স্ট্রিম ডেস্ক

উত্তর আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ৭ জন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, সোমবার রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে ২৮ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। কেন্দ্র ছিল মাজার-ই-শরিফের কাছাকাছি এলাকায়। খবর আল-জাজিরা
সামাঙ্গান প্রদেশের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সামিম জয়ান্দা বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৫০ জন আহত ও ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের সবাইকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।’
ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলছে বলে জানিয়েছেন আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তারা।
ইউএসজিএসর পেজার সিস্টেমে এ ভূমিকম্পের জন্য ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে, যা প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নির্দেশ করে।
বালখ প্রদেশের মুখপাত্র হাজি জায়েদ জানান, মাজার-ই-শরিফের ঐতিহাসিক নীল মসজিদে একটি অংশও ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে।
প্রায় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার মানুষের শহর মাজার-ই-শরিফে স্থানীয় সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় গভীর রাতে অনেক মানুষ ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর এ পর্যন্ত আফগানিস্তান তিনটি বড় প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়েছে। বিদেশি সহায়তা কমে যাওয়ায় দুর্যোগ মোকাবিলা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
এর আগে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পূর্ব আফগানিস্তানে ৬ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান। ২০২৩ সালে পশ্চিম হেরাত ও ২০২২ সালে পূর্ব নানগারহার প্রদেশে বড় দুটি ভূমিকম্পে শত শত মানুষ মারা যান এবং হাজারো ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়।
হিন্দুকুশ পর্বতমালার পাশ দিয়ে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থান করায় দেশটি ভূমিকম্পপ্রবণ। দুর্বল অবকাঠামো ও নিম্নমানের বাড়িঘর থাকায় এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ধারকাজও ব্যাহত হয়।
ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার ভূকম্পবিদ ব্রায়ান ব্যাপটি জানিয়েছেন, ১৯০০ সালের পর থেকে উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তান ৭ মাত্রার বেশি শক্তির ১২টি বড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে।

উত্তর আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ৭ জন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, সোমবার রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে ২৮ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। কেন্দ্র ছিল মাজার-ই-শরিফের কাছাকাছি এলাকায়। খবর আল-জাজিরা
সামাঙ্গান প্রদেশের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সামিম জয়ান্দা বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৫০ জন আহত ও ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের সবাইকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।’
ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলছে বলে জানিয়েছেন আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তারা।
ইউএসজিএসর পেজার সিস্টেমে এ ভূমিকম্পের জন্য ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে, যা প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নির্দেশ করে।
বালখ প্রদেশের মুখপাত্র হাজি জায়েদ জানান, মাজার-ই-শরিফের ঐতিহাসিক নীল মসজিদে একটি অংশও ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে।
প্রায় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার মানুষের শহর মাজার-ই-শরিফে স্থানীয় সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় গভীর রাতে অনেক মানুষ ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর এ পর্যন্ত আফগানিস্তান তিনটি বড় প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়েছে। বিদেশি সহায়তা কমে যাওয়ায় দুর্যোগ মোকাবিলা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
এর আগে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পূর্ব আফগানিস্তানে ৬ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান। ২০২৩ সালে পশ্চিম হেরাত ও ২০২২ সালে পূর্ব নানগারহার প্রদেশে বড় দুটি ভূমিকম্পে শত শত মানুষ মারা যান এবং হাজারো ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়।
হিন্দুকুশ পর্বতমালার পাশ দিয়ে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থান করায় দেশটি ভূমিকম্পপ্রবণ। দুর্বল অবকাঠামো ও নিম্নমানের বাড়িঘর থাকায় এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ধারকাজও ব্যাহত হয়।
ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার ভূকম্পবিদ ব্রায়ান ব্যাপটি জানিয়েছেন, ১৯০০ সালের পর থেকে উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তান ৭ মাত্রার বেশি শক্তির ১২টি বড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে