স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল উপস্থাপন করেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিব জানান, আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফল প্রকাশ করা হয়নি। তবে বাকি আসনগুলোর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এগিয়ে বিএনপি। ফল অনুযায়ী দলভিত্তিক আসন সংখ্যা হলো—বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ (জিওবি) ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২টি, খেলাফত মজলিশ ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।
এদিকে, গণভোটের ফলাফলে ইসি বলছে, একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত ২৯৯টি আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। মোট ভোটারের ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ গণভোটে অংশ নিয়েছেন।
ইসি সচিব ব্যাখ্যা করে বলেন, সংসদীয় দুটি আসনের ফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত থাকলেও গণভোটের ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সেখানে শতকরা হিসাব ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চূড়ান্ত ফলাফলের সই করা হার্ড কপি পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করে গেজেট প্রকাশ করা হবে। সব আসনের ফল একত্রে একটি গেজেট আদেশে প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, ‘দায়িত্বশীলতার প্রশ্নে তাড়াহুড়ো করে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হবে না। সব তথ্য মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।’
ফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নতুন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হলো। এখন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ ও পরবর্তী সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতার দিকে নজর থাকবে সবার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল উপস্থাপন করেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিব জানান, আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফল প্রকাশ করা হয়নি। তবে বাকি আসনগুলোর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এগিয়ে বিএনপি। ফল অনুযায়ী দলভিত্তিক আসন সংখ্যা হলো—বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ (জিওবি) ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২টি, খেলাফত মজলিশ ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।
এদিকে, গণভোটের ফলাফলে ইসি বলছে, একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত ২৯৯টি আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। মোট ভোটারের ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ গণভোটে অংশ নিয়েছেন।
ইসি সচিব ব্যাখ্যা করে বলেন, সংসদীয় দুটি আসনের ফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত থাকলেও গণভোটের ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সেখানে শতকরা হিসাব ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চূড়ান্ত ফলাফলের সই করা হার্ড কপি পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করে গেজেট প্রকাশ করা হবে। সব আসনের ফল একত্রে একটি গেজেট আদেশে প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, ‘দায়িত্বশীলতার প্রশ্নে তাড়াহুড়ো করে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হবে না। সব তথ্য মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।’
ফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নতুন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হলো। এখন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ ও পরবর্তী সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতার দিকে নজর থাকবে সবার।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে