ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের গড়ে ২-২.৫ লিটার পানি পান করা উচিত। অনেকেই ইফতার ও সেহরির সময় একবারে অনেক বেশি পানি খেয়ে নেন যা একদম ঠিক নয়। ধাপে ধাপে পানি পান করে শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে।
স্ট্রিম ডেস্ক

ফাল্গুনের শুরুতেই শুরু হয়েছে মাহে রমজান। এবারের রোজায় তাই তীব্র গরমে কষ্ট পাওয়ার সম্ভাবনা কম। যেহেতু বসন্তকালে রোদের তেজ তুলনামূলক কম থাকে, তাই রোজায় পানির পিপাসাও গ্রীষ্মকালের চেয়ে কম অনুভূত হবে। তবে তৃষ্ণা না পেলেও ভুলে গেলে চলবে না পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার কথা। কারণ সারাদিন পানি পান না করার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত আপনাকে এমনভাবে পানি ও তরল খাবার খেতে হবে, যাতে পানির চাহিদা এই সময়টুকুতেই মেটানো সম্ভব হয়। দেহে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখতে পানি খেতে হবে ধাপে ধাপে। শুধু পানি খেলেই চলবে না, পানির পাশাপাশি তরল খাবার ও ফলমূলও খেতে হবে, যাতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পানি মজুদ থাকে দীর্ঘক্ষণ।
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের গড়ে ২-২.৫ লিটার পানি পান করা উচিত। অনেকেই ইফতার ও সেহরির সময় একবারে অনেক বেশি পানি খেয়ে নেন যা একদম ঠিক নয়। ধাপে ধাপে পানি পান করে শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে।
প্রতিবেলা খাওয়ার ১০ মিনিট আগে ও পরে পানি পান করুন। খাওয়ার মাঝে পানি পান না করাই ভালো।
পানিশূন্যতা দূর করতে পানি পান করার পাশাপাশি নানা রকম তরল খাবার ও পানীয় খেতে পারেন। লেবুপানি, ডাবের পানি, চিড়ার পানি, শরবত, দুধ, মিল্কশেক—এসবে আপনার পানির চাহিদা মিটবে। চিয়া সিড বা তোকমা দানা ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটিও খেতে পারেন ইফতারে।
এ ছাড়া, শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার অন্যতম উপায় হলো ইফতারে বিভিন্ন পদের ফল রাখা। রাতে ইফতারের ঘণ্টাখানেক পর দু-একটি আস্ত ফলও খেতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, এমন ফল খাওয়া যাবে না যা আপনার পেটে গ্যাসের উদ্রেক করে।
আপেল, নাশপাতি, পেঁপে, কলা প্রভৃতি ফল খাবেন। সালাদ হিসেবে শসা ও টমেটো খাওয়াও ভালো। ভাতের সঙ্গে যেকোনো তরকারির ঝোল খেতে পারেন। লাউ, কাঁচা পেঁপে বা চালকুমড়ার তরকারি খাওয়া পেটের জন্য দারুণ স্বস্তিদায়ক। তরল খাবার হিসেবে ডাল রাখতে পারেন রাতের খাবার ও সেহরির জন্য।
ইফতার করার পর আমরা অনেকেই চা, কফি খাই বেশি পরিমাণে। এসব ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ে যা দেহ থেকে দ্রুত পানি বের করে দিতে পারে।
তবে অনেকেই আবার চা-কফির প্রতি নির্ভরশীল। তাই চা-কফি একেবারে বাদ দেওয়াটা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাঁরা ইফতারের পর অল্প চা-কফি খেতে পারেন। তাহলে পানির ঘাটতি পূরণ করার সময় পাবেন রাতে, আবার রাতের ঘুমের তেমন ব্যাঘাতও ঘটবে না। তবে সেহরিতে চা, কফি, কোমলপানীয় বা চকলেটমিশ্রিত পানীয় না খাওয়াই ভালো।
শরীরে পানির চাহিদা পূরণ হচ্ছে কি-না তা বোঝার জন্য প্রস্রাবের সময় এর রং ও পরিমাণ খেয়াল করুন। গাঢ় রঙের প্রস্রাব পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের পরিমাণও কমে যেতে পারে। মুখ ও ত্বক শুষ্ক হওয়া, চোখ বসে যাওয়া প্রভৃতি সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এমন সমস্যা দেখা দিলে বুঝবেন, আজ ইফতারের সময় থেকে পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে।

ফাল্গুনের শুরুতেই শুরু হয়েছে মাহে রমজান। এবারের রোজায় তাই তীব্র গরমে কষ্ট পাওয়ার সম্ভাবনা কম। যেহেতু বসন্তকালে রোদের তেজ তুলনামূলক কম থাকে, তাই রোজায় পানির পিপাসাও গ্রীষ্মকালের চেয়ে কম অনুভূত হবে। তবে তৃষ্ণা না পেলেও ভুলে গেলে চলবে না পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার কথা। কারণ সারাদিন পানি পান না করার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত আপনাকে এমনভাবে পানি ও তরল খাবার খেতে হবে, যাতে পানির চাহিদা এই সময়টুকুতেই মেটানো সম্ভব হয়। দেহে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখতে পানি খেতে হবে ধাপে ধাপে। শুধু পানি খেলেই চলবে না, পানির পাশাপাশি তরল খাবার ও ফলমূলও খেতে হবে, যাতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পানি মজুদ থাকে দীর্ঘক্ষণ।
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের গড়ে ২-২.৫ লিটার পানি পান করা উচিত। অনেকেই ইফতার ও সেহরির সময় একবারে অনেক বেশি পানি খেয়ে নেন যা একদম ঠিক নয়। ধাপে ধাপে পানি পান করে শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে।
প্রতিবেলা খাওয়ার ১০ মিনিট আগে ও পরে পানি পান করুন। খাওয়ার মাঝে পানি পান না করাই ভালো।
পানিশূন্যতা দূর করতে পানি পান করার পাশাপাশি নানা রকম তরল খাবার ও পানীয় খেতে পারেন। লেবুপানি, ডাবের পানি, চিড়ার পানি, শরবত, দুধ, মিল্কশেক—এসবে আপনার পানির চাহিদা মিটবে। চিয়া সিড বা তোকমা দানা ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটিও খেতে পারেন ইফতারে।
এ ছাড়া, শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার অন্যতম উপায় হলো ইফতারে বিভিন্ন পদের ফল রাখা। রাতে ইফতারের ঘণ্টাখানেক পর দু-একটি আস্ত ফলও খেতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, এমন ফল খাওয়া যাবে না যা আপনার পেটে গ্যাসের উদ্রেক করে।
আপেল, নাশপাতি, পেঁপে, কলা প্রভৃতি ফল খাবেন। সালাদ হিসেবে শসা ও টমেটো খাওয়াও ভালো। ভাতের সঙ্গে যেকোনো তরকারির ঝোল খেতে পারেন। লাউ, কাঁচা পেঁপে বা চালকুমড়ার তরকারি খাওয়া পেটের জন্য দারুণ স্বস্তিদায়ক। তরল খাবার হিসেবে ডাল রাখতে পারেন রাতের খাবার ও সেহরির জন্য।
ইফতার করার পর আমরা অনেকেই চা, কফি খাই বেশি পরিমাণে। এসব ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ে যা দেহ থেকে দ্রুত পানি বের করে দিতে পারে।
তবে অনেকেই আবার চা-কফির প্রতি নির্ভরশীল। তাই চা-কফি একেবারে বাদ দেওয়াটা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাঁরা ইফতারের পর অল্প চা-কফি খেতে পারেন। তাহলে পানির ঘাটতি পূরণ করার সময় পাবেন রাতে, আবার রাতের ঘুমের তেমন ব্যাঘাতও ঘটবে না। তবে সেহরিতে চা, কফি, কোমলপানীয় বা চকলেটমিশ্রিত পানীয় না খাওয়াই ভালো।
শরীরে পানির চাহিদা পূরণ হচ্ছে কি-না তা বোঝার জন্য প্রস্রাবের সময় এর রং ও পরিমাণ খেয়াল করুন। গাঢ় রঙের প্রস্রাব পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের পরিমাণও কমে যেতে পারে। মুখ ও ত্বক শুষ্ক হওয়া, চোখ বসে যাওয়া প্রভৃতি সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এমন সমস্যা দেখা দিলে বুঝবেন, আজ ইফতারের সময় থেকে পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে