স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইরান সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির জ্বালানি স্থাপনায় কোনো ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ না চালানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, আগামী ৬ এপ্রিল রাত ৮টা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং বিভিন্ন ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যম’ ভুল খবর প্রচার করলেও এই আলোচনা বেশ ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এর আগে গত ২৩ মার্চ ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখবে মার্কিন বাহিনী।
এদিকে বৃহস্পতিবার ক্যাবিনেট মিটিং শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “ইরান যুদ্ধে কারা এগিয়ে আছে?” জবাবে ট্রাম্প হেসে বলেন, “ইরানকে আমাদের দেওয়া প্রস্তাব ভালোয় ভালোয় মেনে নিতে হবে। অন্যথায় তাঁদের ধ্বংস করে দেওয়া হবে।”
একই সময়ে ন্যাটো সম্পর্কে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রতি বছর ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করি ইউরোপের দেশগুলোকে রাশিয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। অথচ তাঁরা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। ন্যাটো নিয়ে এখন আমেরিকার নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক জাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ট্যাংকে সফল হামলার দাবি করেছে ইরানের সেনা সদর দপ্তর। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি সামরিক জাহাজ এবং ইসরায়েলের হাইফা বন্দরে তেলের ট্যাংকে এই হামলা চালানো হয়।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারিকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, “আল্লাহর দয়ায় আমরা সব আগ্রাসনকারী এবং অশুভ শক্তির উৎসকে শক্তিমত্তার সঙ্গে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
তথ্যসূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইরান সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির জ্বালানি স্থাপনায় কোনো ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ না চালানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, আগামী ৬ এপ্রিল রাত ৮টা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং বিভিন্ন ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যম’ ভুল খবর প্রচার করলেও এই আলোচনা বেশ ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এর আগে গত ২৩ মার্চ ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখবে মার্কিন বাহিনী।
এদিকে বৃহস্পতিবার ক্যাবিনেট মিটিং শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “ইরান যুদ্ধে কারা এগিয়ে আছে?” জবাবে ট্রাম্প হেসে বলেন, “ইরানকে আমাদের দেওয়া প্রস্তাব ভালোয় ভালোয় মেনে নিতে হবে। অন্যথায় তাঁদের ধ্বংস করে দেওয়া হবে।”
একই সময়ে ন্যাটো সম্পর্কে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রতি বছর ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করি ইউরোপের দেশগুলোকে রাশিয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। অথচ তাঁরা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। ন্যাটো নিয়ে এখন আমেরিকার নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক জাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ট্যাংকে সফল হামলার দাবি করেছে ইরানের সেনা সদর দপ্তর। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি সামরিক জাহাজ এবং ইসরায়েলের হাইফা বন্দরে তেলের ট্যাংকে এই হামলা চালানো হয়।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারিকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, “আল্লাহর দয়ায় আমরা সব আগ্রাসনকারী এবং অশুভ শক্তির উৎসকে শক্তিমত্তার সঙ্গে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
তথ্যসূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৫ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে