স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলা একাডেমির ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অমর একুশে বইমেলা’ শুরুর সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী উল্লেখ করেছেন ৩২১ প্রকাশক। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারা ঈদুল ফিতরের পরে করার দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশকরা জানান, বইমেলা কোনো সরকারি রুটিন ওয়ার্ক বা কেবল আমলাতান্ত্রিক আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি লেখক, প্রকাশক ও পাঠকের মিলনমেলা। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের পরপরই রোজার মধ্যে মেলা আয়োজনের যে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে মেলার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে।
বিবৃতিতে প্রকাশকরা জানান, গত দেড় বছরে প্রকাশনা শিল্প চরম মন্দার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আরও একটি অসফল মেলায় অংশ নিয়ে অবশিষ্ট পুঁজি হারানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বাংলা একাডেমি এপ্রিলে ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়েছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—ঈদের পরে মেলা হলে যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি হয়, সেই ঝুঁকি নিতে আমরা প্রস্তুত। কিন্তু জেনেশুনে রোজার মধ্যে মেলা করে নিশ্চিত ব্যবসায়িক মৃত্যুর ঝুঁকি আমরা নেব না।
প্রকাশকরা বিবৃতিতে তাদের অবস্থান ও দায়বদ্ধার কথা তুলে ধরে জানান, ‘দেশের আপামর জনগণের জানা দরকার যে, আমরা বইমেলার বিপক্ষে নই, বরং বইমেলা সফল করতে আয়োজক কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সে কারণেই আমরা বাংলা একাডেমি ছাড়াও সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আমাদের আশা ছিল, বর্তমান সরকার অংশীজনের মতামতের গুরুত্ব দেবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সরকারের নীতিনির্ধারক মহল প্রকাশকদের এই অস্তিত্বের সংকট অনুধাবন করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। রাষ্ট্র যখন কেবল বাৎসরিক আনুষ্ঠানিকতা রক্ষায় ব্যস্ত, তখন আমরা প্রকাশকরা অস্তিত্ব রক্ষায় লড়ছি। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে নেওয়া আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে একটি সৃজনশীল শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়লে তার দায়ভার সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
বিবৃতিতে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল), অনন্যা, অন্যপ্রকাশ, অনুপম প্রকাশনী, আগামী প্রকাশনী, মাওলা প্রকাশনী, কাকলী প্রকাশনী, অবসর প্রকাশনা সংস্থা, কথা প্রকাশ, স্টুডেন্ট ওয়েজ, সময় প্রকাশন, পাঠক সমাবেশ, বাংলা প্রকাশ, আদর্শ, শোভা প্রকাশসহ মোট ৩২১টি প্রকাশনাসংস্থা স্বাক্ষর করেছে।

বাংলা একাডেমির ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অমর একুশে বইমেলা’ শুরুর সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী উল্লেখ করেছেন ৩২১ প্রকাশক। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারা ঈদুল ফিতরের পরে করার দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশকরা জানান, বইমেলা কোনো সরকারি রুটিন ওয়ার্ক বা কেবল আমলাতান্ত্রিক আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি লেখক, প্রকাশক ও পাঠকের মিলনমেলা। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের পরপরই রোজার মধ্যে মেলা আয়োজনের যে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে মেলার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে।
বিবৃতিতে প্রকাশকরা জানান, গত দেড় বছরে প্রকাশনা শিল্প চরম মন্দার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আরও একটি অসফল মেলায় অংশ নিয়ে অবশিষ্ট পুঁজি হারানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বাংলা একাডেমি এপ্রিলে ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়েছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—ঈদের পরে মেলা হলে যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি হয়, সেই ঝুঁকি নিতে আমরা প্রস্তুত। কিন্তু জেনেশুনে রোজার মধ্যে মেলা করে নিশ্চিত ব্যবসায়িক মৃত্যুর ঝুঁকি আমরা নেব না।
প্রকাশকরা বিবৃতিতে তাদের অবস্থান ও দায়বদ্ধার কথা তুলে ধরে জানান, ‘দেশের আপামর জনগণের জানা দরকার যে, আমরা বইমেলার বিপক্ষে নই, বরং বইমেলা সফল করতে আয়োজক কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সে কারণেই আমরা বাংলা একাডেমি ছাড়াও সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আমাদের আশা ছিল, বর্তমান সরকার অংশীজনের মতামতের গুরুত্ব দেবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সরকারের নীতিনির্ধারক মহল প্রকাশকদের এই অস্তিত্বের সংকট অনুধাবন করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। রাষ্ট্র যখন কেবল বাৎসরিক আনুষ্ঠানিকতা রক্ষায় ব্যস্ত, তখন আমরা প্রকাশকরা অস্তিত্ব রক্ষায় লড়ছি। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে নেওয়া আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে একটি সৃজনশীল শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়লে তার দায়ভার সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
বিবৃতিতে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল), অনন্যা, অন্যপ্রকাশ, অনুপম প্রকাশনী, আগামী প্রকাশনী, মাওলা প্রকাশনী, কাকলী প্রকাশনী, অবসর প্রকাশনা সংস্থা, কথা প্রকাশ, স্টুডেন্ট ওয়েজ, সময় প্রকাশন, পাঠক সমাবেশ, বাংলা প্রকাশ, আদর্শ, শোভা প্রকাশসহ মোট ৩২১টি প্রকাশনাসংস্থা স্বাক্ষর করেছে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে