স্ট্রিম ডেস্ক

অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা চলছে বিশ্বজুড়ে। তার জেরে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মূল্যবান ধাতুর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। এই মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) স্বর্ণের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট গোল্ডের (তাৎক্ষণিক লেনদেন হওয়া স্বর্ণ) দাম প্রতি আউন্স (প্রায় ২ দশমিক ৪২ ভরি) ৫ হাজার ১৮১ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে সোমবার প্রথমবারের মতো দাম ৫ হাজার ডলারের ‘মনস্তাত্ত্বিক সীমা’ অতিক্রম করেছিল। মনস্তাত্ত্বিক সীমা হলো শেয়ারবাজার বা পণ্যবাজারের এমন একটি রাউন্ড ফিগার (যেমন: ১০০, ১০০০ বা ৫০০০) যা বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরনের মানসিক প্রভাব তৈরি করে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেব্রুয়ারি মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ভবিষ্যৎ মূল্য সামান্য পরিবর্তন হয়ে ৫ হাজার ৮২ দশমিক ৬০ ডলারে স্থির হয়েছে।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমার সম্ভাবনা এবং ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর বৈশ্বিক প্রবণতার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার আগ্রহ—সব মিলিয়ে এ বছর সোনার দাম ইতিমধ্যে ১৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
ব্যাংক অব আমেরিকার কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট মাইকেল উইডমার বলেন, ‘সাধারণত যেসব কারণে মানুষ স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগ করে, সেগুলো দূর হয়ে গেলেই দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে যায়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তেমন কোনো লক্ষণ নেই।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার আমদানির ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সেই সঙ্গে ৩০ জানুয়ারির ডেডলাইনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে আংশিক সরকারি কার্যক্রম বন্ধ (শাটডাউন) হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের দুই দিনব্যাপী নীতিনির্ধারণী বৈঠকের দিকে। সেখানে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে কী বলেন, তা দেখতেই সবাই অপেক্ষা করছেন।
এদিকে, ডয়চে ব্যাংক এবং সোসিয়েতে জেনারেল পূর্বাভাস দিয়েছে যে, এ বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। সিএমই গ্রুপ জানিয়েছে, গত ২৬ জানুয়ারি তাদের ধাতব বাজারে রেকর্ড ৩৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫২৮টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা গত বছরের অক্টোবর মাসের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও রেকর্ড গড়েছে। সোমবার আউন্সপ্রতি ১১৭ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার স্পট সিলভারের দাম ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১১১ দশমিক ৮৪ ডলারে লেনদেন হয়েছে। গত বছর ১৪৬ শতাংশ বাড়ার পর এ বছর রুপার দাম ইতিমধ্যে ৫৭ শতাংশ বেড়েছে।
ব্যাংক অব আমেরিকার উইডমার জানান, রুপার বাজারে আগামীতে অনেক অস্থিরতা এবং দাম হঠাৎ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকলেও এর শক্তিশালী ভিত এবং বিনিয়োগের প্রবাহ আউন্সপ্রতি ১৭০ ডলারের লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে সহায়তা করতে পারে। সিটি ব্যাংকও তাদের স্বল্পমেয়াদী পূর্বাভাসে রুপার দাম আউন্সপ্রতি ১০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫০ ডলার করেছে।
তবে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে প্ল্যাটিনামের দাম ৫ দশমিক ১ শতাংশ কমে ২ হাজার ৬১৬ দশমিক ০৫ ডলারে নেমেছে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯১৯ দশমিক ০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
(রয়টার্সের সাংবাদিক অনমোল চৌবের বিশ্লেষণ থেকে অনূদিত)

অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা চলছে বিশ্বজুড়ে। তার জেরে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মূল্যবান ধাতুর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। এই মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) স্বর্ণের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট গোল্ডের (তাৎক্ষণিক লেনদেন হওয়া স্বর্ণ) দাম প্রতি আউন্স (প্রায় ২ দশমিক ৪২ ভরি) ৫ হাজার ১৮১ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে সোমবার প্রথমবারের মতো দাম ৫ হাজার ডলারের ‘মনস্তাত্ত্বিক সীমা’ অতিক্রম করেছিল। মনস্তাত্ত্বিক সীমা হলো শেয়ারবাজার বা পণ্যবাজারের এমন একটি রাউন্ড ফিগার (যেমন: ১০০, ১০০০ বা ৫০০০) যা বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরনের মানসিক প্রভাব তৈরি করে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেব্রুয়ারি মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ভবিষ্যৎ মূল্য সামান্য পরিবর্তন হয়ে ৫ হাজার ৮২ দশমিক ৬০ ডলারে স্থির হয়েছে।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমার সম্ভাবনা এবং ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর বৈশ্বিক প্রবণতার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার আগ্রহ—সব মিলিয়ে এ বছর সোনার দাম ইতিমধ্যে ১৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
ব্যাংক অব আমেরিকার কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট মাইকেল উইডমার বলেন, ‘সাধারণত যেসব কারণে মানুষ স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগ করে, সেগুলো দূর হয়ে গেলেই দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে যায়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তেমন কোনো লক্ষণ নেই।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার আমদানির ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সেই সঙ্গে ৩০ জানুয়ারির ডেডলাইনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে আংশিক সরকারি কার্যক্রম বন্ধ (শাটডাউন) হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের দুই দিনব্যাপী নীতিনির্ধারণী বৈঠকের দিকে। সেখানে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে কী বলেন, তা দেখতেই সবাই অপেক্ষা করছেন।
এদিকে, ডয়চে ব্যাংক এবং সোসিয়েতে জেনারেল পূর্বাভাস দিয়েছে যে, এ বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। সিএমই গ্রুপ জানিয়েছে, গত ২৬ জানুয়ারি তাদের ধাতব বাজারে রেকর্ড ৩৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫২৮টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা গত বছরের অক্টোবর মাসের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও রেকর্ড গড়েছে। সোমবার আউন্সপ্রতি ১১৭ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার স্পট সিলভারের দাম ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১১১ দশমিক ৮৪ ডলারে লেনদেন হয়েছে। গত বছর ১৪৬ শতাংশ বাড়ার পর এ বছর রুপার দাম ইতিমধ্যে ৫৭ শতাংশ বেড়েছে।
ব্যাংক অব আমেরিকার উইডমার জানান, রুপার বাজারে আগামীতে অনেক অস্থিরতা এবং দাম হঠাৎ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকলেও এর শক্তিশালী ভিত এবং বিনিয়োগের প্রবাহ আউন্সপ্রতি ১৭০ ডলারের লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে সহায়তা করতে পারে। সিটি ব্যাংকও তাদের স্বল্পমেয়াদী পূর্বাভাসে রুপার দাম আউন্সপ্রতি ১০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫০ ডলার করেছে।
তবে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে প্ল্যাটিনামের দাম ৫ দশমিক ১ শতাংশ কমে ২ হাজার ৬১৬ দশমিক ০৫ ডলারে নেমেছে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯১৯ দশমিক ০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
(রয়টার্সের সাংবাদিক অনমোল চৌবের বিশ্লেষণ থেকে অনূদিত)

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
১০ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৫ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১ দিন আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
১ দিন আগে