স্ট্রিম প্রতিবেদক

জনগণ সংবিধানের ঊর্ধ্বে এবং তাদের রক্তে অর্জিত বিপ্লবের রায় উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আলোকচিত্রী ও অধিকারকর্মী শহিদুল আলম। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ‘গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম’ আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শহিদুল আলম সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা সংবিধানের কথা বলছেন, কিন্তু সংবিধানে অনেক কিছু নেই। সেখানে গণঅভ্যুত্থান, বিপ্লব বা প্রধানমন্ত্রীর পালিয়ে যাওয়ার কথা নেই। কিন্তু আমরা সেগুলো মেনে নিয়েছি কারণ জনগণ রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছে তারা একটি ভিন্ন বাংলাদেশ চায়।’
বর্তমান সরকার জনগণের রায়ে ক্ষমতায় এসেছে উল্লেখ করে শহিদুল আলম প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি আপনারা সেই রায় গ্রহণ করতে পারেন, তবে জনগণের অন্য দাবিগুলো গ্রহণ করছেন না কেন? আপনারা যদি সত্যিই বিশ্বাস করেন জনগণ সবার উপরে, এমনকি সংবিধানেরও উপরে, তাহলে জনগণের রায়কে উপেক্ষা করার সুযোগ কারো নেই।’
সাবেক স্বৈরাচারী শাসনের উদাহরণ টেনে শহিদুল আলম বলেন, ‘স্বৈরাচার কেন এতদিন টিকে ছিল? কারণ সে জনগণের রায়কে উপেক্ষা করেছে। তার সৈন্য ছিল, লোকবল ছিল, টাকা ছিল। কিন্তু জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় এনেছে এই বিশ্বাসে যে আপনারা স্বৈরাচারের চেয়ে ভিন্ন হবেন। আপনাদের সামনে সুযোগ এসেছে নিজেদের ভিন্ন প্রমাণ করার।’
বিভিন্ন আইনি জটিলতা নিয়ে সরকারের আলোচনার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘এখন ‘ই-কার’ না ‘আ-কার’, ‘হ্রস্ব উ-কার’ না ‘দীর্ঘ উ-কার’—এসব ছোটখাটো ব্যাকরণগত বিষয় নিয়ে তর্ক করার সময় নয়। এখন সময় আপনারা জনগণের সঙ্গে আছেন তা প্রমাণ করার।’

জনগণ সংবিধানের ঊর্ধ্বে এবং তাদের রক্তে অর্জিত বিপ্লবের রায় উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আলোকচিত্রী ও অধিকারকর্মী শহিদুল আলম। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ‘গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম’ আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শহিদুল আলম সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা সংবিধানের কথা বলছেন, কিন্তু সংবিধানে অনেক কিছু নেই। সেখানে গণঅভ্যুত্থান, বিপ্লব বা প্রধানমন্ত্রীর পালিয়ে যাওয়ার কথা নেই। কিন্তু আমরা সেগুলো মেনে নিয়েছি কারণ জনগণ রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছে তারা একটি ভিন্ন বাংলাদেশ চায়।’
বর্তমান সরকার জনগণের রায়ে ক্ষমতায় এসেছে উল্লেখ করে শহিদুল আলম প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি আপনারা সেই রায় গ্রহণ করতে পারেন, তবে জনগণের অন্য দাবিগুলো গ্রহণ করছেন না কেন? আপনারা যদি সত্যিই বিশ্বাস করেন জনগণ সবার উপরে, এমনকি সংবিধানেরও উপরে, তাহলে জনগণের রায়কে উপেক্ষা করার সুযোগ কারো নেই।’
সাবেক স্বৈরাচারী শাসনের উদাহরণ টেনে শহিদুল আলম বলেন, ‘স্বৈরাচার কেন এতদিন টিকে ছিল? কারণ সে জনগণের রায়কে উপেক্ষা করেছে। তার সৈন্য ছিল, লোকবল ছিল, টাকা ছিল। কিন্তু জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় এনেছে এই বিশ্বাসে যে আপনারা স্বৈরাচারের চেয়ে ভিন্ন হবেন। আপনাদের সামনে সুযোগ এসেছে নিজেদের ভিন্ন প্রমাণ করার।’
বিভিন্ন আইনি জটিলতা নিয়ে সরকারের আলোচনার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘এখন ‘ই-কার’ না ‘আ-কার’, ‘হ্রস্ব উ-কার’ না ‘দীর্ঘ উ-কার’—এসব ছোটখাটো ব্যাকরণগত বিষয় নিয়ে তর্ক করার সময় নয়। এখন সময় আপনারা জনগণের সঙ্গে আছেন তা প্রমাণ করার।’

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
২ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৪ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে