২৫ মার্চ কী ঘটেছিল, ‘জেনোসাইড’ নাকি ‘ম্যাস কিলিং’?১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর যে বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, যাকে এক কথায় বলা যায় ‘জাতিগত নিধন’, সেই নিধনযজ্ঞের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আজও মেলেনি। মাঝখানে ক্যালেন্ডারের পৃষ্ঠা থেকে খসে পড়েছে ৫৫টি বছর!
৭১ থেকে ২৪: সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রালগ্নে তাঁদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একাত্তরের গণহত্যা: পাক আর্মি কত মানুষ পুড়িয়েছে?১৯৭১ সালের গণহত্যা নিয়ে আলোচনা প্রায়ই সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণা ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এক কোটির বেশি বাড়িঘর পোড়ানো এবং ৬ হাজারের বেশি গ্রাম ধ্বংসের ঘটনা। আগুন, অবকাঠামো ও শিল্পকারখানার বয়লার পর্যন্ত হত্যার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
একাত্তরের গণহত্যা: সংখ্যার বাইরে নিষ্ঠুরতার বহুমাত্রিক রূপ১৯৭১ সালের গণহত্যা নিয়ে আলোচনা প্রায়ই সংখ্যায় আটকে যায়। কিন্তু হত্যার পদ্ধতি, বিস্তার ও সংগঠিত নৃশংসতার ধরন বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এটি ছিল বহুমাত্রিক ও সর্বব্যাপী সহিংসতা। উপাসনালয়, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির থেকে গ্রাম-শহর, বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়।
পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও পাঠ্যবইয়ে অগ্নিঝরা মার্চশুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। নয় মাস টানা যুদ্ধের পরে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা মাস হিসেবে মার্চ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এবার পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এসেছে মাসটি।
একাত্তরে হাসপাতালেও থাবা বসিয়েছিল পাকিস্তানি জল্লাদরাঅগ্নিঝরা মার্চ চলছে। এই মাস যেমন বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জনের স্মারক, তেমনি তা পাকিস্তানি হানাদারদের চরম পৈশাচিকতারও সাক্ষী। ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনী মেতে উঠেছিল এক সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের সেই বর্বরোচিত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেবল সম্মুখ সমরের যোদ্ধা বা রাজনৈতিক কর্মীরাই ছিল এমন নয়। বহু মান
একাত্তরে মসজিদেও গণহত্যা চালিয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীঅগ্নিঝরা মার্চের শুরু। এই মাস আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের সূচনালগ্ন। আবার সেই সাথে শোক ও দহনের স্মৃতিবাহক। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলার মানুষ যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এক পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের এই পাশবিকতার সবচেয়ে করুণ আখ্যানটি সম্ভবত হলো
‘অগ্নিঝরা মার্চ’ শুরুআজ মার্চের প্রথম দিন। বসন্তের দখিনা হাওয়ার সঙ্গে আজ মিশে আছে এক বিশেষ গর্ব আর বিষাদমাখা ইতিহাস। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে এই মার্চ মাসেই বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার শিকল ভাঙার চূড়ান্ত সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। আজ সেই ‘অগ্নিঝরা মার্চের’ প্রথম দিন।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যেভাবে টিকে রইল : রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর১৯৭১ থেকে শুরু করে যুদ্ধ-পরবর্তী অর্থনৈতিক বিপর্যয়, দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, এই প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান যেভাবে বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের পথে আনলেন, সেই বিষয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
দ্য সারেন্ডার লাঞ্চ: ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের আগে মুরগির রোস্ট আর গল্পগুজব১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। লাঞ্চ আওয়ার, ঢাকা সেনানিবাস। কয়েকঘন্টা পর আত্মসমর্পণ করবে পাকিস্তান বাহিনী। খাবারের টেবিলে পাকিস্তানি অফিসাররা।
১৯৭১ সালে ওভালের কনসার্ট কীভাবে বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য তহবিল তুলেছিল১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত হয় মানবিক কনসার্ট ‘গুডবাই সামার’, যেখানে ৩৫ হাজারেরও বেশি দর্শকের অংশগ্রহণে সংগৃহীত ১৫,০০০ পাউন্ড পাঠানো হয় ভারতের বাংলাদেশী শরণার্থীদের সহায়তায়। জর্জ হ্যারিসনের ‘কনসার্ট ফর বাংলাদশ’ বিখ্যাত হলেও এই কনসার্টের মানবিক অবদান অনেকটাই অজানা রয়ে গেছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের হাঁটতে শেখানো এক বুড়া সাহেবের গল্প১৯৭১ এর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখাতে অস্ট্রেলিয়া থেকে ছুটে এসেছিলেন ২৩ বছরের তরুণ প্রস্থেটিক এক্সপার্ট বেরি লীচ। আধুনিক উপকরণের অভাব সত্ত্বেও অদম্য সৃজনশীলতায় স্থানীয় কাঠ আর টায়ার দিয়ে কৃত্রিম অঙ্গ তৈরি করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন অজস্র মানুষের 'বুড়া সাহেব'।
নিয়তির সন্তান: ক্র্যাক প্লাটুনের মেজর হায়দারক্র্যাক প্লাটুনের মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল আলম (বীর প্রতীক)-এর কাছে খবর আসে যে ভারতীয় আর্মি কমান্ড ঢাকা রেডিও স্টেশনের মাধ্যমে জনগণের উদ্দেশে বিজয়ের ঘোষণা করবে। এটা শুনে তাঁর মনেহলো যেহেতু বাংলাদেশ সরকার এবং মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতি ও উপ-সেনাপ্রধান কলকাতায় অবস্থান করছেন সেহেতু বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল সেক্টর-২
স্ট্রিম এক্সপ্লেইনার /পাকিস্তানি বাহিনীর রণকৌশল যেভাবে মোকাবিলা করে মিত্রবাহিনী১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই ছিল না। এটি ছিল সামরিক কৌশল প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই যুদ্ধে মিত্রবাহিনী গঠিত হয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে।
রক্ত, বর্ষা আর বদ্বীপ: নদীর যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস১৯৭১-এ নদী কীভাবে পাকিস্তানের সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিয়েছিল, কেন অপারেশন জ্যাকপট ছিল গেমচেঞ্জার এবং কীভাবে মেঘনা পারাপার ত্বরান্বিত করেছিল ঢাকার পতন। একাত্তরে পাকিস্তান কি শুধু মুক্তিবাহিনীর কাছে হেরেছিল? নাকি তার সাথে তারা হেরেছিল এই বদ্বীপের নদী, বর্ষা ও ভূগোলের কাছে?
একাত্তরে নদী ছিল অঘোষিত কমান্ডার: মোহাম্মদ এজাজের মুখোমুখিমুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদীগুলো হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের জন্য ‘লজিস্টিক্যাল নাইটমেয়ার’ বা মৃত্যুফাঁদ, আর আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ‘সেফ জোন’। কিন্তু এই যে ‘মানুষ বনাম প্রকৃতি’র লড়াই, কিংবা মানচিত্রের টেবিলে বসে নদীকে কেন্দ্র করে সেক্টর ভাগ করার এই সুক্ষ্ম কৌশল—এগুলো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা আসলে করেছেনট
জায়নামাজ থেকে রণাঙ্গন: একাত্তরের পীর-মাশায়েখদের বিস্মৃত যুদ্ধ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে দীর্ঘদিন ধরে একটি সরল ও বিকৃত বয়ানের ভেতর বন্দী করে রাখা হয়েছে অথচ ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায় এক ভিন্ন, বিস্ময়কর সত্য। একাত্তরের রণাঙ্গনে বাংলার বহু পীর, সুফি সাধক ও আলেম কেবল মসজিদ বা খানকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের, গড়ে