স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি অবরোধের মূল কারিগর এবং ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরিকে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানান, বুধবার রাতে এই গুপ্তহত্যা চালানো হয় এবং নৌ কমান্ডের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। কাৎজ বলেন, ‘যে ব্যক্তি হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন এবং জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ায় সরাসরি দায়ী, তাকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে।’
আল জাজিরার প্রতিবেদক আলী হাশেম তেহরান থেকে জানান, আলিরেজা তাংসিরি ইরানের একজন জনপ্রিয় সামরিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি বছরের পর বছর ধরে আইআরজিসির নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও নৌ-নীতি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সামুদ্রিক ব্যবহারের জন্য ড্রোন তৈরির দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি উপকূলীয় শহর বন্দর আব্বাসে অবস্থান করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার সরকারি প্রচেষ্টা সরাসরি তদারকি করছিলেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে কোন কোন জাহাজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছে, তার আপডেট দেওয়া হতো। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিয়োগকৃত এই কমান্ডার ২০২৫ ও ২০২৬ সালের দুটি গুপ্তহত্যার চেষ্টা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। আল জাজিরার আরেক প্রতিবেদক তৌহিদ আসাদি জানান, তেহরানের পক্ষ থেকে তাংসিরির মৃত্যুর বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে এই খবর সত্যি হলে ইরানের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা হবে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা থেকে আল জাজিরার বিশ্লেষক নূর ওদেহ জানান, আইআরজিসির নৌপ্রধানকে হত্যার দাবি ইসরায়েল সরকারের জন্য দুটি দিক থেকে লাভজনক। প্রথমত, এই হত্যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রমাণ করবে যে ইসরায়েল হরমুজ প্রণালি খুলতে সাহায্য করছে। দ্বিতীয়ত, ইসরায়েলি জনগণ এই গুপ্তহত্যাগুলোকে অর্জন হিসেবে দেখে এবং তারা মনে করে এর মাধ্যমে ইরানের পতন ত্বরান্বিত হবে।
তবে কৌশলগত দিক থেকে ইসরায়েল বোঝে, অনেক কর্মকর্তাকে হত্যা করলেও যুদ্ধের মূল গতিপথ খুব একটা বদলাবে না। ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানে, ইরান এখন তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়ছে, তাই এই ধরনের হত্যাকাণ্ড সামগ্রিক চিত্রে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।

হরমুজ প্রণালি অবরোধের মূল কারিগর এবং ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরিকে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানান, বুধবার রাতে এই গুপ্তহত্যা চালানো হয় এবং নৌ কমান্ডের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। কাৎজ বলেন, ‘যে ব্যক্তি হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন এবং জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ায় সরাসরি দায়ী, তাকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে।’
আল জাজিরার প্রতিবেদক আলী হাশেম তেহরান থেকে জানান, আলিরেজা তাংসিরি ইরানের একজন জনপ্রিয় সামরিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি বছরের পর বছর ধরে আইআরজিসির নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও নৌ-নীতি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সামুদ্রিক ব্যবহারের জন্য ড্রোন তৈরির দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি উপকূলীয় শহর বন্দর আব্বাসে অবস্থান করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার সরকারি প্রচেষ্টা সরাসরি তদারকি করছিলেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে কোন কোন জাহাজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছে, তার আপডেট দেওয়া হতো। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিয়োগকৃত এই কমান্ডার ২০২৫ ও ২০২৬ সালের দুটি গুপ্তহত্যার চেষ্টা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। আল জাজিরার আরেক প্রতিবেদক তৌহিদ আসাদি জানান, তেহরানের পক্ষ থেকে তাংসিরির মৃত্যুর বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে এই খবর সত্যি হলে ইরানের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা হবে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা থেকে আল জাজিরার বিশ্লেষক নূর ওদেহ জানান, আইআরজিসির নৌপ্রধানকে হত্যার দাবি ইসরায়েল সরকারের জন্য দুটি দিক থেকে লাভজনক। প্রথমত, এই হত্যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রমাণ করবে যে ইসরায়েল হরমুজ প্রণালি খুলতে সাহায্য করছে। দ্বিতীয়ত, ইসরায়েলি জনগণ এই গুপ্তহত্যাগুলোকে অর্জন হিসেবে দেখে এবং তারা মনে করে এর মাধ্যমে ইরানের পতন ত্বরান্বিত হবে।
তবে কৌশলগত দিক থেকে ইসরায়েল বোঝে, অনেক কর্মকর্তাকে হত্যা করলেও যুদ্ধের মূল গতিপথ খুব একটা বদলাবে না। ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানে, ইরান এখন তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়ছে, তাই এই ধরনের হত্যাকাণ্ড সামগ্রিক চিত্রে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৬ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে