স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আরও চার পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) বোর্ড সভার পর তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
গত বছরের অক্টোবরে নির্বাচনের মাধ্যমে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব নেয়। শনিবার বোর্ড সভা শেষে পদত্যাগ করেন– ফাইয়াজুর রহমান, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম ও মনজুর আলম।
এ নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ২৫ পরিচালকের মধ্যে সাতজন পদত্যাগ করলেন। আগে বিভিন্ন সময়ে পদত্যাগ করেছেন ইশতিয়াক সাদেক, আমজাদ হোসেন ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের দাবি, বাইরের ‘অদৃশ্য শক্তি’ বোর্ডকে কাজ করতে দিচ্ছে না। বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, পরিচালক কমতে কমতে যদি একজনও হয়, আমিই শেষ ব্যক্তি হতে চাই যে চেয়ারে বসে থাকবে।
বিসিবি সভাপতি জানান, তাঁর নেতৃত্বাধীন বোর্ডকে গত ছয় মাস ধরে শান্তিতে কাজ করতে দেওয়া হয়নি। একটি ‘এক্সটার্নাল ফোর্স’ ক্রমাগত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং পুরোনো ইস্যু টেনে বর্তমান বোর্ডকে বিব্রত করছে।
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ
এদিকে, রোববার দুপুরে এনসিপির মুখপাত্র এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, বিসিবি ভাঙার প্রক্রিয়া ঠেকাতে এবং আইসিসির সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে এক ‘বিখ্যাত ক্রিকেটার’ লবিং শুরু করেছেন।
তিনি লেখেন, অবৈধভাবে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসি যেন কোনো ব্যবস্থা না নেয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার লবিংয়ে ব্যস্ত। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি তিনি সাবেক বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে লন্ডনে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আইসিসি চেয়ারম্যান অমিত শাহের ছেলে জয় শাহের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিতে পাপনকে অনুরোধ জানান।
আসিফ মাহমুদের দাবি, বিসিবি নির্বাচনের সময়ও এই ক্রিকেটার বিরাট কোহলির মাধ্যমে জয় শাহের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের উদাহরণ টেনে তিনি লেখেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে আইসিসি অতীতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। সেই একই রকম ব্যবস্থার ভয় দেখিয়ে বর্তমান পর্ষদকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।
তিনি লেখেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আবারো পার্শ্ববর্তী দেশ এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের অন্তর্ভুক্তির পায়তারার খবর শুনে মনে হলো দেশবাসীর এসব জানা থাকা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসিফ মাহমুদের প্রশ্ন, এই গোপন লবিং সম্পর্কে তিনি অবগত কিনা?
নির্বাচনে অনিয়মের তদন্ত শেষ, সাড়া দেননি আসিফ মাহমুদ
গত বছরের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি তাদের কাজ শেষ করেছে। রোববার তারা এনএসসিতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবে এই কমিটির ডাকে সাড়া দেননি তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই কমিটি করা হয়েছিল। তারা এনএসসি সদর দপ্তরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির এবং এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসানের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
পরে বিচারপতি আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য এসেছিলাম। জমা দিয়ে গেলাম। নিরপেক্ষভাবে চেষ্টা করেছি আমরা, যাদের যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছিলাম, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে যা পেয়েছি আমরা, সেভাবে সুন্দরভাবে চেষ্টা করেছি। আমরা কাউকে অভিযুক্ত না করে, নিরপেক্ষভাবে যা নির্বাচন-সংক্রান্ত যা পেয়েছি, সে সম্বন্ধে রিপোর্ট দিয়ে গেলাম।
প্রতিবেদনে কি আছে– প্রশ্নে তিনি বলেন, রিপোর্ট দেখলে আপনারা সব বুঝতে পারবেন এর মধ্যে কী আছে না আছে। আমরা কাউকে অভিযুক্ত করিনি। আমরা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পর্কে আলোচনা করে রিপোর্ট করেছি।
বিচারপতি আসাদুজ্জামান বলেন, কমিটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উন্নতির জন্য কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব করেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা কিছু সুপারিশ দিয়েছি, যেমন– একটি গাইডলাইন তৈরি করা এবং বোর্ডের ভেতরে কোনো সংস্কার প্রয়োজন কি না সে বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি।
এ সময় তিনি জানান, তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি সে সময়ের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বিচারপতি আসাদুজ্জামান বলেন, আসলে ডেকেছিলাম বলতে, আসলে উনার কোনো বক্তব্য বা উনি কিছু বলতে চান কি না, সেজন্য। উনাকে অ্যাকিউজ করার জন্য না। উনাকে সময় দিয়ে ডাকা হয়েছিল, উনি আমাদের কাছে আসেননি।
এদিকে, তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। ‘আমি কেন বিসিবি-সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দেইনি’ শিরোনামে তিনি লিখেছেন, প্রথমত, একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিসিবির ওপর এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে তদন্ত করছে মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়ে তদন্ত করে তদন্ত কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সকলে আদালত অবমাননা করছেন। চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড ডিরেক্টরদের পরের বোর্ডে ডিরেক্টর পদের লোভ, লোভে রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করাচ্ছেন।
আসিফ মাহমুদ লেখেন, যখন আমাকে তদন্ত কমিটি থেকে সাক্ষাৎকাদের বিষয়ে জানানো হলো, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয় এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তারা তদন্ত করতে পারেন কি না জানতে চেয়ে কোনো সদুত্তর পাইনি। কীভাবে সরকার চালাতে হয়, কীভাবে প্রজ্ঞাপন দিতে হয়, কোনটা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, কোনটা বিচারাধীন বিষয়, কোনটা আদালত অবমাননা এটা হয়তো আপনারা বোঝেন না অথবা তোয়াক্কা করেন না। আমি তো আর জেনে-বুঝে এসব নিয়মবহির্ভূত আর আদালত অবমাননার মতো কাজে শামিল হব না। এজন্যই বিসিবি-সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারের নোটিশে আমি সাড়া দেইনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আরও চার পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) বোর্ড সভার পর তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
গত বছরের অক্টোবরে নির্বাচনের মাধ্যমে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব নেয়। শনিবার বোর্ড সভা শেষে পদত্যাগ করেন– ফাইয়াজুর রহমান, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম ও মনজুর আলম।
এ নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ২৫ পরিচালকের মধ্যে সাতজন পদত্যাগ করলেন। আগে বিভিন্ন সময়ে পদত্যাগ করেছেন ইশতিয়াক সাদেক, আমজাদ হোসেন ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের দাবি, বাইরের ‘অদৃশ্য শক্তি’ বোর্ডকে কাজ করতে দিচ্ছে না। বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, পরিচালক কমতে কমতে যদি একজনও হয়, আমিই শেষ ব্যক্তি হতে চাই যে চেয়ারে বসে থাকবে।
বিসিবি সভাপতি জানান, তাঁর নেতৃত্বাধীন বোর্ডকে গত ছয় মাস ধরে শান্তিতে কাজ করতে দেওয়া হয়নি। একটি ‘এক্সটার্নাল ফোর্স’ ক্রমাগত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং পুরোনো ইস্যু টেনে বর্তমান বোর্ডকে বিব্রত করছে।
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ
এদিকে, রোববার দুপুরে এনসিপির মুখপাত্র এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, বিসিবি ভাঙার প্রক্রিয়া ঠেকাতে এবং আইসিসির সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে এক ‘বিখ্যাত ক্রিকেটার’ লবিং শুরু করেছেন।
তিনি লেখেন, অবৈধভাবে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসি যেন কোনো ব্যবস্থা না নেয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার লবিংয়ে ব্যস্ত। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি তিনি সাবেক বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে লন্ডনে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আইসিসি চেয়ারম্যান অমিত শাহের ছেলে জয় শাহের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিতে পাপনকে অনুরোধ জানান।
আসিফ মাহমুদের দাবি, বিসিবি নির্বাচনের সময়ও এই ক্রিকেটার বিরাট কোহলির মাধ্যমে জয় শাহের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের উদাহরণ টেনে তিনি লেখেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে আইসিসি অতীতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। সেই একই রকম ব্যবস্থার ভয় দেখিয়ে বর্তমান পর্ষদকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।
তিনি লেখেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আবারো পার্শ্ববর্তী দেশ এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের অন্তর্ভুক্তির পায়তারার খবর শুনে মনে হলো দেশবাসীর এসব জানা থাকা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসিফ মাহমুদের প্রশ্ন, এই গোপন লবিং সম্পর্কে তিনি অবগত কিনা?
নির্বাচনে অনিয়মের তদন্ত শেষ, সাড়া দেননি আসিফ মাহমুদ
গত বছরের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি তাদের কাজ শেষ করেছে। রোববার তারা এনএসসিতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবে এই কমিটির ডাকে সাড়া দেননি তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই কমিটি করা হয়েছিল। তারা এনএসসি সদর দপ্তরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির এবং এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসানের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
পরে বিচারপতি আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য এসেছিলাম। জমা দিয়ে গেলাম। নিরপেক্ষভাবে চেষ্টা করেছি আমরা, যাদের যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছিলাম, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে যা পেয়েছি আমরা, সেভাবে সুন্দরভাবে চেষ্টা করেছি। আমরা কাউকে অভিযুক্ত না করে, নিরপেক্ষভাবে যা নির্বাচন-সংক্রান্ত যা পেয়েছি, সে সম্বন্ধে রিপোর্ট দিয়ে গেলাম।
প্রতিবেদনে কি আছে– প্রশ্নে তিনি বলেন, রিপোর্ট দেখলে আপনারা সব বুঝতে পারবেন এর মধ্যে কী আছে না আছে। আমরা কাউকে অভিযুক্ত করিনি। আমরা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পর্কে আলোচনা করে রিপোর্ট করেছি।
বিচারপতি আসাদুজ্জামান বলেন, কমিটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উন্নতির জন্য কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব করেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা কিছু সুপারিশ দিয়েছি, যেমন– একটি গাইডলাইন তৈরি করা এবং বোর্ডের ভেতরে কোনো সংস্কার প্রয়োজন কি না সে বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি।
এ সময় তিনি জানান, তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি সে সময়ের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বিচারপতি আসাদুজ্জামান বলেন, আসলে ডেকেছিলাম বলতে, আসলে উনার কোনো বক্তব্য বা উনি কিছু বলতে চান কি না, সেজন্য। উনাকে অ্যাকিউজ করার জন্য না। উনাকে সময় দিয়ে ডাকা হয়েছিল, উনি আমাদের কাছে আসেননি।
এদিকে, তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। ‘আমি কেন বিসিবি-সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দেইনি’ শিরোনামে তিনি লিখেছেন, প্রথমত, একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিসিবির ওপর এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে তদন্ত করছে মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়ে তদন্ত করে তদন্ত কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সকলে আদালত অবমাননা করছেন। চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড ডিরেক্টরদের পরের বোর্ডে ডিরেক্টর পদের লোভ, লোভে রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করাচ্ছেন।
আসিফ মাহমুদ লেখেন, যখন আমাকে তদন্ত কমিটি থেকে সাক্ষাৎকাদের বিষয়ে জানানো হলো, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয় এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তারা তদন্ত করতে পারেন কি না জানতে চেয়ে কোনো সদুত্তর পাইনি। কীভাবে সরকার চালাতে হয়, কীভাবে প্রজ্ঞাপন দিতে হয়, কোনটা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, কোনটা বিচারাধীন বিষয়, কোনটা আদালত অবমাননা এটা হয়তো আপনারা বোঝেন না অথবা তোয়াক্কা করেন না। আমি তো আর জেনে-বুঝে এসব নিয়মবহির্ভূত আর আদালত অবমাননার মতো কাজে শামিল হব না। এজন্যই বিসিবি-সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারের নোটিশে আমি সাড়া দেইনি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ। প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়াটাও এক ধরনের গৌরব। তবে এখন পর্যন্ত এমন কিছু দেশ রয়েছে, যারা কখনও বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পায়নি।
১ দিন আগে
টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে ভারতকে পরাজিত করে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের রাজধানী মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র থাকার পর ম্যাচটি পেনাল্টি শুটআউটে গড়ায়।
২ দিন আগে
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে আরও গতিশীল করতে ফুটবলের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। সোমবার (৩০ মার্চ) ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদসংস্থা ইএসপিএন সকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময় অপচয় রোধ করা এবং মাঠের রেফারিদের ওপর চাপ কমানোই এই ৫ ‘গেম-চেঞ্জার’ নিয়মের মূল লক্ষ্য।
৩ দিন আগে
টুর্নামেন্ট ৪৮ দলে উন্নীত হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বকাপে এশিয়া এবং আফ্রিকা অঞ্চল থেকে ৪টি করে ৮ আরব দেশ অংশ নিচ্ছে। ২০১৮ ও ২০২২-এ ৪টি করে দল আরব দেশ অংশ নেয়।
৪ দিন আগে