স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাই এলাকায় পাইকারি বাজারে এখনো ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এই দামে পৌঁছে। এই প্রেক্ষাপটে চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাজারে দাম না কমলে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এরপর গত কয়েকদিনে দাম না বাড়লেও, কমেনি।
ঢাকায় সচিবালয়ে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে গত রোববার (৯ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাজারে দাম না কমলে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দাম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে আর অনুমতি দেওয়া হবে না।
বাণিজ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারির আগে ও পরে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার ঘুরে তেমন তারতম্য দেখা যায়নি। চলতি সপ্তাহের রোববার ও আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার ঘুরে এই অবস্থা দেখা গেছে।
গত অক্টোবরেও চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে ৭৫-৮০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হয়। নভেম্বরে সেটিই বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায়। কোথাও কোথাও দাম ছুঁয়েছে ১১০ টাকাতেও। এর আগে গত জুনে ৪২ থেকে ৫০ টাকা ছিল পেঁয়াজের দাম। পরের মাস জুলাইয়ের শুরুতে দাম কিছুটা বাড়তে শুরু করলেও শেষ সপ্তাহে এসে দাম অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, দেশি পেঁয়াজের মৌসুম শেষ, আমদানিও বন্ধ। তাই পেঁয়াজের বাজারে এই অস্থিরতা। তবে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাম বাড়ানোর জন্য এসব কৌশল মাত্র ব্যবসায়ীদের। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়েছেন তাঁরা।

খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার— এই দুই পাইকারি বাজার থেকেই দেশে চাহিদার বড় অংশ পেঁয়াজ সরবরাহ হয়। তবে দুই জায়গাতেই এখন সরবরাহ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজারে আগে দিনে ৬ ট্রাক পেঁয়াজ এলে এখন দুই ট্রাক আসে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১১০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখন আমদানি পেঁয়াজ নেই, সবই দেশি। আর মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় দেশি পেঁয়াজের মজুদও প্রায় ফুরিয়ে এসেছে।
মোহাম্মদীয়া স্টোরের মালিক মোহাম্মদ সোলাইমান স্ট্রিমকে বলেন, বড় আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, ছোট আকারের ৯৫ টাকায়। তবে অক্টোবরে একই পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০–৭৫ টাকার মধ্যে।
আমদানি না হলে দাম আরও বাড়বে জানিয়ে জাহিদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. জাহেদুল আলম জানান, সরবরাহ কম, তাই দাম বাড়ছে। আবার বিক্রিও কমে এসেছে। এখন প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সরকার যদি অন্তত এক মাসের জন্য আমদানির অনুমতি দেয়, তাহলে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হবে। আমদানি ভারত, মিশর, তুরস্কসহ যেকোনো দেশ থেকে হতে পারে। এর মধ্যে নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে চলে এলে দাম কমে যাবে।’
আমদানির প্রয়োজন তুলে ধরে খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিঞা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাজারে কোনো আমদানি পেঁয়াজ নেই, পুরোপুরি দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করছে সরবরাহ। মৌসুম শেষের দিকে। আমদানি না হলে দাম আরও বাড়তে পারে।’
তবে নাম না প্রকাশের শর্তে বাজারের দুজন ব্যবসায়ী স্ট্রিমকে বলেছেন, দাম একটু বাড়তি হলেও বাজারে যে পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে, তা দিয়ে এই মাস চলবে। আগামী ডিসেম্বরের শুরুর দিকে আগাম বা ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বাজারে চলে আসবে। আগে বাজারে তদারকি ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট এসে দাম নির্ধারণ করে যেত। এখনও সেই ব্যবস্থা চালু হলে দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ক্রেতার চাপও কমে গেছে। মঙ্গলবার পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজারের কালু শাহ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. শাহজাহান বলেন, ‘আগে দুপুরের মধ্যে ১০ বস্তা বিক্রি হয়ে যেত। কিন্তু এখন বিক্রিই নেই। সারা দিনে এক বা দুই বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে কিছু বাকিতে। এখন ক্রেতারা যতটুকু না কিনলেই নয়, ততটুকুই নিচ্ছেন। আগে যারা এক বস্তা কিনতেন, তারা নিচ্ছেন ১০ কেজি।’
একই বাজারে জাহিদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার স্ট্রিমকে বলেছেন, এখন বেচাকেনা কম। মানুষ প্রয়োজন মতো কিনছেন। আগামী কয়েকদিনে কি হয়, তার অপেক্ষায় আছেন তারা।
এদিকে বাজারে হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ক্রেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাঁদের অভিযোগ, ৫–১০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি সহনীয় হলেও এক লাফে ২৫–৩০ টাকা বৃদ্ধি অস্বাভাবিক।
বাজার তদারকির তাগিদ জানিয়ে মো. ইসমাইল নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘পিঁয়াজের দাম এক লাফে ৩০ টাকা বৃদ্ধি মোটেও স্বাভাবিক না। যদি মজুদ আসলেই কমে যায়, তাহলে আমদানির অনুমতি দিতে পারে। আর মজুদ থাকলে কঠোর নজরদারি করা উচিত।’
এদিকে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধির কথা মানতে নারাজ ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাজারে মজুদ ও সরবরাহ ঠিকই আছে। ব্যবসায়ীরা মানুষের পকেট কাটার জন্য এই কৌশল নিয়েছে। নিজেরাই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। দেশে বর্তমানে দিনে পেঁয়াজের চাহিদা সাত লাখ টন। আর কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা। এক দিনেই তারা কত টাকা কামিয়ে নিচ্ছে, তা সাধারণ মানুষ হিসাব করেও কুলাতে পারবে না।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯১ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছিল ৬৭১ টন। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১০২ হেক্টর জমিতে ৭৯২ টন উৎপাদনের। কর্মকর্তারা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজ চট্টগ্রামের বাজারের চাহিদার বড় অংশ পূরণ করবে।
সাধারণত ডিসেম্বর মাসে আগাম বা ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বাজারে আসে। এরপর জানুয়ারিতে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মেহেরপুর ও জামালপুরের পেঁয়াজ বাজারে ঢুকে। তাই ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কিছুটা স্বাভাবিক হবে।
ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানির আগ্রহ সম্পর্কে ক্যাব সহসভাপতি নাজের হোসাইন বলেন, আমদানি করার জন্য ব্যবসায়ীরা উদগ্রীব। কারণ আমদানি করতে পারলে তারা বিভিন্নভাবে লাভবান হবে। ভারতে পেঁয়াজের দাম কমেছে। আবার আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্সও কমেছে।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাই এলাকায় পাইকারি বাজারে এখনো ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এই দামে পৌঁছে। এই প্রেক্ষাপটে চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাজারে দাম না কমলে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এরপর গত কয়েকদিনে দাম না বাড়লেও, কমেনি।
ঢাকায় সচিবালয়ে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে গত রোববার (৯ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাজারে দাম না কমলে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দাম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে আর অনুমতি দেওয়া হবে না।
বাণিজ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারির আগে ও পরে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার ঘুরে তেমন তারতম্য দেখা যায়নি। চলতি সপ্তাহের রোববার ও আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার ঘুরে এই অবস্থা দেখা গেছে।
গত অক্টোবরেও চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে ৭৫-৮০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হয়। নভেম্বরে সেটিই বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায়। কোথাও কোথাও দাম ছুঁয়েছে ১১০ টাকাতেও। এর আগে গত জুনে ৪২ থেকে ৫০ টাকা ছিল পেঁয়াজের দাম। পরের মাস জুলাইয়ের শুরুতে দাম কিছুটা বাড়তে শুরু করলেও শেষ সপ্তাহে এসে দাম অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, দেশি পেঁয়াজের মৌসুম শেষ, আমদানিও বন্ধ। তাই পেঁয়াজের বাজারে এই অস্থিরতা। তবে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাম বাড়ানোর জন্য এসব কৌশল মাত্র ব্যবসায়ীদের। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়েছেন তাঁরা।

খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার— এই দুই পাইকারি বাজার থেকেই দেশে চাহিদার বড় অংশ পেঁয়াজ সরবরাহ হয়। তবে দুই জায়গাতেই এখন সরবরাহ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজারে আগে দিনে ৬ ট্রাক পেঁয়াজ এলে এখন দুই ট্রাক আসে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১১০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখন আমদানি পেঁয়াজ নেই, সবই দেশি। আর মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় দেশি পেঁয়াজের মজুদও প্রায় ফুরিয়ে এসেছে।
মোহাম্মদীয়া স্টোরের মালিক মোহাম্মদ সোলাইমান স্ট্রিমকে বলেন, বড় আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, ছোট আকারের ৯৫ টাকায়। তবে অক্টোবরে একই পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০–৭৫ টাকার মধ্যে।
আমদানি না হলে দাম আরও বাড়বে জানিয়ে জাহিদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. জাহেদুল আলম জানান, সরবরাহ কম, তাই দাম বাড়ছে। আবার বিক্রিও কমে এসেছে। এখন প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সরকার যদি অন্তত এক মাসের জন্য আমদানির অনুমতি দেয়, তাহলে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হবে। আমদানি ভারত, মিশর, তুরস্কসহ যেকোনো দেশ থেকে হতে পারে। এর মধ্যে নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে চলে এলে দাম কমে যাবে।’
আমদানির প্রয়োজন তুলে ধরে খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিঞা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাজারে কোনো আমদানি পেঁয়াজ নেই, পুরোপুরি দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করছে সরবরাহ। মৌসুম শেষের দিকে। আমদানি না হলে দাম আরও বাড়তে পারে।’
তবে নাম না প্রকাশের শর্তে বাজারের দুজন ব্যবসায়ী স্ট্রিমকে বলেছেন, দাম একটু বাড়তি হলেও বাজারে যে পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে, তা দিয়ে এই মাস চলবে। আগামী ডিসেম্বরের শুরুর দিকে আগাম বা ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বাজারে চলে আসবে। আগে বাজারে তদারকি ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট এসে দাম নির্ধারণ করে যেত। এখনও সেই ব্যবস্থা চালু হলে দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ক্রেতার চাপও কমে গেছে। মঙ্গলবার পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজারের কালু শাহ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. শাহজাহান বলেন, ‘আগে দুপুরের মধ্যে ১০ বস্তা বিক্রি হয়ে যেত। কিন্তু এখন বিক্রিই নেই। সারা দিনে এক বা দুই বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে কিছু বাকিতে। এখন ক্রেতারা যতটুকু না কিনলেই নয়, ততটুকুই নিচ্ছেন। আগে যারা এক বস্তা কিনতেন, তারা নিচ্ছেন ১০ কেজি।’
একই বাজারে জাহিদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার স্ট্রিমকে বলেছেন, এখন বেচাকেনা কম। মানুষ প্রয়োজন মতো কিনছেন। আগামী কয়েকদিনে কি হয়, তার অপেক্ষায় আছেন তারা।
এদিকে বাজারে হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ক্রেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাঁদের অভিযোগ, ৫–১০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি সহনীয় হলেও এক লাফে ২৫–৩০ টাকা বৃদ্ধি অস্বাভাবিক।
বাজার তদারকির তাগিদ জানিয়ে মো. ইসমাইল নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘পিঁয়াজের দাম এক লাফে ৩০ টাকা বৃদ্ধি মোটেও স্বাভাবিক না। যদি মজুদ আসলেই কমে যায়, তাহলে আমদানির অনুমতি দিতে পারে। আর মজুদ থাকলে কঠোর নজরদারি করা উচিত।’
এদিকে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধির কথা মানতে নারাজ ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাজারে মজুদ ও সরবরাহ ঠিকই আছে। ব্যবসায়ীরা মানুষের পকেট কাটার জন্য এই কৌশল নিয়েছে। নিজেরাই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। দেশে বর্তমানে দিনে পেঁয়াজের চাহিদা সাত লাখ টন। আর কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা। এক দিনেই তারা কত টাকা কামিয়ে নিচ্ছে, তা সাধারণ মানুষ হিসাব করেও কুলাতে পারবে না।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯১ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছিল ৬৭১ টন। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১০২ হেক্টর জমিতে ৭৯২ টন উৎপাদনের। কর্মকর্তারা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজ চট্টগ্রামের বাজারের চাহিদার বড় অংশ পূরণ করবে।
সাধারণত ডিসেম্বর মাসে আগাম বা ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বাজারে আসে। এরপর জানুয়ারিতে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মেহেরপুর ও জামালপুরের পেঁয়াজ বাজারে ঢুকে। তাই ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কিছুটা স্বাভাবিক হবে।
ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানির আগ্রহ সম্পর্কে ক্যাব সহসভাপতি নাজের হোসাইন বলেন, আমদানি করার জন্য ব্যবসায়ীরা উদগ্রীব। কারণ আমদানি করতে পারলে তারা বিভিন্নভাবে লাভবান হবে। ভারতে পেঁয়াজের দাম কমেছে। আবার আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্সও কমেছে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে