয়ে প্রশ্রয় দেওয়া মানে আগামীতে গণহত্যার পথ তৈরি করা। যারা সন্ত্রাসীদের পাশে দাঁড়ায়, আমরা মনে করি, তাদের বলা নিপীড়নের গল্পগুলো ভুয়া।

তিনি বলেন, আমরা দেখছি বিএনপির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে ফিরিয়ে আনার পক্ষে কথা বলছেন। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, আজ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলে কাল তাদেরও নিষিদ্ধ করা হবে। এটি আসলে খুনিকে বাঁচানোর অসার যুক্তি।

দলীয় প্রার্থী প্রীতম দাসের সংগ্রামী জীবনের কথা তুলে ধরে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, প্রীতম দাস এই অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান উন্নয়নের লড়াই করতে গিয়ে ১৩১ দিন জেল খেটেছেন। তিনি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের অন্যায়ের শিকার হয়েছেন। এমপি না হয়েও তিনি আপনাদের দাবি আদায়ে মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাঁপ করেছেন।

তিনি বলেন, প্রীতম দাস নির্বাচিত হলে চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ১০০ এবং শিক্ষানবিশ শ্রমিকদের ৬০ টাকা করার লক্ষ্যে কাজ করবেন। চা শ্রমিকদের ভূমির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, শ্রীমঙ্গল পৌরসভা বর্ধিতকরণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেন আসিফ মাহমুদ।

আসন্ন নির্বাচনকে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের ‘গণভোট’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বলেন, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, অর্থপাচার ও ভূমিদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে।

সম্পর্কিত