হাতে বই কিংবা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণ পরই চোখ চলে যায় স্মার্টফোনে। সিনেমা দেখতে বসেও কয়েক মিনিটের মধ্যে অন্য কনটেন্টে চলে যাওয়ার অভ্যাস এখন পরিচিত দৃশ্য। এই অস্থির মনোযোগ ও দ্রুত বিষয় বদলের প্রবণতাকেই আধুনিক মনোবিজ্ঞানে বলা হচ্ছে ‘পপকর্ন ব্রেইন’। কিন্তু কেন আমাদের মনোযোগের স্থায়িত্বকাল কমে যাচ্ছে?
ফাবিহা বিনতে হক

হাতে একটা বই নিয়ে পড়ার চেষ্টা করছেন কিংবা অফিসের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে চোখ রেখেছেন, কিন্তু দুই মিনিট যেতে না যেতেই হাত নিশপিশ করছে স্মার্টফোনটির জন্য? কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিনেমা দেখতে বসে দশ মিনিটের মাথায় ধৈর্য হারিয়ে অন্য কোনো ভিডিওতে চলে যাচ্ছেন?
আমাদের মস্তিষ্কের এই যে অস্থিরতা, আধুনিক মনোবিজ্ঞানে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘পপকর্ন ব্রেইন’। এটি মূলত কোনো রোগ নয়, বরং আধুনিক ডিজিটাল আচরণের একটি ব্যাখ্যামূলক ধারণা। কিন্তু কেন আমাদের মনোযোগের স্থায়িত্বকাল কমে যাচ্ছে। আর এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব-ই বা কী?
পপকর্ন ভাজার সময় ভুট্টার দানাগুলো যেমন উত্তাপে কড়াইয়ের এপাশ থেকে ওপাশে অনবরত লাফাতে থাকে, ঠিক তেমনই আমাদের চিন্তাশক্তি যখন স্থির হতে পারে না এবং এক বিষয় থেকে আরেক বিষয়ে স্থানান্তর হতে থাকে, তখন সেই অবস্থাকে ‘পপকর্ন ব্রেইন’ বলা হয়। ২০১১ সালে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্কুলের গবেষক ডেভিড লেভি প্রথম এই পরিভাষাটি ব্যবহার করেন।
তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে অতিরিক্ত ডিজিটাল সংযোগ এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের চাপে আমাদের মস্তিষ্ক দীর্ঘক্ষণ কোনো একটি বিষয়ে স্থির থাকার সক্ষমতা হারাচ্ছে। মস্তিষ্ক এখন দ্রুতগতির সঙ্গে তীব্র উত্তেজনার খোঁজে থাকে। এর মূল কারণ হলো ডোপামিন নামের এক প্রকার নিউরোট্রান্সমিটার।
সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিটি লাইক, কমেন্ট বা রিলস আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিনের ছোট ছোট বিস্ফোরণ ঘটায়। এই তাৎক্ষণিক ভালোলাগার অনুভূতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া মস্তিষ্ক তখন ধীরগতির কোনো কাজে আনন্দ পায় না। কারণ, সেখানে ডোপামিনের ক্ষরণ হয় ধীরে। ফলে আমরা অবচেতনভাবেই বাস্তব জীবনকে ‘বোরিং’ বা বিরক্তিকর মনে করতে শুরু করি।
মানুষের মনোযোগের ব্যাপ্তি বা অ্যাটেনশন স্প্যান নিয়ে গত দুই দশক ধরে চলা গবেষণাগুলো আমাদের জন্য অশনিসংকেত দিচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (আরভাইন) চ্যান্সেলরস প্রফেসর গ্লোরিয়া মার্ক দীর্ঘ সময় ধরে ডিজিটাল যুগে মানুষের মনোযোগ নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁর গবেষণার ফলাফল বলছে, ২০০৪ সালেও মানুষ কোনো একটি ডিজিটাল স্ক্রিনে বা কাজে গড়ে আড়াই মিনিট একটানা মনোযোগ দিতে পারত। অথচ বর্তমানে সেই সময় কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৭ সেকেন্ডে।
অর্থাৎ, আমরা এখন কোনো কাজে এক মিনিটের কম সময় স্থির থাকতে পারছি। এরপরই আমাদের মস্তিষ্ক নতুন কোনো তথ্যের জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠে।
প্রযুক্তির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের পাশাপাশি যোগ হয়েছে আমাদের মাল্টিটাস্কিং প্রবণতা। আমরা অনেকেই গর্ব করে বলি যে আমরা মাল্টিটাস্কিং বা একসঙ্গে অনেক কাজ করতে পারি। কিন্তু গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজেদের হেভি মাল্টিটাস্কার মনে করেন, তাঁদের অনেকেই আসলে কোনো কাজই দক্ষতার সঙ্গে করতে পারেন না। যখন আমরা দ্রুত এক অ্যাপ থেকে আরেক অ্যাপে বা কাজ থেকে কাজে সুইচ করি, তখন মস্তিষ্কের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। একে বলা হয় ‘সুইচিং কস্ট’।
এর ফলে আমাদের আইকিউ সাময়িকভাবে কমে যায় এবং ভুল করার প্রবণতা বেড়ে যায়। গবেষকরা বলছেন, এই ক্রমাগত মনোযোগ পরিবর্তনের ফলে মস্তিষ্কের গভীর চিন্তার সঙ্গে যুক্ত অংশগুলোর কার্যক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে। মস্তিষ্কের যে অংশটি গভীর চিন্তা ও বিশ্লেষণের জন্য দায়ী, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে সেই অংশের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।
তবে পপকর্ন ব্রেইনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমাদের গভীরভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা। একে বলা হচ্ছে ‘ডেপথ অব থট’-এর সংকট। আমরা এখন কোনো কিছু পড়ি না, শুধু স্কিম করি বা চোখ বুলিয়ে যাই। এর ফলে কোনো তথ্যই আমাদের দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে বা লং-টার্ম মেমোরিতে জমা হচ্ছে না।
ফলে আমরা তথ্যের সাগরে ভাসছি ঠিকই, কিন্তু জ্ঞানের গভীরতা অর্জন করতে পারছি না। এছাড়া সারাক্ষণ অনলাইনে থাকার ফলে আমাদের মধ্যে ‘উদ্বেগ’ বা এনজাইটি এবং একাকিত্ব বাড়ছ। অফলাইনে থাকলেই মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে, যাকে বলা হয় ফোমো।
যুক্তরাজ্যের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফকমের ২০১৮ সালের এক গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, মানুষ জাগ্রত অবস্থায় গড়ে প্রতি ১২ মিনিটে একবার তাঁদের স্মার্টফোন চেক করে। একাধিক জরিপভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ ফোন কাছাকাছি না থাকলে উদ্বেগ অনুভব করেন। যদিও এর মধ্যে অনেকেই ফোন কাছে থাকলে নিজেকে নিরাপদ মনে করেন।
মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মাইন্ডটুলসের মতে, মানুষের কাজের পরিবেশ, মানসিক অবস্থা ও পুষ্টি, এই কয়েকটি বিষয়ই মূলত মনোযোগের ওপর প্রভাব বিস্তার করে।
মনোযোগ বাড়াতে কাজের সময় ছোট ছোট বিরতি, নিজেকে পুরস্কার দেওয়া, কাজের গুরুত্ব নির্ধারণ, একই সময়ে শুধু একটি কাজের ওপর মনোযোগ নিবিষ্ট রাখার কথা বলা হয়েছে এই ওয়েবসাইটে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম মনোযোগ বৃদ্ধি করে বলে বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়।

হাতে একটা বই নিয়ে পড়ার চেষ্টা করছেন কিংবা অফিসের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে চোখ রেখেছেন, কিন্তু দুই মিনিট যেতে না যেতেই হাত নিশপিশ করছে স্মার্টফোনটির জন্য? কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিনেমা দেখতে বসে দশ মিনিটের মাথায় ধৈর্য হারিয়ে অন্য কোনো ভিডিওতে চলে যাচ্ছেন?
আমাদের মস্তিষ্কের এই যে অস্থিরতা, আধুনিক মনোবিজ্ঞানে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘পপকর্ন ব্রেইন’। এটি মূলত কোনো রোগ নয়, বরং আধুনিক ডিজিটাল আচরণের একটি ব্যাখ্যামূলক ধারণা। কিন্তু কেন আমাদের মনোযোগের স্থায়িত্বকাল কমে যাচ্ছে। আর এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব-ই বা কী?
পপকর্ন ভাজার সময় ভুট্টার দানাগুলো যেমন উত্তাপে কড়াইয়ের এপাশ থেকে ওপাশে অনবরত লাফাতে থাকে, ঠিক তেমনই আমাদের চিন্তাশক্তি যখন স্থির হতে পারে না এবং এক বিষয় থেকে আরেক বিষয়ে স্থানান্তর হতে থাকে, তখন সেই অবস্থাকে ‘পপকর্ন ব্রেইন’ বলা হয়। ২০১১ সালে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্কুলের গবেষক ডেভিড লেভি প্রথম এই পরিভাষাটি ব্যবহার করেন।
তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে অতিরিক্ত ডিজিটাল সংযোগ এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের চাপে আমাদের মস্তিষ্ক দীর্ঘক্ষণ কোনো একটি বিষয়ে স্থির থাকার সক্ষমতা হারাচ্ছে। মস্তিষ্ক এখন দ্রুতগতির সঙ্গে তীব্র উত্তেজনার খোঁজে থাকে। এর মূল কারণ হলো ডোপামিন নামের এক প্রকার নিউরোট্রান্সমিটার।
সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিটি লাইক, কমেন্ট বা রিলস আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিনের ছোট ছোট বিস্ফোরণ ঘটায়। এই তাৎক্ষণিক ভালোলাগার অনুভূতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া মস্তিষ্ক তখন ধীরগতির কোনো কাজে আনন্দ পায় না। কারণ, সেখানে ডোপামিনের ক্ষরণ হয় ধীরে। ফলে আমরা অবচেতনভাবেই বাস্তব জীবনকে ‘বোরিং’ বা বিরক্তিকর মনে করতে শুরু করি।
মানুষের মনোযোগের ব্যাপ্তি বা অ্যাটেনশন স্প্যান নিয়ে গত দুই দশক ধরে চলা গবেষণাগুলো আমাদের জন্য অশনিসংকেত দিচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (আরভাইন) চ্যান্সেলরস প্রফেসর গ্লোরিয়া মার্ক দীর্ঘ সময় ধরে ডিজিটাল যুগে মানুষের মনোযোগ নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁর গবেষণার ফলাফল বলছে, ২০০৪ সালেও মানুষ কোনো একটি ডিজিটাল স্ক্রিনে বা কাজে গড়ে আড়াই মিনিট একটানা মনোযোগ দিতে পারত। অথচ বর্তমানে সেই সময় কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৭ সেকেন্ডে।
অর্থাৎ, আমরা এখন কোনো কাজে এক মিনিটের কম সময় স্থির থাকতে পারছি। এরপরই আমাদের মস্তিষ্ক নতুন কোনো তথ্যের জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠে।
প্রযুক্তির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের পাশাপাশি যোগ হয়েছে আমাদের মাল্টিটাস্কিং প্রবণতা। আমরা অনেকেই গর্ব করে বলি যে আমরা মাল্টিটাস্কিং বা একসঙ্গে অনেক কাজ করতে পারি। কিন্তু গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজেদের হেভি মাল্টিটাস্কার মনে করেন, তাঁদের অনেকেই আসলে কোনো কাজই দক্ষতার সঙ্গে করতে পারেন না। যখন আমরা দ্রুত এক অ্যাপ থেকে আরেক অ্যাপে বা কাজ থেকে কাজে সুইচ করি, তখন মস্তিষ্কের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। একে বলা হয় ‘সুইচিং কস্ট’।
এর ফলে আমাদের আইকিউ সাময়িকভাবে কমে যায় এবং ভুল করার প্রবণতা বেড়ে যায়। গবেষকরা বলছেন, এই ক্রমাগত মনোযোগ পরিবর্তনের ফলে মস্তিষ্কের গভীর চিন্তার সঙ্গে যুক্ত অংশগুলোর কার্যক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে। মস্তিষ্কের যে অংশটি গভীর চিন্তা ও বিশ্লেষণের জন্য দায়ী, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে সেই অংশের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।
তবে পপকর্ন ব্রেইনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমাদের গভীরভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা। একে বলা হচ্ছে ‘ডেপথ অব থট’-এর সংকট। আমরা এখন কোনো কিছু পড়ি না, শুধু স্কিম করি বা চোখ বুলিয়ে যাই। এর ফলে কোনো তথ্যই আমাদের দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে বা লং-টার্ম মেমোরিতে জমা হচ্ছে না।
ফলে আমরা তথ্যের সাগরে ভাসছি ঠিকই, কিন্তু জ্ঞানের গভীরতা অর্জন করতে পারছি না। এছাড়া সারাক্ষণ অনলাইনে থাকার ফলে আমাদের মধ্যে ‘উদ্বেগ’ বা এনজাইটি এবং একাকিত্ব বাড়ছ। অফলাইনে থাকলেই মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে, যাকে বলা হয় ফোমো।
যুক্তরাজ্যের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফকমের ২০১৮ সালের এক গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, মানুষ জাগ্রত অবস্থায় গড়ে প্রতি ১২ মিনিটে একবার তাঁদের স্মার্টফোন চেক করে। একাধিক জরিপভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ ফোন কাছাকাছি না থাকলে উদ্বেগ অনুভব করেন। যদিও এর মধ্যে অনেকেই ফোন কাছে থাকলে নিজেকে নিরাপদ মনে করেন।
মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মাইন্ডটুলসের মতে, মানুষের কাজের পরিবেশ, মানসিক অবস্থা ও পুষ্টি, এই কয়েকটি বিষয়ই মূলত মনোযোগের ওপর প্রভাব বিস্তার করে।
মনোযোগ বাড়াতে কাজের সময় ছোট ছোট বিরতি, নিজেকে পুরস্কার দেওয়া, কাজের গুরুত্ব নির্ধারণ, একই সময়ে শুধু একটি কাজের ওপর মনোযোগ নিবিষ্ট রাখার কথা বলা হয়েছে এই ওয়েবসাইটে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম মনোযোগ বৃদ্ধি করে বলে বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে