স্ট্রিম প্রতিবেদক

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ ঈদের পরে আয়োজন এবং রুগ্ন প্রকাশনা শিল্প রক্ষায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দেশের সৃজনশীল প্রকাশক সমাজ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ‘প্রকাশক ঐক্য’-এর পক্ষ থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকরা বিএনপির চেয়ারম্যান বরাবর এক চিঠিতে এ আবেদন জানান।
আবেদনে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়।
প্রকাশকরা উল্লেখ করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ যে রায় দিয়েছে, তা জ্ঞানভিত্তিক ও মেধা-নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার পথে নতুন সরকারের প্রতি আস্থার প্রতিফলন।
চিঠিতে প্রকাশনা শিল্পে বিএনপির অতীতের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। এতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক একুশে ও স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে ‘জাতীয় গ্রন্থনীতি’ প্রণয়ন, ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ গ্রহণ ও ‘জাতীয় গ্রন্থবর্ষ’ ঘোষণার মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রকাশকদের দাবি, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় প্রকাশনা শিল্প ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। গত দুই মাস নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে ছাপাখানায় সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ বন্ধ ছিল। এছাড়া কাগজের আকাশচুম্বী দাম ও আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকরা বর্তমানে দিশেহারা।
বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাসে মেলা আয়োজনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা প্রকাশনা শিল্পের জন্য ‘ব্যাবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল বলে মনে করছেন প্রকাশকরা। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রোজার ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে এবং মেলা পাঠকশূন্য হয়ে পড়বে।
এমন পরিস্থিতিতে, একটি ব্যর্থ ও বিতর্কিত মেলা এড়াতে, প্রকাশনা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় প্রকাশকরা হবু সরকার প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের কাছে দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন।
(১) ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘোষিত ‘নামমাত্র’ বইমেলা স্থগিত করার নির্দেশনা প্রদান করা।
(২) পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর, উৎসবমুখর পরিবেশে সব প্রকাশকের অংশগ্রহণে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাণবন্ত বইমেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
‘প্রকাশক ঐক্য’-এর পক্ষে দেশের সর্বস্তরের প্রকাশকদের প্রতিনিধিত্বকারী এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দেশের শীর্ষ ১৪ জন প্রকাশক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তাঁরা হলেন— মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ. কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম প্রকাশনা সংস্থা), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন), মাহরুখ মহিউদ্দিন (ইউপিএল) এবং মাহাবুব রাহমান (আদর্শ)।
উল্লেখ্য শেষের তিনজন অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬-এর সদস্য হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ ঈদের পরে আয়োজন এবং রুগ্ন প্রকাশনা শিল্প রক্ষায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দেশের সৃজনশীল প্রকাশক সমাজ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ‘প্রকাশক ঐক্য’-এর পক্ষ থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকরা বিএনপির চেয়ারম্যান বরাবর এক চিঠিতে এ আবেদন জানান।
আবেদনে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়।
প্রকাশকরা উল্লেখ করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ যে রায় দিয়েছে, তা জ্ঞানভিত্তিক ও মেধা-নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার পথে নতুন সরকারের প্রতি আস্থার প্রতিফলন।
চিঠিতে প্রকাশনা শিল্পে বিএনপির অতীতের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। এতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক একুশে ও স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে ‘জাতীয় গ্রন্থনীতি’ প্রণয়ন, ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ গ্রহণ ও ‘জাতীয় গ্রন্থবর্ষ’ ঘোষণার মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রকাশকদের দাবি, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় প্রকাশনা শিল্প ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। গত দুই মাস নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে ছাপাখানায় সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ বন্ধ ছিল। এছাড়া কাগজের আকাশচুম্বী দাম ও আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকরা বর্তমানে দিশেহারা।
বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাসে মেলা আয়োজনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা প্রকাশনা শিল্পের জন্য ‘ব্যাবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল বলে মনে করছেন প্রকাশকরা। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রোজার ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে এবং মেলা পাঠকশূন্য হয়ে পড়বে।
এমন পরিস্থিতিতে, একটি ব্যর্থ ও বিতর্কিত মেলা এড়াতে, প্রকাশনা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় প্রকাশকরা হবু সরকার প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের কাছে দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন।
(১) ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘোষিত ‘নামমাত্র’ বইমেলা স্থগিত করার নির্দেশনা প্রদান করা।
(২) পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর, উৎসবমুখর পরিবেশে সব প্রকাশকের অংশগ্রহণে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাণবন্ত বইমেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
‘প্রকাশক ঐক্য’-এর পক্ষে দেশের সর্বস্তরের প্রকাশকদের প্রতিনিধিত্বকারী এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দেশের শীর্ষ ১৪ জন প্রকাশক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তাঁরা হলেন— মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ. কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম প্রকাশনা সংস্থা), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন), মাহরুখ মহিউদ্দিন (ইউপিএল) এবং মাহাবুব রাহমান (আদর্শ)।
উল্লেখ্য শেষের তিনজন অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬-এর সদস্য হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৯ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে