স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে আবারও সোনা ও রুপার দাম বেড়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা ও রুপার দাম বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। এর ফলে দেশের ইতিহাসে সোনার দামে সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি হয়েছে।
আগামীকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।
রোববার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে গত ১১ জানুয়ারি থেকে সাত দফায় সোনার দাম বাড়ানো হলো।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা সোনার প্রতি ভরির (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ধরা হয়েছে ২২ হাজার ৫০ টাকা। আগে এই ক্যাটাগরির সোনার দাম এর চেয়ে কম ছিল।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি এখন থেকে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৮ টাকায় বিক্রি হবে।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ৬ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৫৩১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপার ভরি ৫ হাজার ৫৯৮ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম কার্যকর থাকবে। ঘোষিত দামের সাথে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে।
আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় নিয়মিতভাবে সোনা ও রুপার দাম সমন্বয় করা হবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।

দেশের বাজারে আবারও সোনা ও রুপার দাম বেড়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা ও রুপার দাম বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। এর ফলে দেশের ইতিহাসে সোনার দামে সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি হয়েছে।
আগামীকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।
রোববার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে গত ১১ জানুয়ারি থেকে সাত দফায় সোনার দাম বাড়ানো হলো।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা সোনার প্রতি ভরির (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ধরা হয়েছে ২২ হাজার ৫০ টাকা। আগে এই ক্যাটাগরির সোনার দাম এর চেয়ে কম ছিল।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি এখন থেকে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৮ টাকায় বিক্রি হবে।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ৬ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৫৩১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপার ভরি ৫ হাজার ৫৯৮ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম কার্যকর থাকবে। ঘোষিত দামের সাথে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে।
আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় নিয়মিতভাবে সোনা ও রুপার দাম সমন্বয় করা হবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
৯ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১ দিন আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
১ দিন আগে