বিসিএসে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভুয়া সনদের মাধ্যমে ক্যাডার পদে নিয়োগের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৬টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২৯তম বিসিএসে পিএসসির তৎকালীন সদস্য, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে ৬ প্রার্থীকে প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ দেন। অথচ, অনুসন্ধানে এই প্রার্থীদের মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোনো বৈধ সনদপত্র পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের অনুসন্ধানে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ৬ কর্মকর্তা এবং তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িত পিএসসির তৎকালীন ১২ সদস্য ও ৩ পদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিটি নিয়োগের ঘটনায় পৃথক পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অভিযুক্ত পিএসসির সাবেক সদস্য ও কর্মকর্তারা
মামলার এজাহারে যাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও যোগসাজশে নিয়োগের অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসির সাবেক সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম এবং মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান।
এ ছাড়া পিএসসির সাবেক সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন এবং তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব) মো. লোকমান আহমদের বিরুদ্ধেও এই জালিয়াতিতে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসা জালিয়াতির সুবিধাভোগী ৬ কর্মকর্তার মধ্যে রকিবুর রহমান খান (প্রশাসন ক্যাডার) বর্তমানে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের উপসচিব হিসেবে কর্মরত। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বাসিন্দা রকিবুর রহমান খান পিএসসির সদস্যদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোনো সনদপত্র না থাকা সত্ত্বেও ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পান। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দণ্ডবিধি আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলার সুপারিশ করা হয়েছে।
একইভাবে প্রশাসন ক্যাডারের আরেক কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বর্তমানে জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার (উপসচিব) হিসেবে কর্মরত আছেন। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ, তিনি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের সনদ ছাড়াই অসদুপায়ে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধেও একই ধারায় মামলা অনুমোদিত হয়েছে।
তালিকার তৃতীয় কর্মকর্তা নাহিদা বারিক (প্রশাসন ক্যাডার) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের উপসচিব হিসেবে কর্মরত, যার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার ডেমরায়। তিনিও জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।
পুলিশ ক্যাডারের খোরশেদ আলম বর্তমানে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ৬ এপিবিএনের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে কর্মরত। কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বাসিন্দা খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে কোনো বৈধ মুক্তিযোদ্ধা সনদ ছাড়াই প্রতারণার মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে নিয়মিত মামলার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারী পরিচালক হালিমা খাতুন (পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডার) এবং ঝিনাইদহের সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মিল্টন আলী বিশ্বাসও (সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার) একই অভিযোগে অভিযুক্ত।
ঝিনাইদহের শৈলকুপার বাসিন্দা হালিমা খাতুন এবং সদর উপজেলার বাসিন্দা মিল্টন আলী বিশ্বাস উভয়েই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ও সনদপত্র ছাড়াই যথাক্রমে পরিবার পরিকল্পনা ও শিক্ষা ক্যাডারে চাকরি নিয়েছেন বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৬ মাস পর নিয়ম বহির্ভূতভাবে এই ৬ প্রার্থীকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দুদকের উপপরিচালক আজিজুল হকের নেতৃত্বে গঠিত অনুসন্ধান টিম এই জালিয়াতির প্রমাণ পায় এবং মামলার সুপারিশ করলে কমিশন তা অনুমোদন দেয়।

বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভুয়া সনদের মাধ্যমে ক্যাডার পদে নিয়োগের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৬টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২৯তম বিসিএসে পিএসসির তৎকালীন সদস্য, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে ৬ প্রার্থীকে প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে নিয়োগ দেন। অথচ, অনুসন্ধানে এই প্রার্থীদের মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোনো বৈধ সনদপত্র পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের অনুসন্ধানে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ৬ কর্মকর্তা এবং তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িত পিএসসির তৎকালীন ১২ সদস্য ও ৩ পদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিটি নিয়োগের ঘটনায় পৃথক পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অভিযুক্ত পিএসসির সাবেক সদস্য ও কর্মকর্তারা
মামলার এজাহারে যাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও যোগসাজশে নিয়োগের অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসির সাবেক সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম এবং মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান।
এ ছাড়া পিএসসির সাবেক সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন এবং তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব) মো. লোকমান আহমদের বিরুদ্ধেও এই জালিয়াতিতে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসা জালিয়াতির সুবিধাভোগী ৬ কর্মকর্তার মধ্যে রকিবুর রহমান খান (প্রশাসন ক্যাডার) বর্তমানে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের উপসচিব হিসেবে কর্মরত। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বাসিন্দা রকিবুর রহমান খান পিএসসির সদস্যদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোনো সনদপত্র না থাকা সত্ত্বেও ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পান। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দণ্ডবিধি আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলার সুপারিশ করা হয়েছে।
একইভাবে প্রশাসন ক্যাডারের আরেক কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বর্তমানে জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার (উপসচিব) হিসেবে কর্মরত আছেন। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ, তিনি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের সনদ ছাড়াই অসদুপায়ে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধেও একই ধারায় মামলা অনুমোদিত হয়েছে।
তালিকার তৃতীয় কর্মকর্তা নাহিদা বারিক (প্রশাসন ক্যাডার) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের উপসচিব হিসেবে কর্মরত, যার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার ডেমরায়। তিনিও জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।
পুলিশ ক্যাডারের খোরশেদ আলম বর্তমানে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ৬ এপিবিএনের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে কর্মরত। কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বাসিন্দা খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে কোনো বৈধ মুক্তিযোদ্ধা সনদ ছাড়াই প্রতারণার মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে নিয়মিত মামলার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারী পরিচালক হালিমা খাতুন (পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডার) এবং ঝিনাইদহের সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মিল্টন আলী বিশ্বাসও (সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার) একই অভিযোগে অভিযুক্ত।
ঝিনাইদহের শৈলকুপার বাসিন্দা হালিমা খাতুন এবং সদর উপজেলার বাসিন্দা মিল্টন আলী বিশ্বাস উভয়েই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ও সনদপত্র ছাড়াই যথাক্রমে পরিবার পরিকল্পনা ও শিক্ষা ক্যাডারে চাকরি নিয়েছেন বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৬ মাস পর নিয়ম বহির্ভূতভাবে এই ৬ প্রার্থীকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দুদকের উপপরিচালক আজিজুল হকের নেতৃত্বে গঠিত অনুসন্ধান টিম এই জালিয়াতির প্রমাণ পায় এবং মামলার সুপারিশ করলে কমিশন তা অনুমোদন দেয়।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে