স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন পেয়েছেন চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন পাওয়া দুই আসামি হলেন—আবু রায়হান ও রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ। তারা দুজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা জামিনের বিরোধিতা করি। তবে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন দিয়েছেন।
গত ১০ মার্চ তোফাজ্জল হত্যা মামলায় ২৮ আসামির বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। এদের মধ্যে ২২ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
পরোয়ানা জারির পর গত ১৫ মার্চ এই মামলার আরেক আসামি, বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী রাশেদ কামাল অনিক আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে এজলাস থেকে পালিয়ে যান।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া, ওই হলের আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম, ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি, আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, মনিরুজ্জামান সোহাগ, রাব্বিকুল রিয়াদ এবং আশরাফ আলী মুন্সী।
এদিকে, তোফাজ্জল হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার নারাজি (আপত্তি) দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান। পিবিআইয়ের অভিযোগপত্র গ্রহণের পরদিন গত ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান দাবি করেন, একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বাঁচাতে এবং বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এমন নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে। তিনি বলেন, তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডের মতো ন্যক্করজনক একটি ঘটনার বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একের পর এক নারাজি পিটিশন দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি গত ১০ মার্চ পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণের দিনও তারা এর ওপর নারাজি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও তাদের বাঁচানোর জন্যই এই চেষ্টা করা হচ্ছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তোফাজ্জল হোসেনকে (৩২) আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা। মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে তাকে প্রথমে মারধর করা হয়। পরে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বুঝতে পেরে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে ভাত খাওয়ানো হয়।
ভাত খাওয়ার পর তাকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। অচেতন অবস্থায় রাত ১০টা ৫২ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নে। তিনি বরিশাল বিএম কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করলেও মানসিক সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কর্মহীন ছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। তদন্ত শেষে শাহবাগ থানা পুলিশ প্রথমে ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
তবে গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নাম আসা কয়েকজনকে ওই অভিযোগপত্রে অব্যাহতি দেওয়ায় বাদীপক্ষ আদালতে নারাজি (অনাস্থা) দাখিল করে।
পরবর্তীতে পিবিআই মামলার পুনঃতদন্ত করে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন পেয়েছেন চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন পাওয়া দুই আসামি হলেন—আবু রায়হান ও রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ। তারা দুজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা জামিনের বিরোধিতা করি। তবে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন দিয়েছেন।
গত ১০ মার্চ তোফাজ্জল হত্যা মামলায় ২৮ আসামির বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। এদের মধ্যে ২২ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
পরোয়ানা জারির পর গত ১৫ মার্চ এই মামলার আরেক আসামি, বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী রাশেদ কামাল অনিক আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে এজলাস থেকে পালিয়ে যান।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া, ওই হলের আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম, ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি, আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, মনিরুজ্জামান সোহাগ, রাব্বিকুল রিয়াদ এবং আশরাফ আলী মুন্সী।
এদিকে, তোফাজ্জল হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার নারাজি (আপত্তি) দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান। পিবিআইয়ের অভিযোগপত্র গ্রহণের পরদিন গত ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান দাবি করেন, একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বাঁচাতে এবং বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এমন নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে। তিনি বলেন, তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডের মতো ন্যক্করজনক একটি ঘটনার বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একের পর এক নারাজি পিটিশন দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি গত ১০ মার্চ পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণের দিনও তারা এর ওপর নারাজি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও তাদের বাঁচানোর জন্যই এই চেষ্টা করা হচ্ছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তোফাজ্জল হোসেনকে (৩২) আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা। মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে তাকে প্রথমে মারধর করা হয়। পরে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বুঝতে পেরে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে ভাত খাওয়ানো হয়।
ভাত খাওয়ার পর তাকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। অচেতন অবস্থায় রাত ১০টা ৫২ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নে। তিনি বরিশাল বিএম কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করলেও মানসিক সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কর্মহীন ছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। তদন্ত শেষে শাহবাগ থানা পুলিশ প্রথমে ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
তবে গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নাম আসা কয়েকজনকে ওই অভিযোগপত্রে অব্যাহতি দেওয়ায় বাদীপক্ষ আদালতে নারাজি (অনাস্থা) দাখিল করে।
পরবর্তীতে পিবিআই মামলার পুনঃতদন্ত করে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাগানমাঠ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
২২ মিনিট আগে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ নিয়ে আরও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
৩১ মিনিট আগে
পহেলা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।
১ ঘণ্টা আগে
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দুই দিনের সফরে ভারত যাচ্ছে। এই সফরে তাঁরা গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়েও আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে