স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের মুসলিমবিষয়ক অর্ধেক সংবাদই পক্ষপাতদুষ্ট। এসব সংবাদের প্রায় অর্ধেকে ‘উচ্চমাত্রায় পক্ষপাত’ থাকে এবং ৭০ শতাংশ সংবাদে মুসলিম বা ইসলামকে নেতিবাচক বিষয় বা আচরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ থাকে।
দেশটির ৩০টি গণমাধ্যমের ৪০ হাজার সংবাদ বিশ্লেষণ করে নতুন গবেষণায় এমনটাই সামনে এসেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডিয়া মনিটরিং (সিএফএমএম) গণমাধ্যমে মুসলিমদের উপস্থাপন নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী এই গবেষণা করেছে। সংস্থাটি গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, গণমাধ্যমে ‘মুসলিমদের পদ্ধতিগতভাবে সংঘাত, হুমকি ও বিতর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয়।’
প্রতিবেদনে ‘পক্ষপাত’ বলতে—ইসলাম বা মুসলিমদের সঙ্গে নেতিবাচক বিষয়ের সংযোগ, নির্দিষ্ট দায় আরোপের পরিবর্তে ঢালাও সাধারণীকরণ, ভুলভাবে উপস্থাপন, প্রাসঙ্গিক তথ্য বা বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দেওয়া এবং শিরোনামের মানকে বোঝানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রকাশিত সংবাদের ৭০ শতাংশে ইসলাম ও মুসলিমদের নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আর ৪৪ শতাংশ সংবাদে ‘প্রয়োজনীয় প্রেক্ষাপট বাদ দেওয়া হয়েছে’। ১৭ শতাংশ সংবাদে মুসলিমদের নিয়ে ঢালাও সাধারণীকরণ এবং ১৩ শতাংশে ‘সরাসরি ভুল উপস্থাপনা’ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সিএফএমএম। আর এই পক্ষপাতদুষ্ট চরিত্রকে সংস্থাটি ‘জনসচেতনতার সংকট’ বলে সতর্ক করেছে।
এছাড়া, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাজ্যে মুসলিমদের নিয়ে প্রকাশিত প্রায় ৫০ শতাংশ সংবাদে ‘কমবেশি পক্ষপাত’ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদন। আর পক্ষপাতদুষ্ট এসব সংবাদের বেশিরভাগই ‘ডানপন্থী একটি প্রকাশনা গোষ্ঠী’ নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করে আসছে।
সিএফএমএম অভিযোগ করেছে, অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ প্রকাশে শীর্ষে আছে দ্য স্পেকটেটরে। সংবাদমাধ্যমটির প্রকাশিত সংবাদের ২৬ শতাংশই পক্ষপাতদুষ্ট। এরপরের অবস্থানে থাকা জিবি নিউজ ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ এবং দ্য টেলিগ্রাফ ১২ দশমিক ৩ শতাংশ সংবাদ পক্ষপাতদুষ্ট।
সিএফএমএমের অভিযোগ, জিবি নিউজ ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে শত্রুভাবাপন্ন কভারেজের পদ্ধতিগত ধারাকে তার সম্পাদকীয় পরিচয়ের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
অন্যদিকে সংস্থাটি বলেছে, বিবিসি সব মানদণ্ডে প্রধান গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বা প্রায় সর্বনিম্ন পক্ষপাতের হার ধারাবাহিকভাবে বজায় রেখেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মুসলিমদের নিয়ে ঢালাও সাধারণীকরণ প্রায় সম্পূর্ণরূপে ডানপন্থী সম্পাদকীয় চর্চা। এটি প্রমাণ করে ইসলাম ও মুসলিমদের ক্ষতিকর কভারেজকে কেবল সংবাদমাধ্যমের সার্বিক প্রবণতার ফল বলা যায় না। বরং একটি প্রকাশনা কতটা ক্ষতিকর সংবাদ তৈরি করে তা সংবাদ পরিবেশনার অনিবার্য সীমাবদ্ধতার চেয়ে ইচ্ছাকৃত সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের ফল।
সিএফএমএমের পরিচালক রিজওয়ানা হামিদ বলেন, যুক্তরাজ্যে এ ধরনের এটি সবচেয়ে বড় গবেষণা এবং এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে মুসলিমদের উপস্থাপনায় কাঠামোগত পক্ষপাতের বিষয়টি গভীরভাবে উদ্বেগজনক প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছে।
তিনি বলেন, এটি আমাদের মিডিয়া ইকোসিস্টেমের পদ্ধতিগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। যখন পুরো সম্প্রদায়কে বারবার সন্দেহ বা হুমকির দৃষ্টিতে উপস্থাপন করা হয়, তখন তা অনিবার্যভাবে জনমত, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং ব্রিটিশ মুসলিমদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে।
এদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক মুসলিমদের কল্যাণকামী থিংক ট্যাংক ইকুইর গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মুসলিমবিরোধী ঘটনা ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে ব্রিটিশ মুসলিমদের প্রতি জনমানুষের মনোভাব রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের আলোচনার তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিমদের ব্যাপারে পক্ষে বা নিরপেক্ষ মনোভাব পোষণ করেন। আর সমাজে মুসলিমদের অবদানের বাস্তব উদাহরণ দেখলে এই ইতিবাচক মনোভাব আরও বৃদ্ধি পায়।
মিডল ইস্ট আইয়ের এক খবরে বলা হয়েছে, এই প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই ব্রিটিশ সরকার মাসব্যাপী আলোচনার পর মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষের একটি নতুন সংজ্ঞা ঘোষণা করেছে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।
দেশটির গৃহায়ন, সম্প্রদায় এবং স্থানীয় সরকার বিষয়কমন্ত্রী স্টিভ রিড হাউস অব কমন্সে বলেছেন, মুসলিমদের লক্ষ্য করে ধর্মীয় ঘৃণামূলক অপরাধও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রায় অর্ধেক ধর্মীয় ঘৃণামূলক অপরাধই মুসলিম সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে এবং অনেকে তাদের চেহারা বা কোন দেশ থেকে এসেছেন সেটা অনুমান করে আক্রমণের শিকার হবেন এমন ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘ধর্মের কারণে’ বা ‘যারা মুসলিম বলে অনুমিত’ তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকেই মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষ বলা হয়েছে। পাশাপাশি ‘প্রথাগত পক্ষপাতমূলক’ এবং ‘মুসলিমদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রাখতে বেআইনি বৈষম্যে লিপ্ত হওয়া’কেও মুসলিম বিদ্বেষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের মুসলিমবিষয়ক অর্ধেক সংবাদই পক্ষপাতদুষ্ট। এসব সংবাদের প্রায় অর্ধেকে ‘উচ্চমাত্রায় পক্ষপাত’ থাকে এবং ৭০ শতাংশ সংবাদে মুসলিম বা ইসলামকে নেতিবাচক বিষয় বা আচরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ থাকে।
দেশটির ৩০টি গণমাধ্যমের ৪০ হাজার সংবাদ বিশ্লেষণ করে নতুন গবেষণায় এমনটাই সামনে এসেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডিয়া মনিটরিং (সিএফএমএম) গণমাধ্যমে মুসলিমদের উপস্থাপন নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী এই গবেষণা করেছে। সংস্থাটি গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, গণমাধ্যমে ‘মুসলিমদের পদ্ধতিগতভাবে সংঘাত, হুমকি ও বিতর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয়।’
প্রতিবেদনে ‘পক্ষপাত’ বলতে—ইসলাম বা মুসলিমদের সঙ্গে নেতিবাচক বিষয়ের সংযোগ, নির্দিষ্ট দায় আরোপের পরিবর্তে ঢালাও সাধারণীকরণ, ভুলভাবে উপস্থাপন, প্রাসঙ্গিক তথ্য বা বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দেওয়া এবং শিরোনামের মানকে বোঝানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রকাশিত সংবাদের ৭০ শতাংশে ইসলাম ও মুসলিমদের নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আর ৪৪ শতাংশ সংবাদে ‘প্রয়োজনীয় প্রেক্ষাপট বাদ দেওয়া হয়েছে’। ১৭ শতাংশ সংবাদে মুসলিমদের নিয়ে ঢালাও সাধারণীকরণ এবং ১৩ শতাংশে ‘সরাসরি ভুল উপস্থাপনা’ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সিএফএমএম। আর এই পক্ষপাতদুষ্ট চরিত্রকে সংস্থাটি ‘জনসচেতনতার সংকট’ বলে সতর্ক করেছে।
এছাড়া, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাজ্যে মুসলিমদের নিয়ে প্রকাশিত প্রায় ৫০ শতাংশ সংবাদে ‘কমবেশি পক্ষপাত’ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদন। আর পক্ষপাতদুষ্ট এসব সংবাদের বেশিরভাগই ‘ডানপন্থী একটি প্রকাশনা গোষ্ঠী’ নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করে আসছে।
সিএফএমএম অভিযোগ করেছে, অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ প্রকাশে শীর্ষে আছে দ্য স্পেকটেটরে। সংবাদমাধ্যমটির প্রকাশিত সংবাদের ২৬ শতাংশই পক্ষপাতদুষ্ট। এরপরের অবস্থানে থাকা জিবি নিউজ ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ এবং দ্য টেলিগ্রাফ ১২ দশমিক ৩ শতাংশ সংবাদ পক্ষপাতদুষ্ট।
সিএফএমএমের অভিযোগ, জিবি নিউজ ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে শত্রুভাবাপন্ন কভারেজের পদ্ধতিগত ধারাকে তার সম্পাদকীয় পরিচয়ের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
অন্যদিকে সংস্থাটি বলেছে, বিবিসি সব মানদণ্ডে প্রধান গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বা প্রায় সর্বনিম্ন পক্ষপাতের হার ধারাবাহিকভাবে বজায় রেখেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মুসলিমদের নিয়ে ঢালাও সাধারণীকরণ প্রায় সম্পূর্ণরূপে ডানপন্থী সম্পাদকীয় চর্চা। এটি প্রমাণ করে ইসলাম ও মুসলিমদের ক্ষতিকর কভারেজকে কেবল সংবাদমাধ্যমের সার্বিক প্রবণতার ফল বলা যায় না। বরং একটি প্রকাশনা কতটা ক্ষতিকর সংবাদ তৈরি করে তা সংবাদ পরিবেশনার অনিবার্য সীমাবদ্ধতার চেয়ে ইচ্ছাকৃত সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের ফল।
সিএফএমএমের পরিচালক রিজওয়ানা হামিদ বলেন, যুক্তরাজ্যে এ ধরনের এটি সবচেয়ে বড় গবেষণা এবং এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে মুসলিমদের উপস্থাপনায় কাঠামোগত পক্ষপাতের বিষয়টি গভীরভাবে উদ্বেগজনক প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছে।
তিনি বলেন, এটি আমাদের মিডিয়া ইকোসিস্টেমের পদ্ধতিগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। যখন পুরো সম্প্রদায়কে বারবার সন্দেহ বা হুমকির দৃষ্টিতে উপস্থাপন করা হয়, তখন তা অনিবার্যভাবে জনমত, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং ব্রিটিশ মুসলিমদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে।
এদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক মুসলিমদের কল্যাণকামী থিংক ট্যাংক ইকুইর গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মুসলিমবিরোধী ঘটনা ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে ব্রিটিশ মুসলিমদের প্রতি জনমানুষের মনোভাব রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের আলোচনার তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিমদের ব্যাপারে পক্ষে বা নিরপেক্ষ মনোভাব পোষণ করেন। আর সমাজে মুসলিমদের অবদানের বাস্তব উদাহরণ দেখলে এই ইতিবাচক মনোভাব আরও বৃদ্ধি পায়।
মিডল ইস্ট আইয়ের এক খবরে বলা হয়েছে, এই প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই ব্রিটিশ সরকার মাসব্যাপী আলোচনার পর মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষের একটি নতুন সংজ্ঞা ঘোষণা করেছে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।
দেশটির গৃহায়ন, সম্প্রদায় এবং স্থানীয় সরকার বিষয়কমন্ত্রী স্টিভ রিড হাউস অব কমন্সে বলেছেন, মুসলিমদের লক্ষ্য করে ধর্মীয় ঘৃণামূলক অপরাধও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রায় অর্ধেক ধর্মীয় ঘৃণামূলক অপরাধই মুসলিম সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে এবং অনেকে তাদের চেহারা বা কোন দেশ থেকে এসেছেন সেটা অনুমান করে আক্রমণের শিকার হবেন এমন ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘ধর্মের কারণে’ বা ‘যারা মুসলিম বলে অনুমিত’ তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকেই মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষ বলা হয়েছে। পাশাপাশি ‘প্রথাগত পক্ষপাতমূলক’ এবং ‘মুসলিমদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রাখতে বেআইনি বৈষম্যে লিপ্ত হওয়া’কেও মুসলিম বিদ্বেষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে