মো. মাসুম বিল্লাহ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে নতুন করে প্রায় ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রথম সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে।
পরিকল্পনা কমিশনের স্মারক থেকে জানা গেছে, গত ১১ জানুয়ারি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে সর্বসম্মত অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একনেক সভায় উঠছে। অনুমোদন পেলে প্রকল্পের মোট ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে। তবে কেন্দ্রটি থেকে কবে নাগাদ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এর আগে পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তিতে ২৬ হাজার ১৮১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব থেকে ৫৮৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা বাদ দিয়ে সংশোধনী এনেছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। পাবনার রূপপুরে প্রায় ৯ বছর ধরে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন চলছে। প্রায় ৭২ শতাংশ কাজ শেষেও লাগামহীন ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে খোদ পরিকল্পনা কমিশন প্রশ্ন তুলেছে। এত বড় ব্যয়ের সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন রাজনৈতিক সরকার দিলে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে মনে করে কমিশন।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘শুরু থেকেই প্রকল্পটির বিশাল ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন ছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে কয়েক দফায় ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর পর সেই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য যে অবকাঠামো বা গ্রিড সিস্টেম প্রয়োজন, তা এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রস্তুত নয়।’
রূপপুরের মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) নেওয়া হয় ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। প্রস্তাবিত প্রথম সংশোধিত ডিপিপি অনুসারে এটি ২০২৮ সালের জুনে শেষ হবে। মূল ডিপিপিতে ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত প্রথম সংশোধিত ডিপিপিতে সেটি ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৫ লাখ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২২ দশমিক ৬৩ শতাংশ খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
যে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ২৫ হাজার ৭৫৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা রাশিয়ার ঋণ সহায়তা; বাকিটা সংস্থান করবে সরকার। মূল ডিপিপিতে ২২ হাজার ৫৩ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল সরকারের; রাশিয়ার ঋণ সহায়তা ছিল ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।
ডিপিপি সংশোধনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, প্রকল্পের কার্যপরিধিতে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট–১-এর কমিশনিং কাজ চলছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে একটি সেবা চুক্তি ও খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ চুক্তির আলোচনাও চলছে। আর প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে এতে বলা হয়েছে, গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ৪০৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এ সময়ে অগ্রগতি ৭১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি এরইমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।’ ডিসেম্বরের পরে নতুন বছরের জানুয়ারি শেষ হতে চললেও, কবে রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, তা সরকার স্পষ্ট করেনি।
কবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম জ্বালানি স্থাপন (ফুয়েল লোড) হতে পারে— প্রশ্নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব করার। গত বছরের নভেম্বরের শেষ নাগাদ এ-সংক্রান্ত আমাদের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এখন প্রকল্পের রুশ ঠিকাদাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।’
তিনি বলেন, ‘এখন রাশিয়ানদের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হচ্ছে। তারা যখন বলবেন প্রস্তুত, তখন আমরা এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর নির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারব। তারা তারিখ না দিলে আমাদের কিছুই করার নেই।’
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট। সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই কোম্পানি বিশ্বে সবচেয়ে স্বনামধন্য, সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোম্পানি। তাদের সাফল্য তো অনেক। বহু জায়গায়, বহু দেশে তারা কাজ করেছে, করছেও।’
নির্বাচনের পরে ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ ফুয়েল লোডের ব্যবস্থা করা হতে পারে জানিয়ে তিনি আরও বলেন ‘লাইসেন্সের সব কাজ হয়ে গেছে। জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট দেরি করলে আমরা প্রভিশনাল টেকওভার (অন্তর্বর্তী নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ) করব। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে আগামী ২৬ ডিসেম্বর পুরো প্ল্যান্ট চালু করে আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা। সময় মতো দিতে না পারলে তাদের জন্য পেনাল্টি ক্লজ (জরিমানা) রয়েছে। সেক্ষেত্রে সরকার তাদের কাছে ভালো অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে।’

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে নতুন করে প্রায় ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রথম সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে।
পরিকল্পনা কমিশনের স্মারক থেকে জানা গেছে, গত ১১ জানুয়ারি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে সর্বসম্মত অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একনেক সভায় উঠছে। অনুমোদন পেলে প্রকল্পের মোট ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে। তবে কেন্দ্রটি থেকে কবে নাগাদ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এর আগে পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তিতে ২৬ হাজার ১৮১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব থেকে ৫৮৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা বাদ দিয়ে সংশোধনী এনেছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। পাবনার রূপপুরে প্রায় ৯ বছর ধরে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন চলছে। প্রায় ৭২ শতাংশ কাজ শেষেও লাগামহীন ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে খোদ পরিকল্পনা কমিশন প্রশ্ন তুলেছে। এত বড় ব্যয়ের সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন রাজনৈতিক সরকার দিলে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে মনে করে কমিশন।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘শুরু থেকেই প্রকল্পটির বিশাল ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন ছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে কয়েক দফায় ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর পর সেই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য যে অবকাঠামো বা গ্রিড সিস্টেম প্রয়োজন, তা এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রস্তুত নয়।’
রূপপুরের মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) নেওয়া হয় ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। প্রস্তাবিত প্রথম সংশোধিত ডিপিপি অনুসারে এটি ২০২৮ সালের জুনে শেষ হবে। মূল ডিপিপিতে ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত প্রথম সংশোধিত ডিপিপিতে সেটি ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৫ লাখ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২২ দশমিক ৬৩ শতাংশ খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
যে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ২৫ হাজার ৭৫৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা রাশিয়ার ঋণ সহায়তা; বাকিটা সংস্থান করবে সরকার। মূল ডিপিপিতে ২২ হাজার ৫৩ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল সরকারের; রাশিয়ার ঋণ সহায়তা ছিল ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।
ডিপিপি সংশোধনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, প্রকল্পের কার্যপরিধিতে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট–১-এর কমিশনিং কাজ চলছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে একটি সেবা চুক্তি ও খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ চুক্তির আলোচনাও চলছে। আর প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে এতে বলা হয়েছে, গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ৪০৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এ সময়ে অগ্রগতি ৭১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি এরইমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।’ ডিসেম্বরের পরে নতুন বছরের জানুয়ারি শেষ হতে চললেও, কবে রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, তা সরকার স্পষ্ট করেনি।
কবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম জ্বালানি স্থাপন (ফুয়েল লোড) হতে পারে— প্রশ্নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব করার। গত বছরের নভেম্বরের শেষ নাগাদ এ-সংক্রান্ত আমাদের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এখন প্রকল্পের রুশ ঠিকাদাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।’
তিনি বলেন, ‘এখন রাশিয়ানদের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হচ্ছে। তারা যখন বলবেন প্রস্তুত, তখন আমরা এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর নির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারব। তারা তারিখ না দিলে আমাদের কিছুই করার নেই।’
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট। সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই কোম্পানি বিশ্বে সবচেয়ে স্বনামধন্য, সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোম্পানি। তাদের সাফল্য তো অনেক। বহু জায়গায়, বহু দেশে তারা কাজ করেছে, করছেও।’
নির্বাচনের পরে ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ ফুয়েল লোডের ব্যবস্থা করা হতে পারে জানিয়ে তিনি আরও বলেন ‘লাইসেন্সের সব কাজ হয়ে গেছে। জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট দেরি করলে আমরা প্রভিশনাল টেকওভার (অন্তর্বর্তী নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ) করব। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে আগামী ২৬ ডিসেম্বর পুরো প্ল্যান্ট চালু করে আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা। সময় মতো দিতে না পারলে তাদের জন্য পেনাল্টি ক্লজ (জরিমানা) রয়েছে। সেক্ষেত্রে সরকার তাদের কাছে ভালো অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে।’

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে