ক্যাশলেস বাংলাদেশের পথে এক ধাপ এগিয়ে পদ্মা সেতু: ফয়েজ তৈয়্যব

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০০: ০১
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। ফাইল ছবি

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, ক্যাশলেস বাংলাদেশের পথে এক ধাপ এগিয়ে পদ্মা সেতু।

বৃহস্পতিবার সরকারি সফরে খুলনায় যাওয়ার পথে মুঠোফোনের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ডি-টোল সেবা ব্যবহার এবং পদ্মা সেতু ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ট্যাগ রেজিস্ট্রেশন সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, মানুষের যাত্রা অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও উন্নত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। নগদভিত্তিক টোল আদায় ব্যবস্থায় গাড়ির গতি কমে গিয়ে মূল্যবান সময় অপচয় হয়। ডি-টোল চালুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে টোল প্রসেসিং সম্ভব হবে; ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে এবং সময় সাশ্রয় হবে।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যমুনা সেতু, মেঘনা–গোমতী সেতুসহ দেশের বৃহৎ সেতুগুলোতে ডি-টোল ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের মহাসড়ক ও সেতুগুলোর জন্য একটি একীভূত টোলিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এ সময় ডি-টোল সেবা ব্যবহার করেন এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ আব্দুর রফিক, হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, চিফ টেকনোলজি অ্যাডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সিনিয়র কনসালটেন্ট (উপসচিব) ফজলুল জাহিদ পাভেল, হেড অব কমিউনিকেশন মোহাম্মদ সফিউল আযমসহ এটুআই ও আইসিটি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এটুআই নির্মিত এই সিস্টেমের পাইলট কার্যক্রম গত ১৫ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুতে শুরু হয়। এরপর থেকে ৬ হাজারের বেশি যানবাহন নিবন্ধিত হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৪ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বিকাশ, নগদ, ট্যাপ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি, এনসিসি ব্যাংক পিএলসি ও প্রাইম ব্যাংক পিএলসি—এই সাতটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডি-টোল ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ডি-টোল সিস্টেম ব্যবহারের জন্য নতুন কোনো অ্যাকাউন্ট বা অ্যাপের প্রয়োজন নেই। গ্রাহকের বিদ্যমান মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, ট্যাপ) কিংবা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করেই ডিজিটালভাবে টোল পরিশোধ করা যাচ্ছে।

সম্পর্কিত