স্ট্রিম ডেস্ক

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সরবরাহ করা অস্ত্রে পশ্চিমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। আজ বুধবার রাশান রেডিও স্পুটনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মারিয়া জাখারোভা বলেন, ‘কোনো চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা নয়। এটি আমাদের বিরুদ্ধে তাদের শুধু হাইব্রিড যুদ্ধের (শত্রুকে আক্রমণ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহার, যেমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করা ইত্যাদি) একটি উদ্যোগ। যুদ্ধের ফলাফল নিয়েও তাদের মাথাব্যাথা নেই। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই অস্ত্র সরবরাহের উপরেও।’
মারিয়া জাখারোভা জোর দিয়ে বলেন, ‘সঠিক তদারকিই পারে বিপজ্জনক অস্ত্রগুলোকে ভুল হাত থেকে রক্ষা করতে।’ কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন, এটি সরবরাহকারী পক্ষের বিরুদ্ধেও ব্যবহৃত হতে পারে।
রুশ এই কূটনীতিক বলেন, ‘তাদের কিছু যায় আসে না। তারা নিজেদের জিজ্ঞাসাও করছে না যে একই পরিমাণ অস্ত্রের মজুত ইতিমধ্যেই তাদের কাছে আছে কিনা। আর আমি কোনো ভিত্তি ছাড়া বলছি না। এই অস্ত্র দিয়ে কাদের হত্যা করা হচ্ছে, তারা এসব নিয়েও মাথা ঘামায় না। এমনকি এ নিয়েও ভাবছে না যে অস্ত্রের অনিয়ন্ত্রিত সরবরাহের কারণে তাদের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ঝামেলা হতে পারে।’
মারিয়া জাখারোভা উল্লেখ করেন, পশ্চিমের বর্তমান কৌশল হলো কিয়েভকে প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে হাইব্রিড যুদ্ধ চালানো। ন্যাটো এবং ইইউর রূপরেখার টেবিলে ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে আলোচনা করার সময় পশ্চিমারা শান্তির কথা বিবেচনা করছে না। এমনকি একটি প্রতীকী শান্তি প্রস্তাব দেওয়ার জন্যও কোনো উদ্যোগ নেই। শুধু আছে আগ্রাসন, অস্ত্র এবং সামরিক শক্তির সমর্থন।’

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সরবরাহ করা অস্ত্রে পশ্চিমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। আজ বুধবার রাশান রেডিও স্পুটনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মারিয়া জাখারোভা বলেন, ‘কোনো চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা নয়। এটি আমাদের বিরুদ্ধে তাদের শুধু হাইব্রিড যুদ্ধের (শত্রুকে আক্রমণ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহার, যেমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করা ইত্যাদি) একটি উদ্যোগ। যুদ্ধের ফলাফল নিয়েও তাদের মাথাব্যাথা নেই। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই অস্ত্র সরবরাহের উপরেও।’
মারিয়া জাখারোভা জোর দিয়ে বলেন, ‘সঠিক তদারকিই পারে বিপজ্জনক অস্ত্রগুলোকে ভুল হাত থেকে রক্ষা করতে।’ কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন, এটি সরবরাহকারী পক্ষের বিরুদ্ধেও ব্যবহৃত হতে পারে।
রুশ এই কূটনীতিক বলেন, ‘তাদের কিছু যায় আসে না। তারা নিজেদের জিজ্ঞাসাও করছে না যে একই পরিমাণ অস্ত্রের মজুত ইতিমধ্যেই তাদের কাছে আছে কিনা। আর আমি কোনো ভিত্তি ছাড়া বলছি না। এই অস্ত্র দিয়ে কাদের হত্যা করা হচ্ছে, তারা এসব নিয়েও মাথা ঘামায় না। এমনকি এ নিয়েও ভাবছে না যে অস্ত্রের অনিয়ন্ত্রিত সরবরাহের কারণে তাদের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ঝামেলা হতে পারে।’
মারিয়া জাখারোভা উল্লেখ করেন, পশ্চিমের বর্তমান কৌশল হলো কিয়েভকে প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে হাইব্রিড যুদ্ধ চালানো। ন্যাটো এবং ইইউর রূপরেখার টেবিলে ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে আলোচনা করার সময় পশ্চিমারা শান্তির কথা বিবেচনা করছে না। এমনকি একটি প্রতীকী শান্তি প্রস্তাব দেওয়ার জন্যও কোনো উদ্যোগ নেই। শুধু আছে আগ্রাসন, অস্ত্র এবং সামরিক শক্তির সমর্থন।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে