স্ট্রিম প্রতিবেদক

এ বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত বছরও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। সভায় অন্যদের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখার পক্ষ থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামি শরিয়াহ মতে আটা, যব, কিশমিশ, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যের যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়। গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা দিতে হবে।
যব দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা, খেজুর দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা, কিশমিশ দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা ও পনির দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
সভায় বলা হয়, দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানেরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

এ বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত বছরও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। সভায় অন্যদের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখার পক্ষ থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামি শরিয়াহ মতে আটা, যব, কিশমিশ, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যের যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়। গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা দিতে হবে।
যব দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা, খেজুর দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা, কিশমিশ দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা ও পনির দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
সভায় বলা হয়, দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানেরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

রমজান বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ইবাদতের দরজা তো বন্ধ হয়নি। একজন মুমিনের জন্য ইবাদত কোনো নির্দিষ্ট মাসে সীমাবদ্ধ নয়। বছরজুড়েই তা অব্যাহত থাকে। শাওয়ালের ৬ রোজা, জিলহজের আরাফার রোজা, মুহাররমের আশুরার রোজা, প্রতি মাসের আইয়ামে বীজ– এসব নফল রোজা যেন মুমিনের জীবনে তাকওয়ার ধারা সচল রাখার বিভিন্ন ধাপ।
৪ দিন আগে
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সেই আনন্দের সবচেয়ে প্রাণবন্ত প্রকাশ ঘটে ঈদের জামাতে। সকালে নতুন জামা পরে আতরের সুগন্ধ মেখে, বাড়ির ছোট-বড় সবাই মিলে ঈদগাহের পথে হাঁটতে শুরু করে।
৯ দিন আগে
ঈদের ছুটি ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ ফিরতে শুরু করেছে নিজ নিজ বাড়িতে। এই সময় সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়।
১২ দিন আগে
সমাপ্তির পথে এ বছরের রমজান। আর মাত্র দুই দিন বা তিন দিন পরই শেষ হবে এই বরকতময় মাস। প্রকৃতির বসন্ত যেমন একসময় ফুরিয়ে যায়, তেমনি মানুষের অন্তরের বসন্তও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। একজন মুমিনের জন্য অন্তরের সেই বসন্তের নাম—‘রমজান’।
১৩ দিন আগে