একসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এতটা বৈরিতাপূর্ণ ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পর্ক কীভাবে তীব্র দ্বন্দ্বে রূপ নিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে তাকাতে হয় ইতিহাসের দিকে।
লেখা:

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের এক হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান এই সংঘাত বিশ্ব রাজনীতিতে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই চলছে নানা বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও ভবিষ্যদ্বাণী। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে অপতথ্য ও গুজবও।
একসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এতটা বৈরিতাপূর্ণ ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পর্ক কীভাবে তীব্র দ্বন্দ্বে রূপ নিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে তাকাতে হয় ইতিহাসের দিকে।
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশল, এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথ হলো গবেষণাভিত্তিক ইতিহাসগ্রন্থ পড়া। নিচে এমন দশটি বইয়ের কথা তুলে ধরা হলো, যেগুলো এই জটিল সম্পর্কের পটভূমি বোঝার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আফশিন মতিন-আসগারির সাম্প্রতিক এই বইটি শুরুতেই একটি প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অনেকেই মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক শুরুতে ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ, পরে তা তিক্ত হয়ে ওঠে।

কিন্তু মতিন-আসগারি দেখিয়েছেন কীভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ শুরু থেকেই ইরানকে একটি সামরিক ঘাঁটি বা অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, যা ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়।
এই বইটির লেখক বেহরুজ ঘামারি। তিনি তাঁর বইটিতে দেখিয়েছেন, তেহরানের ক্ষমতায় যে সরকারই থাকুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক কীভাবে ধীরে ধীরে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।
বিশ্ব রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানের প্রতিবাদী অবস্থানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছে, তার বিশদ বিশ্লেষণ পাওয়া যায় বইটিতে।
প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ফিরোজেহ কাশানি-সাবেতের এই বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রাথমিক দলিলের ওপর ভিত্তি করে লেখা। আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্ক কীভাবে শত্রুতায় রূপ নিল, এই বইটিইতে তার বর্ণনা আছে।
আবার কীভাবে তেল ও বিভিন্ন কাঁচামালের স্বার্থে আমেরিকা নিজেদের কৌশল খাটিয়ে পুরো বিশ্বে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে, তারও বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
বিখ্যাত ইরানি ইতিহাসবিদ এরভান্দ আব্রাহামিয়ানের এই বইটি ১৯৫৩ সালের অভ্যুত্থানের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে।
সিআইএ ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬ কীভাবে ইরানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে ক্ষমতাচ্যুত করে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে ক্ষমতায় বসায়—বিভিন্ন নথি ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
ম্যালকম বায়ার্নের লেখা এই বইটিতে ১৯৮০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের গোপনে ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রির কেলেঙ্কারির কথা তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।

মার্কিন কংগ্রেসকে লুকিয়ে অস্ত্র বিক্রির টাকা অন্য দেশে পাচার করার পুরো কৌশলটি এই বইয়ে উঠে এসেছে। এছাড়া, গোটা বিশ্বের রাজনীতি সুবিধাবাদী বড় দেশগুলোর উপর কতটা নির্ভরশীল, সেই বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।
মার্ক বোডেনের এই বইটি আমেরিকান দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। ১৯৭৯ সালের তেহরান জিম্মি সংকট বোঝার জন্য এক অসাধারণ দলিল হয়ে আছে বইটি।
এই বইয়ে চমৎকারভাবে দেখানো হয়েছে যে তৎকালীন আমেরিকা ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে কতটা অজ্ঞ ছিল এবং কীভাবে একদল চরমপন্থী শিক্ষার্থী জিম্মি সংকটকে কাজে লাগিয়ে আয়তুল্লাহ খোমেনিকে তাঁর ক্ষমতা সুসংহত করতে সাহায্য করেছিল।
অনুসন্ধানী সাংবাদিক স্টিফেন কিনজারের এই বইটি প্রকাশ পাওয়ার পরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়। বইটি ১৯৫৩ সালে সংঘটিত সিআইএ-এমআই৬ অভ্যুত্থানের নির্ভুল ও বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে লেখা।
কীভাবে ব্রিটিশ ও আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিজেদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটি জাতির গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষাকে পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল, এই বইয়ে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রমাণাদি উপস্থাপন করা হয়েছে।
বইটি মোহাম্মদ রেজা পাহলভির দ্বিতীয় স্ত্রী প্রিন্সেস সুরাইয়া ইসফানদিয়ারি বখতিয়ারির আত্মজীবনী। এই বইয়ে ক্ষমতাচ্যুত এক রাষ্ট্রনায়কের ব্যক্তিগত জীবন ও নির্বাসনকালীন সময়কার মানসিক অস্থিরতার কথা জানা যায়।
শাহ কীভাবে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে গিয়ে বিদেশি শক্তির সাহায্যে আবার ক্ষমতায় ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তার বিবরণ আছে এখানে।
জেমস এ বিলের লেখা এই বইটি থেকে ১৯৪০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ব্যাপারে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়।

যদিও বইটি বেশ পুরোনো, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে যে ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে সেটার বিপরীতে এই বইটি সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে সাহায্য করবে।
১৯০৫-১১ সালে ইরানের সাংবিধানিক বিপ্লবের পর ডব্লিউ মরগান শুস্টার নামে এক আমেরিকান সরকারি কর্মকর্তা ইরানি বিপ্লবীদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন।
রুশ ও ব্রিটিশ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি বিপ্লবীদের অর্থব্যবস্থা পরিচালনায় সাহায্য করেছিলেন। এই বইটি প্রমাণ করে যে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের বিবেকবান মানুষ চাইলেই অন্য জাতির গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষায় সমর্থন জোগাতে পারে।
মিডল ইস্ট আই-এ যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানিয়ান স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হামিদ দাবাশির লেখা থেকে অনূদিত। অনুবাদ করেছেন ফাবিহা বিনতে হক

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের এক হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান এই সংঘাত বিশ্ব রাজনীতিতে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই চলছে নানা বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও ভবিষ্যদ্বাণী। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে অপতথ্য ও গুজবও।
একসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এতটা বৈরিতাপূর্ণ ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পর্ক কীভাবে তীব্র দ্বন্দ্বে রূপ নিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে তাকাতে হয় ইতিহাসের দিকে।
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশল, এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথ হলো গবেষণাভিত্তিক ইতিহাসগ্রন্থ পড়া। নিচে এমন দশটি বইয়ের কথা তুলে ধরা হলো, যেগুলো এই জটিল সম্পর্কের পটভূমি বোঝার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আফশিন মতিন-আসগারির সাম্প্রতিক এই বইটি শুরুতেই একটি প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অনেকেই মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক শুরুতে ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ, পরে তা তিক্ত হয়ে ওঠে।

কিন্তু মতিন-আসগারি দেখিয়েছেন কীভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ শুরু থেকেই ইরানকে একটি সামরিক ঘাঁটি বা অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, যা ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়।
এই বইটির লেখক বেহরুজ ঘামারি। তিনি তাঁর বইটিতে দেখিয়েছেন, তেহরানের ক্ষমতায় যে সরকারই থাকুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক কীভাবে ধীরে ধীরে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।
বিশ্ব রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানের প্রতিবাদী অবস্থানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছে, তার বিশদ বিশ্লেষণ পাওয়া যায় বইটিতে।
প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ফিরোজেহ কাশানি-সাবেতের এই বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রাথমিক দলিলের ওপর ভিত্তি করে লেখা। আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্ক কীভাবে শত্রুতায় রূপ নিল, এই বইটিইতে তার বর্ণনা আছে।
আবার কীভাবে তেল ও বিভিন্ন কাঁচামালের স্বার্থে আমেরিকা নিজেদের কৌশল খাটিয়ে পুরো বিশ্বে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে, তারও বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
বিখ্যাত ইরানি ইতিহাসবিদ এরভান্দ আব্রাহামিয়ানের এই বইটি ১৯৫৩ সালের অভ্যুত্থানের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে।
সিআইএ ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬ কীভাবে ইরানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে ক্ষমতাচ্যুত করে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে ক্ষমতায় বসায়—বিভিন্ন নথি ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
ম্যালকম বায়ার্নের লেখা এই বইটিতে ১৯৮০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের গোপনে ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রির কেলেঙ্কারির কথা তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।

মার্কিন কংগ্রেসকে লুকিয়ে অস্ত্র বিক্রির টাকা অন্য দেশে পাচার করার পুরো কৌশলটি এই বইয়ে উঠে এসেছে। এছাড়া, গোটা বিশ্বের রাজনীতি সুবিধাবাদী বড় দেশগুলোর উপর কতটা নির্ভরশীল, সেই বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।
মার্ক বোডেনের এই বইটি আমেরিকান দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। ১৯৭৯ সালের তেহরান জিম্মি সংকট বোঝার জন্য এক অসাধারণ দলিল হয়ে আছে বইটি।
এই বইয়ে চমৎকারভাবে দেখানো হয়েছে যে তৎকালীন আমেরিকা ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে কতটা অজ্ঞ ছিল এবং কীভাবে একদল চরমপন্থী শিক্ষার্থী জিম্মি সংকটকে কাজে লাগিয়ে আয়তুল্লাহ খোমেনিকে তাঁর ক্ষমতা সুসংহত করতে সাহায্য করেছিল।
অনুসন্ধানী সাংবাদিক স্টিফেন কিনজারের এই বইটি প্রকাশ পাওয়ার পরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়। বইটি ১৯৫৩ সালে সংঘটিত সিআইএ-এমআই৬ অভ্যুত্থানের নির্ভুল ও বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে লেখা।
কীভাবে ব্রিটিশ ও আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিজেদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটি জাতির গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষাকে পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল, এই বইয়ে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রমাণাদি উপস্থাপন করা হয়েছে।
বইটি মোহাম্মদ রেজা পাহলভির দ্বিতীয় স্ত্রী প্রিন্সেস সুরাইয়া ইসফানদিয়ারি বখতিয়ারির আত্মজীবনী। এই বইয়ে ক্ষমতাচ্যুত এক রাষ্ট্রনায়কের ব্যক্তিগত জীবন ও নির্বাসনকালীন সময়কার মানসিক অস্থিরতার কথা জানা যায়।
শাহ কীভাবে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে গিয়ে বিদেশি শক্তির সাহায্যে আবার ক্ষমতায় ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তার বিবরণ আছে এখানে।
জেমস এ বিলের লেখা এই বইটি থেকে ১৯৪০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ব্যাপারে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়।

যদিও বইটি বেশ পুরোনো, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে যে ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে সেটার বিপরীতে এই বইটি সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে সাহায্য করবে।
১৯০৫-১১ সালে ইরানের সাংবিধানিক বিপ্লবের পর ডব্লিউ মরগান শুস্টার নামে এক আমেরিকান সরকারি কর্মকর্তা ইরানি বিপ্লবীদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন।
রুশ ও ব্রিটিশ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি বিপ্লবীদের অর্থব্যবস্থা পরিচালনায় সাহায্য করেছিলেন। এই বইটি প্রমাণ করে যে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের বিবেকবান মানুষ চাইলেই অন্য জাতির গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষায় সমর্থন জোগাতে পারে।
মিডল ইস্ট আই-এ যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানিয়ান স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হামিদ দাবাশির লেখা থেকে অনূদিত। অনুবাদ করেছেন ফাবিহা বিনতে হক

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে