স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ৬০ শতাংশের কম ভোট পড়ার কোনো কারণ নেই।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফাউন্ডেশন ফর স্ট্রাটেজিক অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ (এফএসডিএস) ও সিটিজেন’স ফোরাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, “আমি মনে করি এবারের নির্বাচনে ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও বলা হয় ২০০৮ সালের ৮৭ শতাংশ ভোট দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, তবে সেই নির্বাচন ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আশা করি এবারের নির্বাচন নিয়ে এমন কোনো সমালোচনা হবে না।” তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ ভোটে না থাকায় ভোটার উপস্থিতি কমতে পারে বলে যে দুশ্চিন্তা আছে, তার প্রভাব পড়বে না। ঢাকা ছেড়ে লাখ লাখ মানুষের গ্রামে ফেরার ঢলই বলে দিচ্ছে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে।
মাহবুব উল্লাহ বলেন, “দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। ফলাফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলোর বড় দায়িত্ব হবে তা মেনে নেওয়া। নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে ধ্বংস হওয়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা।”
অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ১৭ বছরের অর্থনৈতিক লুণ্ঠনে দেশের অর্থনীতি এখন বিপর্যস্ত। রাজনৈতিক দলগুলো ইশতেহারে বড় পরিকল্পনা দিলেও আগে অর্থনৈতিক সংযম পালন করতে হবে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আবু আহমেদ জানান, অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও সঠিক নীতি নিলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে না।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা ভোটের দিন এবং পরবর্তী নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সাবেক আইজিপি মাজহারুল হক বলেন, “নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সঠিক প্রস্তুতি না থাকলে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।”
সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) এম শাহেদুল হক গ্রামঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রামে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজি বেড়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
অন্যদিকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “সংখ্যালঘুদের ওপর আঘাত আসার শঙ্কা করছি। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যেকোনো মূল্যে তা ঠেকাতে হবে।”
সভায় অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী ও এফএসডিএসের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর একটি সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল (অব.) আওরঙ্গজেব চৌধুরী, সাবেক বিচার কর্মকর্তা ইকতাদার আহমেদ, সাবেক সচিব আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মেজর (অব.) রেজাউল করিম, জাহাঙ্গীর নগরের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান, সাংবাদিক মেহেদী হাসান পলাশ, সাবেক আইজিপি আশরাফ, সৌদি-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ৬০ শতাংশের কম ভোট পড়ার কোনো কারণ নেই।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফাউন্ডেশন ফর স্ট্রাটেজিক অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ (এফএসডিএস) ও সিটিজেন’স ফোরাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, “আমি মনে করি এবারের নির্বাচনে ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও বলা হয় ২০০৮ সালের ৮৭ শতাংশ ভোট দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, তবে সেই নির্বাচন ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আশা করি এবারের নির্বাচন নিয়ে এমন কোনো সমালোচনা হবে না।” তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ ভোটে না থাকায় ভোটার উপস্থিতি কমতে পারে বলে যে দুশ্চিন্তা আছে, তার প্রভাব পড়বে না। ঢাকা ছেড়ে লাখ লাখ মানুষের গ্রামে ফেরার ঢলই বলে দিচ্ছে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে।
মাহবুব উল্লাহ বলেন, “দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। ফলাফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলোর বড় দায়িত্ব হবে তা মেনে নেওয়া। নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে ধ্বংস হওয়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা।”
অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ১৭ বছরের অর্থনৈতিক লুণ্ঠনে দেশের অর্থনীতি এখন বিপর্যস্ত। রাজনৈতিক দলগুলো ইশতেহারে বড় পরিকল্পনা দিলেও আগে অর্থনৈতিক সংযম পালন করতে হবে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আবু আহমেদ জানান, অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও সঠিক নীতি নিলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে না।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা ভোটের দিন এবং পরবর্তী নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সাবেক আইজিপি মাজহারুল হক বলেন, “নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সঠিক প্রস্তুতি না থাকলে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।”
সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) এম শাহেদুল হক গ্রামঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রামে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজি বেড়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
অন্যদিকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “সংখ্যালঘুদের ওপর আঘাত আসার শঙ্কা করছি। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যেকোনো মূল্যে তা ঠেকাতে হবে।”
সভায় অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী ও এফএসডিএসের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর একটি সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল (অব.) আওরঙ্গজেব চৌধুরী, সাবেক বিচার কর্মকর্তা ইকতাদার আহমেদ, সাবেক সচিব আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মেজর (অব.) রেজাউল করিম, জাহাঙ্গীর নগরের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান, সাংবাদিক মেহেদী হাসান পলাশ, সাবেক আইজিপি আশরাফ, সৌদি-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে। এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও শেষ। আমরা বিষয়টিকে সেভাবেই দেখছি।’
৯ মিনিট আগে
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে তথ্যদাতাদের জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চোরাই বা অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে এই আর্থিক সম্মানী প্রদান করা হবে।
২৯ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় নিখোঁজের দুদিন পর জোনায়েদ (১৪) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া হাম ও হামজনিত নিউমোনিয়ার লক্ষণ নিয়ে আরও কয়েকজনসহ মোট ১৪ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
৩ ঘণ্টা আগে