স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের তিন সপ্তাহ পেরোনোর পর মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত মেরিন ও নৌসেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিন মার্কিন কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তাদের দুজন রয়টার্সকে জানান, সরাসরি ইরানের ভেতরে সেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে এই অঞ্চলে ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য যেকোনো অভিযানের সক্ষমতা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ইউএসএস বক্সার নামের উভচর আক্রমণকারী জাহাজ (অ্যাম্ফিবিয়াস অ্যাসাল্ট শিপ), এর মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট (এমইইউ) এবং আনুষঙ্গিক যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে।
নতুন করে এই সেনা মোতায়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত ৫০ হাজার মার্কিন সেনার শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ওই অঞ্চলে মোট দুটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট অবস্থান করবে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে পাঠানো প্রথম ইউনিট আগামী সপ্তাহেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ইউনিটগুলোকে বহুমুখী সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা যেতে পারে, যার মধ্যে জাহাজে থাকা উড়োজাহাজ ব্যবহার করে হামলা চালানো থেকে শুরু করে স্থলে সেনা মোতায়েনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তিনি ‘কোথাও’ সেনা পাঠাচ্ছেন না। তবে পাঠালেও তিনি সাংবাদিকদের সেটি জানাবেন না।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযানের পরবর্তী সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব বিকল্পের মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশের কেন্দ্রবিন্দু খার্গ দ্বীপে স্থলবাহিনী পাঠানোর মতো বিষয়গুলো ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচনায় রয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার সমাপ্ত রয়টার্স/ইপসসের এক জরিপে দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ট্রাম্প ইরানে বড় পরিসরে স্থলযুদ্ধের নির্দেশ দেবেন এবং মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ এই ধারণাকে সমর্থন করেন।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত ইরানের ভেতরে ৭ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং ৪০টির বেশি ইরানি মাইন স্থাপনকারী নৌযান ও ১১টি সাবমেরিন ধ্বংস করেছে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই সংঘাতের ব্যয় মেটাতে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন (২০ হাজার কোটি) ডলারেরও বেশি অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসকে প্রস্তাব দিয়েছে পেন্টাগন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের তিন সপ্তাহ পেরোনোর পর মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত মেরিন ও নৌসেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিন মার্কিন কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তাদের দুজন রয়টার্সকে জানান, সরাসরি ইরানের ভেতরে সেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে এই অঞ্চলে ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য যেকোনো অভিযানের সক্ষমতা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ইউএসএস বক্সার নামের উভচর আক্রমণকারী জাহাজ (অ্যাম্ফিবিয়াস অ্যাসাল্ট শিপ), এর মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট (এমইইউ) এবং আনুষঙ্গিক যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে।
নতুন করে এই সেনা মোতায়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত ৫০ হাজার মার্কিন সেনার শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ওই অঞ্চলে মোট দুটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট অবস্থান করবে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে পাঠানো প্রথম ইউনিট আগামী সপ্তাহেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ইউনিটগুলোকে বহুমুখী সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা যেতে পারে, যার মধ্যে জাহাজে থাকা উড়োজাহাজ ব্যবহার করে হামলা চালানো থেকে শুরু করে স্থলে সেনা মোতায়েনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তিনি ‘কোথাও’ সেনা পাঠাচ্ছেন না। তবে পাঠালেও তিনি সাংবাদিকদের সেটি জানাবেন না।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযানের পরবর্তী সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব বিকল্পের মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশের কেন্দ্রবিন্দু খার্গ দ্বীপে স্থলবাহিনী পাঠানোর মতো বিষয়গুলো ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচনায় রয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার সমাপ্ত রয়টার্স/ইপসসের এক জরিপে দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ট্রাম্প ইরানে বড় পরিসরে স্থলযুদ্ধের নির্দেশ দেবেন এবং মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ এই ধারণাকে সমর্থন করেন।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত ইরানের ভেতরে ৭ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং ৪০টির বেশি ইরানি মাইন স্থাপনকারী নৌযান ও ১১টি সাবমেরিন ধ্বংস করেছে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই সংঘাতের ব্যয় মেটাতে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন (২০ হাজার কোটি) ডলারেরও বেশি অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসকে প্রস্তাব দিয়েছে পেন্টাগন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
১৪ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৪ ঘণ্টা আগে