স্ট্রিম ডেস্ক

কূটনৈতিক আলোচনায় দ্বন্দ্ব মেটানোর কথা বলা হলেও ইরানে হামলা চালাতে সামরিক প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও সিবিএস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর পেন্টাগন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছে, তারা আগামী শনি অথবা রোববার ইরানে হামলা চালাতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার সব প্রস্তুতি শেষ হলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি। তবে হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অনেক যুক্তি ও কারণ থাকলেও, কূটনীতিই সব সময় আমাদের প্রথম পছন্দ।’ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তি করাই ইরানের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে সতর্কও করেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে তাদের উপস্থিতি দ্রুত বাড়াচ্ছে। উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, প্রায় ৮০টি যুদ্ধবিমানসহ বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ রোববার ইরানি উপকূল থেকে মাত্র ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডও এই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সিবিএস জানিয়েছে, ইরান পাল্টা হামলা চালালে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় পেন্টাগন ইতোমধ্যেই কাতার ও কুয়েতের ঘাঁটিগুলো থেকে কিছু মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘কোনো দেশই ইরানকে তার শান্তিপূর্ণ পরমাণু সমৃদ্ধকরণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।’ তিনি দাবি করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নিয়ম মেনেই চলছে এবং পরমাণু জ্বালানি উৎপাদন তাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার।
এর আগে মঙ্গলবার জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হলেও হোয়াইট হাউস জানায়, দু’পক্ষের অবস্থানে এখনও ‘বিশাল ব্যবধান’ রয়ে গেছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানা গেছে।
গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। তবে গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ক্ষতির পরিমাণ সামান্য এবং ইরান আবারও তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে। এ ছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবস্থার ওপর চোখ পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের। ইরানের পরমাণু কর্মসূচির পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার আধুনিকায়নও বন্ধ করতে চায় দেশ দুটি।

কূটনৈতিক আলোচনায় দ্বন্দ্ব মেটানোর কথা বলা হলেও ইরানে হামলা চালাতে সামরিক প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও সিবিএস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর পেন্টাগন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছে, তারা আগামী শনি অথবা রোববার ইরানে হামলা চালাতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার সব প্রস্তুতি শেষ হলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি। তবে হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অনেক যুক্তি ও কারণ থাকলেও, কূটনীতিই সব সময় আমাদের প্রথম পছন্দ।’ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তি করাই ইরানের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে সতর্কও করেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে তাদের উপস্থিতি দ্রুত বাড়াচ্ছে। উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, প্রায় ৮০টি যুদ্ধবিমানসহ বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ রোববার ইরানি উপকূল থেকে মাত্র ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডও এই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সিবিএস জানিয়েছে, ইরান পাল্টা হামলা চালালে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় পেন্টাগন ইতোমধ্যেই কাতার ও কুয়েতের ঘাঁটিগুলো থেকে কিছু মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘কোনো দেশই ইরানকে তার শান্তিপূর্ণ পরমাণু সমৃদ্ধকরণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।’ তিনি দাবি করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নিয়ম মেনেই চলছে এবং পরমাণু জ্বালানি উৎপাদন তাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার।
এর আগে মঙ্গলবার জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হলেও হোয়াইট হাউস জানায়, দু’পক্ষের অবস্থানে এখনও ‘বিশাল ব্যবধান’ রয়ে গেছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানা গেছে।
গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। তবে গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ক্ষতির পরিমাণ সামান্য এবং ইরান আবারও তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে। এ ছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবস্থার ওপর চোখ পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের। ইরানের পরমাণু কর্মসূচির পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার আধুনিকায়নও বন্ধ করতে চায় দেশ দুটি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৯ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে