পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও পাঠ্যবইয়ে অগ্নিঝরা মার্চশুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। নয় মাস টানা যুদ্ধের পরে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা মাস হিসেবে মার্চ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এবার পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এসেছে মাসটি।
একাত্তরে হাসপাতালেও থাবা বসিয়েছিল পাকিস্তানি জল্লাদরাঅগ্নিঝরা মার্চ চলছে। এই মাস যেমন বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জনের স্মারক, তেমনি তা পাকিস্তানি হানাদারদের চরম পৈশাচিকতারও সাক্ষী। ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনী মেতে উঠেছিল এক সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের সেই বর্বরোচিত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেবল সম্মুখ সমরের যোদ্ধা বা রাজনৈতিক কর্মীরাই ছিল এমন নয়। বহু মান
একাত্তরে মসজিদেও গণহত্যা চালিয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীঅগ্নিঝরা মার্চের শুরু। এই মাস আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের সূচনালগ্ন। আবার সেই সাথে শোক ও দহনের স্মৃতিবাহক। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলার মানুষ যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এক পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের এই পাশবিকতার সবচেয়ে করুণ আখ্যানটি সম্ভবত হলো
‘অগ্নিঝরা মার্চ’ শুরুআজ মার্চের প্রথম দিন। বসন্তের দখিনা হাওয়ার সঙ্গে আজ মিশে আছে এক বিশেষ গর্ব আর বিষাদমাখা ইতিহাস। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে এই মার্চ মাসেই বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার শিকল ভাঙার চূড়ান্ত সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। আজ সেই ‘অগ্নিঝরা মার্চের’ প্রথম দিন।