স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) শেষ হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সমাপনী অনুষ্ঠানে মাসব্যাপী মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাপনীতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের মেলায় অংশ নেয় দেশি-বিদেশি ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান। ছিল ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি প্রতিষ্ঠান।
মেলায় স্থানীয়ভাবে আনুমানিক ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য ও সেবা বিক্রি হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩.৪২ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১৭.৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২২৪.২৬ কোটি টাকা) মূল্যের রপ্তানি আদেশ পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে– বহুমুখী পাট পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, কসমেটিক্স, হাইজিন পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হ্যান্ডলুম ও হোম টেক্সটাইল।
নতুন পণ্যের কারণে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে স্বীকৃতি। সেগুলো হলো– জয়িতা ফাউন্ডেশনের জুট পণ্য ও ফিশ চিপস, বিসিকের ভেজিটেবল ডাইং পোশাক, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ঢাকাই মসলিন, জেডিপিসির পাট ট্যাপেস্ট্রি ও এপেক্স কনভেনিয়েন্স ফুডসের রেডি টু ইট বিরিয়ানি।
এর বাইরে প্যাভিলিয়ন, স্টল, সেবা মান, নান্দনিকতা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ইনোভেশনের ভিত্তিতে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।
মেলায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে আটটি সেমিনার আয়োজন করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য ছিল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, অনলাইন টিকিটিং, বিআরটিসি বাস ও পাঠাও কনসেশন সার্ভিস।

দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) শেষ হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সমাপনী অনুষ্ঠানে মাসব্যাপী মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাপনীতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের মেলায় অংশ নেয় দেশি-বিদেশি ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান। ছিল ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি প্রতিষ্ঠান।
মেলায় স্থানীয়ভাবে আনুমানিক ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য ও সেবা বিক্রি হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩.৪২ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১৭.৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২২৪.২৬ কোটি টাকা) মূল্যের রপ্তানি আদেশ পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে– বহুমুখী পাট পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, কসমেটিক্স, হাইজিন পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হ্যান্ডলুম ও হোম টেক্সটাইল।
নতুন পণ্যের কারণে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে স্বীকৃতি। সেগুলো হলো– জয়িতা ফাউন্ডেশনের জুট পণ্য ও ফিশ চিপস, বিসিকের ভেজিটেবল ডাইং পোশাক, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ঢাকাই মসলিন, জেডিপিসির পাট ট্যাপেস্ট্রি ও এপেক্স কনভেনিয়েন্স ফুডসের রেডি টু ইট বিরিয়ানি।
এর বাইরে প্যাভিলিয়ন, স্টল, সেবা মান, নান্দনিকতা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ইনোভেশনের ভিত্তিতে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।
মেলায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে আটটি সেমিনার আয়োজন করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য ছিল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, অনলাইন টিকিটিং, বিআরটিসি বাস ও পাঠাও কনসেশন সার্ভিস।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
৯ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১ দিন আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
১ দিন আগে