স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।
বাজুস জানায়, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। এর সঙ্গে বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
এর আগে, গত ২৮ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ছিল ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৭৪১ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বেড়েছে। ভরিতে ৮১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা। এটিও দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৮ হাজার ১৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।

দেশের বাজারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।
বাজুস জানায়, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। এর সঙ্গে বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
এর আগে, গত ২৮ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ছিল ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৭৪১ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বেড়েছে। ভরিতে ৮১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা। এটিও দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৮ হাজার ১৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
১০ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৫ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১ দিন আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
১ দিন আগে