স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র যেসব সৈন্যকে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত বলে উল্লেখ করছে, তাদের মধ্যে কিছু সেনা ইরানের হাতে আটক অবস্থায় আছে বলে দাবি করেছেন ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই দাবি অস্বীকার করেছে। খবর আল জাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আলী লারিজানি লিখেছেন,’আমাকে জানানো হয়েছে যে কয়েকজন মার্কিন সৈন্যকে বন্দি করা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা যুদ্ধে নিহত হয়েছে। তাদের ব্যর্থ চেষ্টা সত্ত্বেও সত্য খুব বেশি দিন লুকিয়ে রাখা যাবে না।’
লারিজানির এই পোস্টের জবাবে মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, ‘ইরানের শাসনব্যবস্থা মিথ্যা প্রচার ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য যা পারে তাই করছে। এটি তার আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করার পর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ছয়জন সেনা নিহত হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।
ইরানের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে চলা এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে মধ্যে প্রায় ১৮০ জন শিশু রয়েছে, যারা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মিনাব-এর একটি স্কুলে হামলায় মারা যায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, স্কুলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাই আঘাত হেনেছিল। তবে শনিবার (৭ মার্চ) প্রেসিডেন্টের বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ ঘটনার জন্য ইরানকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘আমি যা দেখেছি তার ভিত্তিতে বলছি, এটা ইরানই করেছে।’
শনিবার তিনি দক্ষিণ ফ্লোরিডায় তার রিসোর্টে ডেলাওয়ারের ডোভার এয়ার ফোর্স বেস-এর মাধ্যমে যাতায়াত করেন। ওই ঘাঁটিতেই নিহত সেনাদের মরদেহ আনা হয়েছিল। ছয়জন সৈন্যই সকলেই রোববার (১ মার্চ) ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত হন।
তবে যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ট্রাম্প আশাবাদী সুরে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যতটা ভালো হওয়া সম্ভব, ততটাই ভালোভাবে এগোচ্ছে। আমরা যুদ্ধটা বড় ব্যবধানে জিতছি। আমরা তাদের পুরো ইভিল এম্পায়ার ধ্বংস করে দিয়েছি।’
ট্রাম্প এখনও ইরানে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। এছাড়া তিনি অনুমান করেছেন যে যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। অবশ্য ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সতর্ক করেছেন যে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ সমর্থকদের মধ্যেও বিভক্তি তৈরি করেছে। অনেকে তার নতুন সামরিক অভিযানে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সাবেক কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেইলর গ্রিনও বুধবার ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেন ‘ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন আর কোনো বিদেশি যুদ্ধ না করার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’ তিনি আরও সতর্ক করে বলেন যে এতে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।
শুক্রবার এন আর পি, সিবিএস এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান মারিস্ট-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন। ১ হাজার ৫৯১ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর করা ওই জরিপে ৫৬ শতাংশ মানুষ সংঘাতের বিরোধিতা করেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদক কিম্বারলি হালকেট বলেন, ‘গত এক সপ্তাহের সব জরিপের তথ্য অনুযায়ী এটি একটি অজনপ্রিয় যুদ্ধ।’ বেশিরভাগ আমেরিকান মনে করেন সম্ভাব্য প্রাণহানির দিক থেকে এই যুদ্ধ আমেরিকার জনগণ সমর্থন করে না।

যুক্তরাষ্ট্র যেসব সৈন্যকে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত বলে উল্লেখ করছে, তাদের মধ্যে কিছু সেনা ইরানের হাতে আটক অবস্থায় আছে বলে দাবি করেছেন ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই দাবি অস্বীকার করেছে। খবর আল জাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আলী লারিজানি লিখেছেন,’আমাকে জানানো হয়েছে যে কয়েকজন মার্কিন সৈন্যকে বন্দি করা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা যুদ্ধে নিহত হয়েছে। তাদের ব্যর্থ চেষ্টা সত্ত্বেও সত্য খুব বেশি দিন লুকিয়ে রাখা যাবে না।’
লারিজানির এই পোস্টের জবাবে মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, ‘ইরানের শাসনব্যবস্থা মিথ্যা প্রচার ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য যা পারে তাই করছে। এটি তার আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করার পর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ছয়জন সেনা নিহত হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।
ইরানের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে চলা এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে মধ্যে প্রায় ১৮০ জন শিশু রয়েছে, যারা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মিনাব-এর একটি স্কুলে হামলায় মারা যায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, স্কুলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাই আঘাত হেনেছিল। তবে শনিবার (৭ মার্চ) প্রেসিডেন্টের বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ ঘটনার জন্য ইরানকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘আমি যা দেখেছি তার ভিত্তিতে বলছি, এটা ইরানই করেছে।’
শনিবার তিনি দক্ষিণ ফ্লোরিডায় তার রিসোর্টে ডেলাওয়ারের ডোভার এয়ার ফোর্স বেস-এর মাধ্যমে যাতায়াত করেন। ওই ঘাঁটিতেই নিহত সেনাদের মরদেহ আনা হয়েছিল। ছয়জন সৈন্যই সকলেই রোববার (১ মার্চ) ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত হন।
তবে যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ট্রাম্প আশাবাদী সুরে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যতটা ভালো হওয়া সম্ভব, ততটাই ভালোভাবে এগোচ্ছে। আমরা যুদ্ধটা বড় ব্যবধানে জিতছি। আমরা তাদের পুরো ইভিল এম্পায়ার ধ্বংস করে দিয়েছি।’
ট্রাম্প এখনও ইরানে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। এছাড়া তিনি অনুমান করেছেন যে যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। অবশ্য ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সতর্ক করেছেন যে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ সমর্থকদের মধ্যেও বিভক্তি তৈরি করেছে। অনেকে তার নতুন সামরিক অভিযানে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সাবেক কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেইলর গ্রিনও বুধবার ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেন ‘ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন আর কোনো বিদেশি যুদ্ধ না করার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’ তিনি আরও সতর্ক করে বলেন যে এতে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।
শুক্রবার এন আর পি, সিবিএস এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান মারিস্ট-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন। ১ হাজার ৫৯১ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর করা ওই জরিপে ৫৬ শতাংশ মানুষ সংঘাতের বিরোধিতা করেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদক কিম্বারলি হালকেট বলেন, ‘গত এক সপ্তাহের সব জরিপের তথ্য অনুযায়ী এটি একটি অজনপ্রিয় যুদ্ধ।’ বেশিরভাগ আমেরিকান মনে করেন সম্ভাব্য প্রাণহানির দিক থেকে এই যুদ্ধ আমেরিকার জনগণ সমর্থন করে না।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে