সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার ওপর সাম্প্রতিক সহিংস আক্রমণের প্রতিবাদে ‘গানে গানে সংহতি-সমাবেশ’ করেছে দেশের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। মঙ্গলবার বিকেল চারটায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের সামনে এ সংহতি-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ছায়ানটে ভাঙচুর ও লুটপাটের বিরুদ্ধে সংস্কৃতিবিরোধী অপশক্তি রুখে দেওয়ার বার্তা দেয় তারা।
ছায়ানটের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে সংগীতকে প্রতিবাদ ও সংহতির ভাষা হিসেবে তুলে ধরা হয়। এতে দেশের বিশিষ্ট শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিসেবী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষ অংশ নেন। গানে গানে প্রতিবাদ জানায় শিশু কিশোরসহ নানা বয়সের মানুষেরা।
আশরাফুল আলম
নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন শিল্পীরা
ভবনের সামনের সড়কে গান গাইছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ
বাংলাদেশের পতাকা হাতে গান গাইছে এক শিশু
মায়ের সঙ্গে জাতীয় সংগীত গাইছে এক শিশু
একসাথে গান গাচ্ছে ছোট বড় সবাই
মোবাইল ফোনে গানের ভিডিও ধারণ করছেন এক নারী
শিল্পীর গায়ে মুক্তিযুদ্ধের পোস্টার সম্মিলিত জামা
গানে গানে প্রতিবাদ
ছায়ানট ভবনের সামনে জড়ো হওয়া বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ

আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস। দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হয় সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।
৩ দিন আগে
রমজান মাসে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতিদিন জড়ো হন হাজারো রোজাদার। মসজিদ প্রাঙ্গণে বড় বড় থালায় সাজানো থাকে মুড়ি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি ও ফল। বিভিন্ন দাতব্য সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই গণইফতারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মানুষ অংশ নেন।
১৮ দিন আগে
অমর একুশে বইমেলায় শুক্রবার ছিল তৃতীয় শিশুপ্রহর। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের শিশু চত্বরে সকাল থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে শিশু-কিশোরেরা; সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকেরাও। ছোটদের জন্য সাজানো এই বিশেষ সময়ে বায়োস্কোপ, পাপেট থিয়েটার, গল্প বলা, ছবি আঁকা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
২৩ দিন আগে
বসন্তের আবহে দোল পূর্ণিমা ও হোলি উৎসবে প্রেমের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠেছে চারপাশ। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা রঙ উড়িয়ে ও নাচানাচির মাধ্যমে উদযাপন করছেন আনন্দের এই আয়োজন।
০৪ মার্চ ২০২৬