স্ট্রিম ডেস্ক

গ্রিনল্যান্ডের রাজনীতিকরা বলেছেন, তাঁরা আমেরিকান হতে চান না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে তাঁরা জানান, আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণই ঠিক করবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) গ্রিনল্যান্ড পার্লামেন্টের পাঁচটি রাজনৈতিক দল এক যৌথ বিবৃতিতে এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেবে, তা ‘ভালোয় ভালোয় হোক কিংবা কঠিন উপায়ে’।
বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডরিক নিলসেনসহ অন্য নেতারা বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, ড্যানিশও হতে চাই না; আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ আমাদেরই ঠিক করতে হবে।’
তাঁরা আরও বলেন, অন্য কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ডে নাক গলাতে পারে না। কোনো চাপ বা বাইরের হস্তক্ষেপ ছাড়াই তাঁরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবেন। বিবৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিউত বি এগেদেসহ শীর্ষ নেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া বা চীনকে এটি দখল করতে দেওয়া হবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। তিনি লিজ চুক্তির বদলে দ্বীপের পূর্ণ মালিকানা চান।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ট্রাম্পকে থামার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অধিকার নেই। তিনি সতর্ক করেন, এতে ন্যাটো জোট হুমকির মুখে পড়বে। জবাবে ট্রাম্প ন্যাটো বা গ্রিনল্যান্ড—প্রয়োজনে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।
জরিপ অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিপক্ষে। দ্বীপটিতে বিরল খনিজ সম্পদ এবং বিপুল তেল ও গ্যাসের মজুদ রয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেখানে রুশ ও চীনা জাহাজের আনাগোনা রয়েছে। তবে গ্রিনল্যান্ডের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা জেস বার্থেলসেন এই দাবি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
এর আগেও ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে গ্রিনল্যান্ড কেনার কথা বলেছিলেন। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ট্রাম্প সোশ্যাল ট্রুথে পোস্ট করে বলেছিলেন, ‘বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।’

গ্রিনল্যান্ডের রাজনীতিকরা বলেছেন, তাঁরা আমেরিকান হতে চান না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে তাঁরা জানান, আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণই ঠিক করবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) গ্রিনল্যান্ড পার্লামেন্টের পাঁচটি রাজনৈতিক দল এক যৌথ বিবৃতিতে এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেবে, তা ‘ভালোয় ভালোয় হোক কিংবা কঠিন উপায়ে’।
বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডরিক নিলসেনসহ অন্য নেতারা বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, ড্যানিশও হতে চাই না; আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ আমাদেরই ঠিক করতে হবে।’
তাঁরা আরও বলেন, অন্য কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ডে নাক গলাতে পারে না। কোনো চাপ বা বাইরের হস্তক্ষেপ ছাড়াই তাঁরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবেন। বিবৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিউত বি এগেদেসহ শীর্ষ নেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া বা চীনকে এটি দখল করতে দেওয়া হবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। তিনি লিজ চুক্তির বদলে দ্বীপের পূর্ণ মালিকানা চান।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ট্রাম্পকে থামার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অধিকার নেই। তিনি সতর্ক করেন, এতে ন্যাটো জোট হুমকির মুখে পড়বে। জবাবে ট্রাম্প ন্যাটো বা গ্রিনল্যান্ড—প্রয়োজনে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।
জরিপ অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিপক্ষে। দ্বীপটিতে বিরল খনিজ সম্পদ এবং বিপুল তেল ও গ্যাসের মজুদ রয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেখানে রুশ ও চীনা জাহাজের আনাগোনা রয়েছে। তবে গ্রিনল্যান্ডের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা জেস বার্থেলসেন এই দাবি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
এর আগেও ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে গ্রিনল্যান্ড কেনার কথা বলেছিলেন। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ট্রাম্প সোশ্যাল ট্রুথে পোস্ট করে বলেছিলেন, ‘বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে