বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর যেমন একটু ধীর হয়ে যায়, তেমনি মস্তিষ্কের কাজের গতি কিছুটা কমে। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। স্নায়ুবিজ্ঞানীরা বলেন, শরীর ভালো রাখতে যেমন ব্যায়াম দরকার, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে দরকার কিছু ‘মানসিক ব্যায়াম’। কয়েকটি সহজ অভ্যাস স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।
স্ট্রিম ডেস্ক

হয়তো ড্রয়িংরুম থেকে রান্নাঘরে গেলেন কিছু একটা আনতে, কিন্তু গিয়ে মনে করতে পারছেন না কেন এসেছিলেন। কিংবা পরিচিত কারো নাম মনে করতে গিয়ে আটকে গেলেন। এমন ঘটনা ৪০ বা ৫০ বছর বয়সের পর অনেকের সঙ্গেই ঘটে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর যেমন একটু ধীর হয়ে যায়, তেমনি মস্তিষ্কের কাজের গতি কিছুটা কমে। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
স্নায়ুবিজ্ঞানীরা বলেন, শরীর ভালো রাখতে যেমন ব্যায়াম দরকার, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে দরকার কিছু ‘মানসিক ব্যায়াম’। কয়েকটি সহজ অভ্যাস স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।
বই বা পত্রিকা পড়ার সময় শুধু মনে মনে পড়বেন না। সুযোগ থাকলে একটু শব্দ করে বা জোরে পড়ুন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা যখন কোনো কিছু জোরে পড়ি, তখন আমরা একই সঙ্গে সেটা দেখি, বলি এবং নিজের কানে শুনি।
এই তিনটি কাজ একসঙ্গে হয় বলে সেই তথ্যটা মস্তিষ্কে গেঁথে যায় সহজে। তাই কিছু মনে রাখতে চাইলে তা নিজেকেই শুনিয়ে পড়ুন।
বয়স বাড়লে চট করে নতুন তথ্য মনে রাখা কঠিন হতে পারে। ধরুন নতুন কারো সঙ্গে পরিচয় হলো, যার নামটা মনে রাখতে চান। তাহলে নামটা শোনার পর মনে মনে কয়েকবার আওড়ে নিন।
এরপর কিছুক্ষণ অন্য কাজ করে আবার নামটা মনে করার চেষ্টা করুন। এই যে ‘বিরতি দিয়ে পুনরায় মনে করা’, এতেই তথ্যটা আপনার দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি বা লং টার্ম মেমোরিতে জমা হতে পারে।
খটমটে কোনো বিষয় বা লম্বা ফর্দ মনে রাখতে ছোটবেলার মতো মজার কোনো ছন্দ বা সংকেত ব্যবহার করতে পারেন। যেমন রংধনুর সাতটি রং মনে রাখতে আমরা বলি ‘বেনীআসহকলা’।

একইভাবে বাজারের লম্বা লিস্ট বা জরুরি কোনো পাসওয়ার্ড মনে রাখতে মজার কোনো শব্দ বা কাল্পনিক ছবি মনে মনে তৈরি করে নিন। বিষয়টা যত অদ্ভুত বা মজার হবে, মস্তিষ্ক সেটা তত দ্রুত মনে রাখবে।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ স্মৃতিশক্তির জন্য ভালো নয়। যখন আমরা খুব চাপের মধ্যে থাকি, তখন মস্তিষ্ক ঠিকভাবে তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে না।
তাই যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করা উচিত। গান শোনা, বই পড়া, বাগান করা বা মেডিটেশনের মতো কাজ মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। মন ভালো থাকলে স্মৃতিও পরিষ্কার থাকে
মস্তিষ্ক ভালো রাখতে যে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, খুব ভারী ব্যায়ামের চেয়ে নিয়মিত হালকা স্ট্রেচিং বা হাত-পা টানটান করাও মস্তিষ্কের জন্য দারুণ কার্যকর হতে পারে।
যারা অলস বসে না থেকে সারা দিন টুকটাক কাজের মধ্যে থাকেন বা হাঁটাচলা করেন, তাঁদের মস্তিষ্ক তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় থাকে।
পত্রিকার পাতায় অনেকেই শব্দজট বা সুডোকু মিলিয়ে থাকেন। এই অভ্যাসটি স্মরণশক্তির জন্য দারুণ সহায়ক হতে পারে। এই খেলা অনেকটা মস্তিষ্কের ওয়ার্কআউ্টের মতো। প্রতিদিন কিছুক্ষণ দাবা খেলা বা কোনো পাজল সলভ করা আপনার মেধা ও স্মৃতি—দুইয়ের জন্যই ইতিবাচক হতে পারে।
মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নতুন কিছু শেখা। সেটা হতে পারে নতুন কোনো ভাষা শেখা, ছবি আঁকা কিংবা কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানো।
আপনি যখন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন, তখন মস্তিষ্কের নিউরনগুলো নতুন করে সংযোগ তৈরি করে। নিজেকে যত নতুন কাজে ব্যস্ত রাখবেন, আপনার মস্তিষ্ক তত কার্যকর থাকবে। সব মিলিয়ে বলা যায়, বয়স বাড়লে কিছুটা ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে স্মরণশক্তি দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।

হয়তো ড্রয়িংরুম থেকে রান্নাঘরে গেলেন কিছু একটা আনতে, কিন্তু গিয়ে মনে করতে পারছেন না কেন এসেছিলেন। কিংবা পরিচিত কারো নাম মনে করতে গিয়ে আটকে গেলেন। এমন ঘটনা ৪০ বা ৫০ বছর বয়সের পর অনেকের সঙ্গেই ঘটে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর যেমন একটু ধীর হয়ে যায়, তেমনি মস্তিষ্কের কাজের গতি কিছুটা কমে। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
স্নায়ুবিজ্ঞানীরা বলেন, শরীর ভালো রাখতে যেমন ব্যায়াম দরকার, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে দরকার কিছু ‘মানসিক ব্যায়াম’। কয়েকটি সহজ অভ্যাস স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।
বই বা পত্রিকা পড়ার সময় শুধু মনে মনে পড়বেন না। সুযোগ থাকলে একটু শব্দ করে বা জোরে পড়ুন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা যখন কোনো কিছু জোরে পড়ি, তখন আমরা একই সঙ্গে সেটা দেখি, বলি এবং নিজের কানে শুনি।
এই তিনটি কাজ একসঙ্গে হয় বলে সেই তথ্যটা মস্তিষ্কে গেঁথে যায় সহজে। তাই কিছু মনে রাখতে চাইলে তা নিজেকেই শুনিয়ে পড়ুন।
বয়স বাড়লে চট করে নতুন তথ্য মনে রাখা কঠিন হতে পারে। ধরুন নতুন কারো সঙ্গে পরিচয় হলো, যার নামটা মনে রাখতে চান। তাহলে নামটা শোনার পর মনে মনে কয়েকবার আওড়ে নিন।
এরপর কিছুক্ষণ অন্য কাজ করে আবার নামটা মনে করার চেষ্টা করুন। এই যে ‘বিরতি দিয়ে পুনরায় মনে করা’, এতেই তথ্যটা আপনার দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি বা লং টার্ম মেমোরিতে জমা হতে পারে।
খটমটে কোনো বিষয় বা লম্বা ফর্দ মনে রাখতে ছোটবেলার মতো মজার কোনো ছন্দ বা সংকেত ব্যবহার করতে পারেন। যেমন রংধনুর সাতটি রং মনে রাখতে আমরা বলি ‘বেনীআসহকলা’।

একইভাবে বাজারের লম্বা লিস্ট বা জরুরি কোনো পাসওয়ার্ড মনে রাখতে মজার কোনো শব্দ বা কাল্পনিক ছবি মনে মনে তৈরি করে নিন। বিষয়টা যত অদ্ভুত বা মজার হবে, মস্তিষ্ক সেটা তত দ্রুত মনে রাখবে।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ স্মৃতিশক্তির জন্য ভালো নয়। যখন আমরা খুব চাপের মধ্যে থাকি, তখন মস্তিষ্ক ঠিকভাবে তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে না।
তাই যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করা উচিত। গান শোনা, বই পড়া, বাগান করা বা মেডিটেশনের মতো কাজ মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। মন ভালো থাকলে স্মৃতিও পরিষ্কার থাকে
মস্তিষ্ক ভালো রাখতে যে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, খুব ভারী ব্যায়ামের চেয়ে নিয়মিত হালকা স্ট্রেচিং বা হাত-পা টানটান করাও মস্তিষ্কের জন্য দারুণ কার্যকর হতে পারে।
যারা অলস বসে না থেকে সারা দিন টুকটাক কাজের মধ্যে থাকেন বা হাঁটাচলা করেন, তাঁদের মস্তিষ্ক তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় থাকে।
পত্রিকার পাতায় অনেকেই শব্দজট বা সুডোকু মিলিয়ে থাকেন। এই অভ্যাসটি স্মরণশক্তির জন্য দারুণ সহায়ক হতে পারে। এই খেলা অনেকটা মস্তিষ্কের ওয়ার্কআউ্টের মতো। প্রতিদিন কিছুক্ষণ দাবা খেলা বা কোনো পাজল সলভ করা আপনার মেধা ও স্মৃতি—দুইয়ের জন্যই ইতিবাচক হতে পারে।
মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নতুন কিছু শেখা। সেটা হতে পারে নতুন কোনো ভাষা শেখা, ছবি আঁকা কিংবা কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানো।
আপনি যখন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন, তখন মস্তিষ্কের নিউরনগুলো নতুন করে সংযোগ তৈরি করে। নিজেকে যত নতুন কাজে ব্যস্ত রাখবেন, আপনার মস্তিষ্ক তত কার্যকর থাকবে। সব মিলিয়ে বলা যায়, বয়স বাড়লে কিছুটা ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে স্মরণশক্তি দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে