মধ্য আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত আজোরেস দ্বীপপুঞ্জ পর্তুগালের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এই দ্বীপপুঞ্জের সাঁও মিগেল দ্বীপেই অবস্থিত ইউরোপের একমাত্র বাণিজ্যিক চা-বাগান। উনিশ শতকের শেষে ১৮৭৮ সালের দিকে, চা চাষের সূচনা হয় এখানে। সে সময় ব্রাজিলে কফি উৎপাদন কমে যাওয়ায় বিকল্প কৃষিপণ্য হিসেবে চায়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আজোরেসের আগ্নেয় মাটি, সারা বছর আর্দ্র আবহাওয়া ও নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু চা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এখানকার চা-বাগানগুলোতে কোনো রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না, ফলে চা পুরোপুরি প্রাকৃতিক ও জৈব স্বাদের।
আজ এই চা-বাগান শুধু কৃষি উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, বরং পর্যটনের একটি বড় আকর্ষণ। প্রকৃতি, ইতিহাস আর ইউরোপের একমাত্র চা-সংস্কৃতির মিলনে আজোরেসের এই ক্ষুদে দ্বীপ চা-প্রেমীদের কাছে এক বিশেষ গন্তব্য হয়ে উঠেছে। আজোরেস দ্বীপপুঞ্জ ঘুরে ছবিগুলো তুলেছেন তারেক অণু।
তারেক অণু


আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস। দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হয় সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।
৩ দিন আগে
রমজান মাসে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতিদিন জড়ো হন হাজারো রোজাদার। মসজিদ প্রাঙ্গণে বড় বড় থালায় সাজানো থাকে মুড়ি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি ও ফল। বিভিন্ন দাতব্য সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই গণইফতারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মানুষ অংশ নেন।
১৭ দিন আগে
অমর একুশে বইমেলায় শুক্রবার ছিল তৃতীয় শিশুপ্রহর। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের শিশু চত্বরে সকাল থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে শিশু-কিশোরেরা; সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকেরাও। ছোটদের জন্য সাজানো এই বিশেষ সময়ে বায়োস্কোপ, পাপেট থিয়েটার, গল্প বলা, ছবি আঁকা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
২৩ দিন আগে
বসন্তের আবহে দোল পূর্ণিমা ও হোলি উৎসবে প্রেমের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠেছে চারপাশ। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা রঙ উড়িয়ে ও নাচানাচির মাধ্যমে উদযাপন করছেন আনন্দের এই আয়োজন।
০৪ মার্চ ২০২৬