একাত্তরের ‘বন্দুক হাতে এক লাজুক তরুণী’ শিরিন বানু মিতিলের স্মৃতি সংরক্ষণ না হওয়ায় ক্ষোভভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য স্টেটসম্যান মুক্তিযুদ্ধের সময় শিরিন বানুকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছিল ‘এ শাই গার্ল উইথ এ গান’ (বন্দুক হাতে এক লাজুক তরুণী)। আকাশবাণী বেতার থেকে প্রখ্যাত ভাষ্যকার দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগঘন কণ্ঠ সারা বিশ্বে পৌঁছে দিয়েছিল মিতিলের বীরত্বগাঁথা।
একাত্তরে পীর-মাশায়েখদের বিস্মৃত ইতিহাসএকাত্তরের রণাঙ্গনে বাংলার বহু পীর, সুফি সাধক ও আলেম কেবল মসজিদ বা খানকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের, গড়ে তুলেছেন প্রতিরোধের দুর্গ।
পাকিস্তানের নাগরিকেরা যেভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের খবর জানত২০২১ সালে পাকিস্তানি নির্মাতা ও পরিচালক নাবিল কুরেশি খেল খেল মেঁ নামে একটি সিনেমা তৈরি করেন। ওই চলচ্চিত্রে দেখানো হয়, পাকিস্তানের একটি ইউনিভার্সিটির ড্রামা ক্লাবের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের প্রোডাকশন নিয়ে ঢাকায় একটি নাট্যোৎসবে যোগ দিতে যাচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র মানেই কি আশি-নব্বইয়ের দশক?একটি বেসরকারি গণমাধ্যমে কাজ কাজ করেন ফাবিহা। তাঁর কাছে মুক্তিযুদ্ধের তিনটি চলচ্চিত্র বেছে নিতে বললে, তিনি শ্যামল ছায়া, ওরা ১১ জন এবং আগুনের পরশমণির নাম জানান।
তাঁদের চোখে ‘স্বাধীনতা’ মানে কী২৬ মার্চ কেবল একটি ক্যালেন্ডারের পাতা নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়। প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করি আমরা। তবে ‘স্বাধীনতা’ শব্দ সবার কাছে একই অর্থ বহন করে না। জেনজিদের চোখে স্বাধীনতা মানে এক, তো মিলেনিয়ালদের চোখে স্বাধীনতার মানে আরেক।
সময়ের সঙ্গে কি স্বাধীনতা দিবস উদযাপনও পাল্টে যাচ্ছে?২৬ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। সেই থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপিত হয় স্বাধীনতা দিবস।
১৯৭১ সালে সোশ্যাল মিডিয়া থাকলে কেমন হতো আমাদের মুক্তিযুদ্ধএকটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের ইতিহাসে সেই দেশের স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিবস কমই আছে। আজ ২৬শে মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। ৫৫ বছর আগে এই দিনেই এদেশের মানুষ স্বাধীন একটি ভূখণ্ডের আশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
বিশেষ লেখামুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক করে আমরা কোথায় পৌঁছাতে চাইহ্যাঁ আমরা সেই কম হেঁটে যাওয়া মানুষের পথে হেঁটেছিলাম। যে পথ ভয়ের, ক্ষয়ের, ত্যাগের এবং অস্তিত্বের সেই পথেই আমরা হেঁটেছি। ১৯৭১ সাল; বাঙালি হেঁটেছে অস্তিত্বের পথে। জীবনের সহজ সুখের সমস্ত পথ রুদ্ধ করে, ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য আর জীবনের মায়া ত্যাগ করে স্বাধীনতার কণ্টকাকীর্ণ পথ বেছে নিয়েছিল অজস্র যুবা
কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছিল একাত্তরের রণাঙ্গনে১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লড়াই ছিল না, এটি ছিল আধুনিক সমর ইতিহাসের এক অনন্য সমীকরণ। এই যুদ্ধে তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম সুসংগঠিত ও আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি পেশাদার সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিল এক অদম্য গেরিলা শক্তি।
মুক্তিযুদ্ধে বাউল১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রান্তিক বাউল সম্প্রদায়ের অবদান ছিল একই সঙ্গে আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক এবং সামরিক। এই সময় বাউলরা তাঁদের একতারা ও কণ্ঠকে কেবল সাধনার মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করেননি, বরং যুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে তাঁরা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে গেছেন নিরলসভাবে।
স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়ায় জুলাইয়ে রক্ত দিতে হয়েছে: নাহিদস্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি বলেই জুলাই অভ্যুত্থানে তরুণদের আবার রক্ত দিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
স্বাধীনতা দিবসে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার মির্জা ফখরুলেরমহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।