স্ট্রিম প্রতিবেদক

টানা তিন সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর দেশের সোনার বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মূল্যবান এই ধাতুর দাম একলাফে কমেছে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার টাকা। এর ফলে টানা তিন দিনে সোনার ভরিতে মোট ১৫ হাজার ১৮৭ টাকা হ্রাস পেয়েছে। এতে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ২ লাখ টাকার নিচে নেমে এসেছে। সমন্বিত এই নতুন দাম আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় পাইকারি বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার কারণেই এই বড় দরপতন। এর পাশাপাশি, বৈশ্বিক বাজারে সোনার দরপতনও একটি বড় কারণ। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে এসেছে, যার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে।
বাজুস নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, বুধবার থেকে বিভিন্ন মানের সোনার দাম হবে—২২ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনার দাম হবে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮ টাকা।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৮ হাজার টাকার বেশি ছিল।
চলতি বছর সোনার দাম মোট ৭০ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৮ বার এবং কমানো হয়েছে মাত্র ২২ বার। এর আগে, ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ে এবং ২৭ বার কমে।
সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে রুপার দাম—২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি ২ হাজার ৬০১ টাকা।

টানা তিন সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর দেশের সোনার বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মূল্যবান এই ধাতুর দাম একলাফে কমেছে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার টাকা। এর ফলে টানা তিন দিনে সোনার ভরিতে মোট ১৫ হাজার ১৮৭ টাকা হ্রাস পেয়েছে। এতে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ২ লাখ টাকার নিচে নেমে এসেছে। সমন্বিত এই নতুন দাম আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় পাইকারি বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার কারণেই এই বড় দরপতন। এর পাশাপাশি, বৈশ্বিক বাজারে সোনার দরপতনও একটি বড় কারণ। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে এসেছে, যার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে।
বাজুস নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, বুধবার থেকে বিভিন্ন মানের সোনার দাম হবে—২২ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনার দাম হবে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮ টাকা।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৮ হাজার টাকার বেশি ছিল।
চলতি বছর সোনার দাম মোট ৭০ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৮ বার এবং কমানো হয়েছে মাত্র ২২ বার। এর আগে, ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ে এবং ২৭ বার কমে।
সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে রুপার দাম—২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি ২ হাজার ৬০১ টাকা।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
৮ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৩ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
২০ ঘণ্টা আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
২০ ঘণ্টা আগে