স্ট্রিম প্রতিবেদক

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন যেন ভবিষ্যতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি আদর্শ তৈরি করে, সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এই বিশাল চ্যালেঞ্জ জয় করে একটি ঐতিহাসিক অর্জন নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভা প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদসহ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধানেরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি, ইসি সচিব আখতার আহমেদ, আইজিপি বাহারুল আলমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের মহাপরিচালকেরা অংশ নেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা আসলে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করব। এটিই আমাদের কাজ। জাতির জন্য এটি বড় এক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমাদের নিতে হবে। এই বিশাল কাজ শেষ করে একে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কোনো কিছুর যেন অভাব না হয়। সে বিষয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগী হতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে।
২০২৬ সালের নির্বাচন যেন এমন এক নির্বাচন হয়, যা ভবিষ্যতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে আদর্শ তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো। আজ থেকে শুরু হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল পরীক্ষা। ইসির নির্দেশই এখন সবচেয়ে বড় নির্দেশ। ইসির নির্দেশনা মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমান্ডের মূল ভূমিকায় থাকবে। এখন নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করব। কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটর করা হবে।
তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে যেন ঘাটতি না থাকে। সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি জানান, দেশি-বিদেশের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক এবার নির্বাচন কভার করবেন। বিদেশি পর্যবেক্ষকেরাও ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। আমাদেরও এ বিষয়ে সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে।
আমাদের সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি অনুযায়ী একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব বলে প্রধান উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীরা ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। তাঁরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছেন। আশা করি তাঁরা এই মনোভাব থেকে সরে যাবেন না।
বৈঠকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তিনি জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ২৬টি দেশের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রায় তিনশ জনের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। ইতোমধ্যে ৫৬ জন প্রতিনিধি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের দুজন আপিল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ইসি সচিব জানান, আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে সাতটা পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে।
তিনি বলেন, সাইবার স্পেসে তথ্য বিকৃতি এবার বড় চ্যালেঞ্জ। এবার দলীয় প্রতীক, গণভোট ও পোস্টাল ব্যালট গণনায় বাড়তি সময় লাগবে। এ নিয়ে যেন গুজব না ছড়ায়, সে জন্য গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, নির্বাচনের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, সব ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা দিতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানকালে বিভিন্ন থানা থেকে ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৯টি উদ্ধার করা হয়েছে, যা মোট অস্ত্রের ৬২.৪ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, একই সময়ে লুণ্ঠিত ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদের মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড উদ্ধার হয়েছে। এটি মোট গোলাবারুদের ৫২ শতাংশ।
তিনি বলেন, জনমনে স্বস্তি ফেরাতে বাহিনীগুলো সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটি কার্যকর হলে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ জানান, প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসার সদস্য কেন্দ্রের ভেতরে থাকবেন। ফলে কেউ প্রার্থীর এজেন্টকে বের করে দিতে পারবে না। কোনো বেআইনি কাজ করতে দেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) জানান, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে বিবেচিত হবেন। প্রয়োজন হলে তাঁরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি জানান, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে বডি ক্যামেরা পৌঁছে যাবে। তিনি বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনে ড্রোন ব্যবহার করবেন।
তিনি জানান, ভোটের চার দিন আগে বাহিনীগুলো মোতায়েন করা হবে। ভোটের পর তারা আরও সাত দিন মাঠে থাকবে।
আজ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে একাধিক দল নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য ২৪ ঘণ্টা মনিটর ও রেকর্ড করবে। তিনি জানান, বডি ক্যামেরার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় তাৎক্ষণিক সংযোগ স্থাপন ও সব ঘটনা রেকর্ড করা যাবে। এ সময় তিনি বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর একটি ভিডিওচিত্র দেখান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বডি ক্যামেরার যথাযথ ব্যবহার বিশাল সাফল্য এনে দিতে পারে। তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে এবং প্রয়োজন হলে আরও কম সময়ের ব্যবধানে এই ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন যেন ভবিষ্যতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি আদর্শ তৈরি করে, সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এই বিশাল চ্যালেঞ্জ জয় করে একটি ঐতিহাসিক অর্জন নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভা প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদসহ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধানেরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি, ইসি সচিব আখতার আহমেদ, আইজিপি বাহারুল আলমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের মহাপরিচালকেরা অংশ নেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা আসলে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করব। এটিই আমাদের কাজ। জাতির জন্য এটি বড় এক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমাদের নিতে হবে। এই বিশাল কাজ শেষ করে একে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কোনো কিছুর যেন অভাব না হয়। সে বিষয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগী হতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে।
২০২৬ সালের নির্বাচন যেন এমন এক নির্বাচন হয়, যা ভবিষ্যতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে আদর্শ তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো। আজ থেকে শুরু হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল পরীক্ষা। ইসির নির্দেশই এখন সবচেয়ে বড় নির্দেশ। ইসির নির্দেশনা মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমান্ডের মূল ভূমিকায় থাকবে। এখন নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করব। কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটর করা হবে।
তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে যেন ঘাটতি না থাকে। সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি জানান, দেশি-বিদেশের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক এবার নির্বাচন কভার করবেন। বিদেশি পর্যবেক্ষকেরাও ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। আমাদেরও এ বিষয়ে সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে।
আমাদের সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি অনুযায়ী একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব বলে প্রধান উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীরা ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। তাঁরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছেন। আশা করি তাঁরা এই মনোভাব থেকে সরে যাবেন না।
বৈঠকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তিনি জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ২৬টি দেশের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রায় তিনশ জনের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। ইতোমধ্যে ৫৬ জন প্রতিনিধি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের দুজন আপিল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ইসি সচিব জানান, আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে সাতটা পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে।
তিনি বলেন, সাইবার স্পেসে তথ্য বিকৃতি এবার বড় চ্যালেঞ্জ। এবার দলীয় প্রতীক, গণভোট ও পোস্টাল ব্যালট গণনায় বাড়তি সময় লাগবে। এ নিয়ে যেন গুজব না ছড়ায়, সে জন্য গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, নির্বাচনের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, সব ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা দিতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানকালে বিভিন্ন থানা থেকে ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৯টি উদ্ধার করা হয়েছে, যা মোট অস্ত্রের ৬২.৪ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, একই সময়ে লুণ্ঠিত ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদের মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড উদ্ধার হয়েছে। এটি মোট গোলাবারুদের ৫২ শতাংশ।
তিনি বলেন, জনমনে স্বস্তি ফেরাতে বাহিনীগুলো সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটি কার্যকর হলে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ জানান, প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসার সদস্য কেন্দ্রের ভেতরে থাকবেন। ফলে কেউ প্রার্থীর এজেন্টকে বের করে দিতে পারবে না। কোনো বেআইনি কাজ করতে দেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) জানান, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে বিবেচিত হবেন। প্রয়োজন হলে তাঁরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি জানান, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে বডি ক্যামেরা পৌঁছে যাবে। তিনি বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনে ড্রোন ব্যবহার করবেন।
তিনি জানান, ভোটের চার দিন আগে বাহিনীগুলো মোতায়েন করা হবে। ভোটের পর তারা আরও সাত দিন মাঠে থাকবে।
আজ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে একাধিক দল নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য ২৪ ঘণ্টা মনিটর ও রেকর্ড করবে। তিনি জানান, বডি ক্যামেরার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় তাৎক্ষণিক সংযোগ স্থাপন ও সব ঘটনা রেকর্ড করা যাবে। এ সময় তিনি বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর একটি ভিডিওচিত্র দেখান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বডি ক্যামেরার যথাযথ ব্যবহার বিশাল সাফল্য এনে দিতে পারে। তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে এবং প্রয়োজন হলে আরও কম সময়ের ব্যবধানে এই ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে