রয়টার্সের এক্সক্লুসিভ
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরাক থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী কুর্দি গোষ্ঠীগুলো। তেহরানে চলমান অস্থিরতার সুযোগ নিতেই বিদেশি মদদপুষ্ট এই গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট অন্তত তিনটি সূত্র যুক্তরাজ্যভিত্তিক রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এই খবর দিয়েছে রয়টার্স।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানায়, প্রতিবেশী তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) কুর্দি যোদ্ধাদের এই অনুপ্রবেশের বিষয়ে সতর্ক করেছে। সূত্রগুলোর মধ্যে ইরানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছেন।
ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, আইআরজিসি ইতোমধ্যে কুর্দি যোদ্ধাদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভের সুযোগে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। আইআরজিসি ইরানের একটি এলিট বাহিনী; এর আগেও দেশটির বিভিন্ন বিদ্রোহ ও অস্থিরতা দমনে এটি কঠোর ভূমিকা নিয়েছে।
এ বিষয়ে তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি বা আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তুরস্ক উত্তর ইরাকের কুর্দি মিলিশিয়াদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বিবেচনা করে। সম্প্রতি দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইরানে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ আঞ্চলিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এই যোদ্ধাদের ইরাক ও তুরস্ক থেকে পাঠানো হয়েছে। তেহরান ইতোমধ্যে দেশ দুটিকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যোদ্ধা বা অস্ত্র পাচার বন্ধে কড়া বার্তা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকট ঘিরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে বিক্ষোভের ডাক দেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের ডাকা সেই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
একটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে গত কয়েক দিনে অন্তত ২,৬০০ জন নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে এবং প্রয়োজনে হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও স্থগিত রয়েছে। এতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন আকার ধারণ করে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্র কুর্দিদের অনুপ্রবেশের খবরটি সামনে এল।

ইরাক থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী কুর্দি গোষ্ঠীগুলো। তেহরানে চলমান অস্থিরতার সুযোগ নিতেই বিদেশি মদদপুষ্ট এই গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট অন্তত তিনটি সূত্র যুক্তরাজ্যভিত্তিক রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এই খবর দিয়েছে রয়টার্স।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানায়, প্রতিবেশী তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) কুর্দি যোদ্ধাদের এই অনুপ্রবেশের বিষয়ে সতর্ক করেছে। সূত্রগুলোর মধ্যে ইরানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছেন।
ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, আইআরজিসি ইতোমধ্যে কুর্দি যোদ্ধাদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভের সুযোগে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। আইআরজিসি ইরানের একটি এলিট বাহিনী; এর আগেও দেশটির বিভিন্ন বিদ্রোহ ও অস্থিরতা দমনে এটি কঠোর ভূমিকা নিয়েছে।
এ বিষয়ে তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি বা আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তুরস্ক উত্তর ইরাকের কুর্দি মিলিশিয়াদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বিবেচনা করে। সম্প্রতি দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইরানে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ আঞ্চলিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এই যোদ্ধাদের ইরাক ও তুরস্ক থেকে পাঠানো হয়েছে। তেহরান ইতোমধ্যে দেশ দুটিকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যোদ্ধা বা অস্ত্র পাচার বন্ধে কড়া বার্তা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকট ঘিরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে বিক্ষোভের ডাক দেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের ডাকা সেই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
একটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে গত কয়েক দিনে অন্তত ২,৬০০ জন নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে এবং প্রয়োজনে হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও স্থগিত রয়েছে। এতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন আকার ধারণ করে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্র কুর্দিদের অনুপ্রবেশের খবরটি সামনে এল।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৮ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১২ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে