leadT1ad

এবছর পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
মাগুরা

মহম্মদপুর আধুনিক ডাকবাংলো’ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী

বাংলা নবর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ২ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ‘মহম্মদপুর আধুনিক ডাকবাংলো’ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা তিনি।

এসময় তিনি বলেন, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা বা আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আগামীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা নামেই এই শোভাযাত্রা করা হবে।’

Ad 300x250

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রা বাংলাদেশি তথা বাঙালি সংস্কৃতির একটি ঐতিহ্য। এটি কোনও দলের নয়, সবার। ফলে এটা মঙ্গল শোভাযাত্রা বা আনন্দ শোভাযাত্রা কোনটাই হবে না, এবার থেকে হবে বৈশাখী শোভাযাত্রা।’

প্রসঙ্গত, ঊনিশ শতকের আশির দশকে সামরিক শাসনের অর্গল ভাঙার আহ্বানে পহেলা বৈশাখে চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়েছিল; সেটিই পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় রূপ নেয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পায় এ কর্মসূচি। পহেলা বৈশাখের সকালে রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হত মঙ্গল শোভাযাত্রা।

দীর্ঘদিন ধরেই এই আয়োজনের বিরোধিতা করে আসছেন একটি গোষ্ঠী। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই বিরোধিতা আরও জোরালো হয়। সেই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নতুন নামকরণ হয় ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।

এসময় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, ‘দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে সরকার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যারা ভোট দিয়েছেন আমরা তাদের কাজ করবো, যারা আমাদের ভোট দেয়নি তাদেরও কাজ করব। ক্ষমতা অপব্যবহার যারা করবে, তাঁদের আমরা কোনোক্রমেই সহ্য করবো না। সবাই মিলে বিএনপিকে সফল করতে চাই। যদি বিএনপিকে সফল করতে পারি এবং পরিকল্পনা অনুয়ায়ী কাজ করতে পারি, তবে বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে।’

দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় থেকে নানান অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হয়ে দেশকে একটি দারিদ্র্য দেশে পরিণত করেছে বলেও মন্তব্য করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সঠিক নেতৃত্বের অভাবে আমরা আজও দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছি।’

মাগুরার জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহম্মেদের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট খাঁন রোকনুজ্জামান ও আমিনুল ইসলাম পিকুর খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুলিম সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী হাসীনা মমতাজ বেগম প্রমুখ। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহা. শাহানুর জামান প্রমুখ।

Ad 300x250Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত
leadT1ad

সম্পর্কিত

leadT1ad
leadT1ad