আল-জাজিরা এক্সপ্লেইনার

ইরানে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধারের অভিযান সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ও নাটকীয় সামরিক অপারেশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টার টানা অনুসন্ধান, গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং সরাসরি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সফলভাবে এই উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করে মার্কিন বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে সাহসী ‘সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ’ অপারেশনগুলোর একটি বলে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে তিনি জানান, শত্রুপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আটকা পড়া সেনাদের উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করেছে এবং অভিযান শেষে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর ওই ক্রুকে প্রায় দুই দিন ধরে খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। ইরান দেশটির জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিল, ওই ক্রুকে কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে। বিশ্লেষকদের মতে, এমনটি ঘটলে ইরানের জন্য বড় অর্জন হতো এবং ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারত।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক অ্যামিন সাইকাল আল জাজিরাকে বলেন, ‘এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য বড় পরীক্ষা ছিল। তারা শত্রুপক্ষের এলাকায় কোনো সেনাকে ফেলে রাখতে চায় না। এই সফল উদ্ধার অভিযান ট্রাম্পকে তার কৌশল বাস্তবায়নে আরও স্বাধীনতা দেবে।’
শুক্রবার সকালে দুজন ক্রুকে নিয়ে একটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান দক্ষিণ ইরানে উড্ডয়নের সময় ভূপাতিত হয়। ইরানের দাবি, তাদের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একজন পাইলটকে উদ্ধার করলেও দ্বিতীয় ক্রুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজ ওই সেনা সদস্য দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে পড়েন। সামরিক সূত্র অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে পাইলটদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে শত্রুপক্ষের চোখ এড়িয়ে বেঁচে থাকা, অবস্থান গোপন রাখা এবং সুযোগ পেলে নিরাপদ সংকেত পাঠানোর কৌশল তাঁরা শিখে থাকেন।
এদিকে ইরান দ্রুত ওই এলাকায় তল্লাশি জোরদার করে। এমনকি সাধারণ জনগণকেও নিখোঁজ মার্কিন সেনাকে খুঁজে বের করতে আহ্বান জানানো হয় এবং পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই পক্ষের প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকে।
নিখোঁজ সেনার অবস্থান শনাক্ত করতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। ড্রোন নজরদারি, স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং এবং গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁর সম্ভাব্য অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে ইরানকে বিভ্রান্ত করার কৌশল করে। বিভিন্ন মাধ্যমে নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারের তথ্য ছড়ানো হয়, যাতে ইরানি বাহিনী ভুল পথে পরিচালিত হয় এবং অনুসন্ধানের গতি কমে যায়। এই কৌশল আংশিকভাবে সফল হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে মার্কিন বাহিনী উদ্ধার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার জন্য বাড়তি সময় পায়।
অ্যাডভান্সড ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার ফুট ওপর থেকে দুর্গম পাহাড়ে লুকানো অফিসারের সঠিক অবস্থান পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসকে জানায় সিআইএ। ট্রাম্প তখনই তাঁকে উদ্ধারের আদেশ দেন।
এরপর মূল অভিযান শুরু করে আমেরিকান স্পেশাল অপারেশনস ফোর্স এবং এয়ারফোর্সের স্পেশাল ওয়ারফেয়ার টিম। এই অভিযানে সশস্ত্র হেলিকপ্টার, পরিবহন বিমান এবং আকাশ থেকে নজরদারি চালানো ড্রোন—সবকিছুরই সাহায্য নেয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়োজনে কভার ফায়ার দেওয়ার জন্য যুদ্ধবিমানও প্রস্তুত রাখা হয়।
তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত ঢুকে ক্রুকে বের করে আনার চেষ্টা করা হলেও বাস্তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। উদ্ধার অভিযানের সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ভারী গোলাগুলির মধ্যেই মার্কিন বাহিনী নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং দ্রুত তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া ওই কর্মকর্তা আহত হলেও তিনি এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাল্টাপাল্টি দাবি করেছে। ইরানের দাবি, তারা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া একাধিক মার্কিন বিমান ভূপাতিত করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের উদ্ধার অভিযান সব সময়ই ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে উভয় পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

ইরানে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধারের অভিযান সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ও নাটকীয় সামরিক অপারেশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টার টানা অনুসন্ধান, গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং সরাসরি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সফলভাবে এই উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করে মার্কিন বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে সাহসী ‘সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ’ অপারেশনগুলোর একটি বলে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে তিনি জানান, শত্রুপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আটকা পড়া সেনাদের উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করেছে এবং অভিযান শেষে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর ওই ক্রুকে প্রায় দুই দিন ধরে খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। ইরান দেশটির জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিল, ওই ক্রুকে কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে। বিশ্লেষকদের মতে, এমনটি ঘটলে ইরানের জন্য বড় অর্জন হতো এবং ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারত।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক অ্যামিন সাইকাল আল জাজিরাকে বলেন, ‘এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য বড় পরীক্ষা ছিল। তারা শত্রুপক্ষের এলাকায় কোনো সেনাকে ফেলে রাখতে চায় না। এই সফল উদ্ধার অভিযান ট্রাম্পকে তার কৌশল বাস্তবায়নে আরও স্বাধীনতা দেবে।’
শুক্রবার সকালে দুজন ক্রুকে নিয়ে একটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান দক্ষিণ ইরানে উড্ডয়নের সময় ভূপাতিত হয়। ইরানের দাবি, তাদের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একজন পাইলটকে উদ্ধার করলেও দ্বিতীয় ক্রুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজ ওই সেনা সদস্য দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে পড়েন। সামরিক সূত্র অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে পাইলটদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে শত্রুপক্ষের চোখ এড়িয়ে বেঁচে থাকা, অবস্থান গোপন রাখা এবং সুযোগ পেলে নিরাপদ সংকেত পাঠানোর কৌশল তাঁরা শিখে থাকেন।
এদিকে ইরান দ্রুত ওই এলাকায় তল্লাশি জোরদার করে। এমনকি সাধারণ জনগণকেও নিখোঁজ মার্কিন সেনাকে খুঁজে বের করতে আহ্বান জানানো হয় এবং পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই পক্ষের প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকে।
নিখোঁজ সেনার অবস্থান শনাক্ত করতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। ড্রোন নজরদারি, স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং এবং গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁর সম্ভাব্য অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে ইরানকে বিভ্রান্ত করার কৌশল করে। বিভিন্ন মাধ্যমে নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারের তথ্য ছড়ানো হয়, যাতে ইরানি বাহিনী ভুল পথে পরিচালিত হয় এবং অনুসন্ধানের গতি কমে যায়। এই কৌশল আংশিকভাবে সফল হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে মার্কিন বাহিনী উদ্ধার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার জন্য বাড়তি সময় পায়।
অ্যাডভান্সড ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার ফুট ওপর থেকে দুর্গম পাহাড়ে লুকানো অফিসারের সঠিক অবস্থান পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসকে জানায় সিআইএ। ট্রাম্প তখনই তাঁকে উদ্ধারের আদেশ দেন।
এরপর মূল অভিযান শুরু করে আমেরিকান স্পেশাল অপারেশনস ফোর্স এবং এয়ারফোর্সের স্পেশাল ওয়ারফেয়ার টিম। এই অভিযানে সশস্ত্র হেলিকপ্টার, পরিবহন বিমান এবং আকাশ থেকে নজরদারি চালানো ড্রোন—সবকিছুরই সাহায্য নেয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়োজনে কভার ফায়ার দেওয়ার জন্য যুদ্ধবিমানও প্রস্তুত রাখা হয়।
তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত ঢুকে ক্রুকে বের করে আনার চেষ্টা করা হলেও বাস্তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। উদ্ধার অভিযানের সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ভারী গোলাগুলির মধ্যেই মার্কিন বাহিনী নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং দ্রুত তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া ওই কর্মকর্তা আহত হলেও তিনি এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাল্টাপাল্টি দাবি করেছে। ইরানের দাবি, তারা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া একাধিক মার্কিন বিমান ভূপাতিত করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের উদ্ধার অভিযান সব সময়ই ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে উভয় পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব নিয়ে সবাই চিন্তিত। তবে ভৌগোলিক দিক থেকে এর থেকে দূরে থেকেও এশিয়ার দেশ তাইওয়ানের এই সংঘাত নিয়ে চিন্তাটা একটু ভিন্ন।
৬ ঘণ্টা আগে
বাল্যবিবাহ একসময় ছিল গ্রামাঞ্চলের এক প্রথাগত সমস্যা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, এটি শুধুমাত্র গরীব বা পিছিয়ে থাকা অঞ্চলের বিষয় নয়। এখন ধনী ও শিক্ষিত পরিবারের মধ্যেও বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি আলোচিত শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবার বিয়ের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন হয়তো ফুরিয়ে আসছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। পাশাপাশি দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারেও আঘাত হেনেছে তারা। ট্রাম্প বারবার দাবি করছিলেন ইরানের আকাশ সম্পূর্ণ আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে।
১ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির অস্থিতিশীল প্রেক্ষাপটে এই শর্তগুলো আদৌ কি বাস্তবে রূপ নেবে কিংবা রূপ না নিলে যুদ্ধ পরিস্থিতি কোনো দিকে যাবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকেরা নিশ্চিত নন। ইরানের এই চার শর্ত পূরণ করা সম্ভব কি না, তা বুঝতে হলে শর্তগুলোর গভীরতা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এগুলো মেনে নেবে কি না, তা বিশ্লেষণ
২ দিন আগে