স্ট্রিম প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লেও দেশের বাজারে এখনো জ্বালানির খুচরা দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জানিয়েছে, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত ক্রয়ের কারণেই সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। দাম বাড়ার গুঞ্জন উঠলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার ভোক্তাদের ওপর চাপ না বাড়িয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নীতিতে অটল রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাতের পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছায়। ২০ মার্চের আগের কয়েকদিনে দাম ৯৯ থেকে ১০৭ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করেছে এবং বর্তমানে তা প্রায় ১০৩ ডলারে রয়েছে।
বৈশ্বিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাবে দেশে গুজব ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। কিছু পরিবেশক জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবও দেয়। তবে সরকার এখন পর্যন্ত উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েল ছাড়া ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের খুচরা দামে কোনো পরিবর্তন আনেনি। সংশোধিত স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় মার্চ মাসে এই দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন কোম্পানি পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা অয়েল কোম্পানি সম্প্রতি ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। কিন্তু জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এই প্রস্তাবে সায় দেননি। তিনি প্রথমে বিক্রয় ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রয়োজনে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি ক্রয় ও বিক্রয় বাধ্যতামূলক এবং সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুও ২৩ ও ২৪ মার্চ দেওয়া বক্তব্যে বলেন, দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। তিনি পাম্পে চাপের কারণ হিসেবে আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত ক্রয় ও মজুদকে দায়ী করেন এবং জনগণকে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কেনার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, জ্বালানির দাম নির্ধারণ করে নিয়ন্ত্রক কমিশন এবং সরকার এখনো দাম বাড়ায়নি।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে দৈনিক ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করেছে এবং বিভাগীয় শহরগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহ ১০ শতাংশ বাড়িয়েছে। নিবন্ধিত গ্রাহকদের কাছে সরাসরি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মজুতদারির বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে। বিপিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে এবং দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।
রয়টার্সে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সরকারের এক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না এবং অর্থনীতিতে কোনো সংকোচন এড়াতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা হবে। সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে জ্বালানি ও এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখা যায়।
বর্তমানে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১০০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। এই হারগুলো ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে এবং মার্চ মাসে নতুন কোনো সমন্বয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে জ্বালানির দাম পর্যালোচনা করে এবং পরবর্তী সমন্বয় এপ্রিলের শুরুতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সরকার এখনো দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করেনি এবং সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা ও বিকল্প উৎস নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে আগামী মাসে কী সিদ্ধান্ত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
তবে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম চলতি মাসে একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। বিইআরসির সর্বশেষ সমন্বয়ে গতকাল দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা, যা আগে ছিল ১১২ টাকা ৪১ পয়সা। গত মাসে এ দাম ছিল ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। সর্বশেষ বৃদ্ধিতে প্রতি লিটারে ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর আগে ৮ মার্চ আরও ১৭ টাকা ২৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চ দামে জ্বালানি আমদানির ফলে বিপিসিকে বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতি লিটার ডিজেলে ১ থেকে ২ টাকা এবং পেট্রোল ও অকটেনে ৩ থেকে ৪ টাকা মুনাফা ছিল, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলেই প্রায় ৬৮ থেকে ৬৯ টাকা লোকসান হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম ৮৮ দশমিক ৪৪ ডলার থেকে বেড়ে ২৩৬ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে, অকটেনের দাম ৭৮ দশমিক ৩৯ ডলার থেকে বেড়ে ১৬৩ দশমিক ৭১ ডলারে এবং জেট ফুয়েলের দাম ৮৯ দশমিক ৪০ ডলার থেকে বেড়ে ২২৮ দশমিক ৪০ ডলারে উঠেছে।
দেশে জ্বালানি হিসেবে ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, যা মোট চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশ পূরণ করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৩ লাখ টন, যার প্রায় ৮০ শতাংশ সরাসরি আমদানি করা হয় এবং বাকিটা অপরিশোধিত তেল আমদানি করে পরিশোধন করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লেও দেশের বাজারে এখনো জ্বালানির খুচরা দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জানিয়েছে, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত ক্রয়ের কারণেই সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। দাম বাড়ার গুঞ্জন উঠলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার ভোক্তাদের ওপর চাপ না বাড়িয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নীতিতে অটল রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাতের পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছায়। ২০ মার্চের আগের কয়েকদিনে দাম ৯৯ থেকে ১০৭ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করেছে এবং বর্তমানে তা প্রায় ১০৩ ডলারে রয়েছে।
বৈশ্বিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাবে দেশে গুজব ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। কিছু পরিবেশক জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবও দেয়। তবে সরকার এখন পর্যন্ত উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েল ছাড়া ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের খুচরা দামে কোনো পরিবর্তন আনেনি। সংশোধিত স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় মার্চ মাসে এই দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন কোম্পানি পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা অয়েল কোম্পানি সম্প্রতি ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। কিন্তু জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এই প্রস্তাবে সায় দেননি। তিনি প্রথমে বিক্রয় ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রয়োজনে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি ক্রয় ও বিক্রয় বাধ্যতামূলক এবং সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুও ২৩ ও ২৪ মার্চ দেওয়া বক্তব্যে বলেন, দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। তিনি পাম্পে চাপের কারণ হিসেবে আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত ক্রয় ও মজুদকে দায়ী করেন এবং জনগণকে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কেনার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, জ্বালানির দাম নির্ধারণ করে নিয়ন্ত্রক কমিশন এবং সরকার এখনো দাম বাড়ায়নি।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে দৈনিক ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করেছে এবং বিভাগীয় শহরগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহ ১০ শতাংশ বাড়িয়েছে। নিবন্ধিত গ্রাহকদের কাছে সরাসরি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মজুতদারির বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে। বিপিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে এবং দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।
রয়টার্সে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সরকারের এক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না এবং অর্থনীতিতে কোনো সংকোচন এড়াতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা হবে। সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে জ্বালানি ও এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখা যায়।
বর্তমানে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১০০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। এই হারগুলো ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে এবং মার্চ মাসে নতুন কোনো সমন্বয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে জ্বালানির দাম পর্যালোচনা করে এবং পরবর্তী সমন্বয় এপ্রিলের শুরুতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সরকার এখনো দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করেনি এবং সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা ও বিকল্প উৎস নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে আগামী মাসে কী সিদ্ধান্ত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
তবে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম চলতি মাসে একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। বিইআরসির সর্বশেষ সমন্বয়ে গতকাল দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা, যা আগে ছিল ১১২ টাকা ৪১ পয়সা। গত মাসে এ দাম ছিল ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। সর্বশেষ বৃদ্ধিতে প্রতি লিটারে ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর আগে ৮ মার্চ আরও ১৭ টাকা ২৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চ দামে জ্বালানি আমদানির ফলে বিপিসিকে বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতি লিটার ডিজেলে ১ থেকে ২ টাকা এবং পেট্রোল ও অকটেনে ৩ থেকে ৪ টাকা মুনাফা ছিল, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলেই প্রায় ৬৮ থেকে ৬৯ টাকা লোকসান হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম ৮৮ দশমিক ৪৪ ডলার থেকে বেড়ে ২৩৬ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে, অকটেনের দাম ৭৮ দশমিক ৩৯ ডলার থেকে বেড়ে ১৬৩ দশমিক ৭১ ডলারে এবং জেট ফুয়েলের দাম ৮৯ দশমিক ৪০ ডলার থেকে বেড়ে ২২৮ দশমিক ৪০ ডলারে উঠেছে।
দেশে জ্বালানি হিসেবে ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, যা মোট চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশ পূরণ করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৩ লাখ টন, যার প্রায় ৮০ শতাংশ সরাসরি আমদানি করা হয় এবং বাকিটা অপরিশোধিত তেল আমদানি করে পরিশোধন করা হয়।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
৫ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১৭ ঘণ্টা আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
১৭ ঘণ্টা আগে