পরিবার কি জীবনের কেন্দ্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছেআজকের সমাজে আমরা এমন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে ক্ষণিকের আনন্দ আমাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। মোবাইল স্ক্রলের তৃপ্তি, ফেসবুক বা রিলসের অন্তহীন প্রবাহ, কিংবা ভার্চুয়াল বিনোদনের সাময়িক স্বস্তি—এসবই আমাদের ক্লান্ত মনকে মুহূর্তের জন্য আরাম দেয়।
শৈশব ভাঙার নাম কি শিক্ষাশিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা নিয়ে আমাদের দেশে মা-বাবার উদ্বেগ নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে কর্মজীবী মা-বাবারা প্রতিদিন এক ধরনের মানসিক চাপে থাকেন। স্কুলে ঠিক মতো পৌঁছাল কি না, শিশুটি নিরাপদ আছে কি না—এমন নানা দুশ্চিন্তা তাঁদের তাড়া করে ফেরে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই দুশ্চিন্তা আরও গভীর।
‘বাংলাদেশপন্থা’ ধারণার দরকার হলো কেনগ্রামে এজমালি কাজে যৌথ শ্রমের রেওয়াজ এখনো আছে। জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচি সফল হয়েছে এই এজমালি শ্রমদানের উৎসবের খাতিরেই। পশ্চিম বাংলার এক আমলা স্মৃতিকথায় বলেছিলেন, সেসময় তাঁরা সীমান্তের ওপার থেকে এই দৃশ্য মুগ্ধ হয়ে দেখতেন।
তারেক রহমানের স্বপ্ন ও পরিকল্পনার দায়তারেক রহমান আজ তাঁর বক্তৃতায় যখন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি ঐতিহাসিক বাক্য ব্যবহার করেছেন। সেই বাক্যটি হলো—আই হ্যাভ আ ড্রিম। আমার একটা স্বপ্ন আছে। তারেক বললেন, আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। তারেক রহমান তাঁর বক্তৃতার শেষ করে দিয়ে আবার ফিরে এসে তিনি সেই বাক্যটিকে শুধরে দিয়ে বললেন, উই হ্যাভ আ প্ল্যান।
শহীদ হাদি, অমর রহো ভাই আমারহাদি জানতেন, বিপ্লবীদের মা মাত্রই সন্তানের মরণের ছবি মনে ভেবে রাখেন। তাই তো তিনি ‘মায় মরণের ছবি আঁকে’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘কবরটা হবে কোনখানে? কে পড়াবে জানাজা আমার? আমারে পেলে মায় এ কথাই বলে/ বাড়ির মসজিদটা কি আবাদ হবে না আর!’
যে আস্থার স্পর্শ আজও বয়ে বেড়াইপ্রাথমিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ শেষে আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব পেলাম। শুরুতেই এসএসএফ-এর পরিচালকের সঙ্গে আমার ডাক পড়ল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে।
জাদুকরী হাসি থেকে অকুতোভয় অভিভাবক: আমার চোখে বেগম খালেদা জিয়াপ্রচণ্ড ভিড় ঠেলে আমরা রুমে ঢুকলাম। দেখলাম তিনি গেস্ট হাউজের সাধারণ একটি সিঙ্গেল সোফায় বসে আছেন। কিন্তু আমার শিশুমনে মনে হলো, পুরো ব্যাপারটার মধ্যে এক রাজকীয় আবহ রয়েছে। তিনি যখন আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন, সেই মুহূর্তটিকে আমার কাছে কোনো সাধারণ ঘটনা মনে হয়নি।
খালেদা জিয়া: একজন আপসহীন জাতীয়তাবাদীরাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই—এই বহুল প্রচলিত ধারণাকে তিনি ভুল প্রমাণ করেছেন। তাঁর কাছে রাজনীতিতে শেষ কথা ছিল দেশের পক্ষে, মানুষের পক্ষে এবং রাষ্ট্রের পক্ষে অবিচল থাকা। এই আদর্শের প্রতি তার অবিচলতাই তাকে পরিণত করেছিল এক অনন্য নেতৃত্বে।
ভূমিকম্প-পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন জরুরিভূমিকম্পের ঝুঁকির কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ দিনের জন্য এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজও বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাধারণ ছুটি মনে হলেও এটি মূলত শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নেওয়া একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।
ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকার বাড্ডাঢাকার খুব কাছে মধুপুর ফল্ট লাইনের অবস্থান। যে কারণে ঢাকা শহর নিশ্চিতভাবে ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কিন্তু গতকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) যে ফল্ট থেকে ভূকম্পন হয়েছে, সেটির অবস্থান নরসিংদীতে। রিখটার স্কেলে এটির মাত্রা ছিল সকালে ৫ দশমিক ৫।
নতুন আইন শ্রমিকদের অধিকারে যুগান্তকারী পদক্ষেপকোনো শ্রমিক বেআইনিভাবে কারখানায় ধর্মঘট করলে তিন মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড হবে। ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’– এ এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রতিক্রিয়াজুলাই সনদের প্রত্যাশা পূরণে দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যরাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরের মাধ্যমে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়েছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি এবং জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদান করেছে। এই আদেশ অনুযায়ী চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।